ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথির মুখপাত্র মোহাম্মদ আল–বুখাইতি দাবি করেছেন, ফিলিস্তিনের মুক্তির প্রতি সমর্থনের কারণে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল হত্যা করেছে। ইরানি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ দাবি করেন। সাক্ষাৎকারে আল–বুখাইতি বলেন, ‘খামেনি ছিলেন প্রতিরোধ ও স্বাধীনতার প্রতীক। তার নেতৃত্ব বিশ্বের বিভিন্ন জাতিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আধিপত্যের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করেছে।’
তিনি আরও দাবি করেন, ইসলামি বিশ্বের জন্য খামেনির রাজনৈতিক ও আদর্শিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং ফিলিস্তিনকে মুক্ত করার প্রচেষ্টাই পশ্চিমা দেশগুলোকে তাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নিতে প্ররোচিত করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। দীর্ঘ চার মাস পর তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রোববার (৫ জুলাই) সকাল আটটায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টা) আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
শিয়া ধর্মীয় নেতা জাফর সোবহানি জানাজার নামাজে ইমামতি করেন। ইরানের আধা–সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের খবরে বলা হয়, জানাজার নামাজ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই মোসাল্লার প্রধান প্রাঙ্গণ মানুষের ভিড়ে পূর্ণ হয়ে যায়।
জানাজার নামাজ তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম ধাপে আয়াতুল্লাহ খামেনির জন্য নামাজ আদায় করা হয়। দ্বিতীয় ধাপে তার পরিবারের সদস্য সাইয়্যেদে বুশরা হোসেইনি খামেনি, মেসবাহ আল–হোদা বাকেরি এবং জাহরা হাদ্দাদ আদেলর জন্য জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় ধাপে তার নাতনি জাহরা মোহাম্মাদি গোলপায়েগানির জন্য জানাজার নামাজ আদায় করা হয়। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট 






















