ঢাকা , শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্যার পানিতে ডুবেছে খাগড়াছড়ি, দুর্ভোগে ৬ হাজার মানুষ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩১:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

খাগড়াছড়ির বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও দুর্ভোগ এখনো কাটেনি। জেলা সদর, দীঘিনালা ও মহালছড়ি উপজেলায় এখনও প্রায় ৬ হাজার পরিবার পানিবন্দি, আর ২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।

এদিকে, সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে এবং আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে কাজ করছে সেনাবাহিনী। তাদের সহায়তায় সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের ধাপে ধাপে নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

দুর্গত এলাকায় জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ, সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পাশাপাশি জেলা বিএনপিও ত্রাণ ও রান্না করা খাবার বিতরণ অব্যাহত রেখেছে।

তবে বন্যার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও কম নয়। জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভ্যন্তরীণ ও গ্রামীণ সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রায় এক হাজার হেক্টর জমির আমনের বীজতলা, আউশের চারা, সবজিক্ষেত ও ফলের বাগান পানিতে নষ্ট হয়েছে। এছাড়া কয়েকশ মাছের পুকুর ভেসে গেছে এবং বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসে শতাধিক বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত জানান, দুর্গত মানুষের সহায়তায় ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জেলা প্রশাসনের জন্য ২০০ মেট্রিক টন চাল ও ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জেলা পরিষদের মাধ্যমে আরও ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে।

পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করলেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সময় লাগবে। তাই উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি পুনর্বাসন ও কৃষি খাতের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে দীর্ঘমেয়াদি সহায়তার প্রয়োজন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যার পানিতে ডুবেছে খাগড়াছড়ি, দুর্ভোগে ৬ হাজার মানুষ

আপডেট সময় ১১:৩১:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

খাগড়াছড়ির বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও দুর্ভোগ এখনো কাটেনি। জেলা সদর, দীঘিনালা ও মহালছড়ি উপজেলায় এখনও প্রায় ৬ হাজার পরিবার পানিবন্দি, আর ২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।

এদিকে, সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে এবং আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে কাজ করছে সেনাবাহিনী। তাদের সহায়তায় সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের ধাপে ধাপে নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

দুর্গত এলাকায় জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ, সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পাশাপাশি জেলা বিএনপিও ত্রাণ ও রান্না করা খাবার বিতরণ অব্যাহত রেখেছে।

তবে বন্যার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও কম নয়। জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভ্যন্তরীণ ও গ্রামীণ সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রায় এক হাজার হেক্টর জমির আমনের বীজতলা, আউশের চারা, সবজিক্ষেত ও ফলের বাগান পানিতে নষ্ট হয়েছে। এছাড়া কয়েকশ মাছের পুকুর ভেসে গেছে এবং বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসে শতাধিক বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত জানান, দুর্গত মানুষের সহায়তায় ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জেলা প্রশাসনের জন্য ২০০ মেট্রিক টন চাল ও ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জেলা পরিষদের মাধ্যমে আরও ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে।

পানি ধীরে ধীরে নামতে শুরু করলেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সময় লাগবে। তাই উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি পুনর্বাসন ও কৃষি খাতের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে দীর্ঘমেয়াদি সহায়তার প্রয়োজন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।