ঢাকা , শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খেললও ফ্রান্স, জিতলও ফ্রান্স

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:১০:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

পেনাল্টি মিসের হতাশা অনেক ফুটবলারের কাঁধ ভারী করে দেয়, কিন্তু কিলিয়ান এমবাপ্পে যেন অন্য ধাতুতে গড়া। সুযোগ নষ্টের আক্ষেপকে বেশিক্ষণ সঙ্গী হতে দেননি তিনি। মুহূর্তেই নিজের জাদুকরী পায়ের ছোঁয়ায় লিখলেন নতুন গল্প।

চোখধাঁধানো এক গোল, যা শুধু ফ্রান্সকে এগিয়েই নেয়নি, গ্যালারিজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছে উন্মাদনা। অন্য প্রান্তে ছিলেন উসমান দেম্বেলে। বোস্টনের সেই চেনা মাঠে ফিরে আবারও গোলের দেখা পেলেন ফরাসি উইঙ্গার, যে মাঠেই নরওয়ের বিপক্ষে করেছিলেন স্মরণীয় হ্যাটট্রিক। যা এবারের বিশ্বকাপে ফ্রান্সের একমাত্র হ্যাটট্রিক।

দুই তারকার এই ঝলকানিতে মাত্র ছয় মিনিটের ব্যবধানে দুইবার কেঁপে ওঠে মরক্কোর জাল। মুহূর্তের মধ্যেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় ফরাসিদের হাতে। মরক্কো এই ম্যাচে স্রেফ দর্শক হয়েই থাকল। খুঁজেই পাওয়া গেল না তাদেরকে।

ফ্রান্সের গতি, ছন্দ আর আক্রমণের ধার সামাল দেওয়ার মতো কোনো উত্তর তাদের কাছে ছিল না। একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষকে চাপে রেখে শেষ পর্যন্ত দাপুটে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা।

এ যেন শুধু একটি জয় নয়, বরং শিরোপার পথে আরেকটি শক্ত বার্তা। এমবাপ্পের দুরন্ত প্রত্যাবর্তন, দেম্বেলের গোলখরা ভাঙা এবং পুরো দলের নিখুঁত পারফরম্যান্সে মরক্কোকে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপের প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল ফ্রান্স।

খেললও ফ্রান্স, জিতলও ফ্রান্স। আর শিরোপার স্বপ্নটাকেও আরও উজ্জ্বল করে তুলল।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খেললও ফ্রান্স, জিতলও ফ্রান্স

আপডেট সময় ০৪:১০:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

পেনাল্টি মিসের হতাশা অনেক ফুটবলারের কাঁধ ভারী করে দেয়, কিন্তু কিলিয়ান এমবাপ্পে যেন অন্য ধাতুতে গড়া। সুযোগ নষ্টের আক্ষেপকে বেশিক্ষণ সঙ্গী হতে দেননি তিনি। মুহূর্তেই নিজের জাদুকরী পায়ের ছোঁয়ায় লিখলেন নতুন গল্প।

চোখধাঁধানো এক গোল, যা শুধু ফ্রান্সকে এগিয়েই নেয়নি, গ্যালারিজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছে উন্মাদনা। অন্য প্রান্তে ছিলেন উসমান দেম্বেলে। বোস্টনের সেই চেনা মাঠে ফিরে আবারও গোলের দেখা পেলেন ফরাসি উইঙ্গার, যে মাঠেই নরওয়ের বিপক্ষে করেছিলেন স্মরণীয় হ্যাটট্রিক। যা এবারের বিশ্বকাপে ফ্রান্সের একমাত্র হ্যাটট্রিক।

দুই তারকার এই ঝলকানিতে মাত্র ছয় মিনিটের ব্যবধানে দুইবার কেঁপে ওঠে মরক্কোর জাল। মুহূর্তের মধ্যেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় ফরাসিদের হাতে। মরক্কো এই ম্যাচে স্রেফ দর্শক হয়েই থাকল। খুঁজেই পাওয়া গেল না তাদেরকে।

ফ্রান্সের গতি, ছন্দ আর আক্রমণের ধার সামাল দেওয়ার মতো কোনো উত্তর তাদের কাছে ছিল না। একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষকে চাপে রেখে শেষ পর্যন্ত দাপুটে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা।

এ যেন শুধু একটি জয় নয়, বরং শিরোপার পথে আরেকটি শক্ত বার্তা। এমবাপ্পের দুরন্ত প্রত্যাবর্তন, দেম্বেলের গোলখরা ভাঙা এবং পুরো দলের নিখুঁত পারফরম্যান্সে মরক্কোকে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপের প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল ফ্রান্স।

খেললও ফ্রান্স, জিতলও ফ্রান্স। আর শিরোপার স্বপ্নটাকেও আরও উজ্জ্বল করে তুলল।