পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জী আবারও কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি)-র বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তুলেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের পরিকল্পিতভাবে টার্গেট করা হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেছেন, “তৃণমূলকে শেষ করতে হলে, কিংবা আমাকে চুপ করাতে হলে, আপনাদের আমাকে প্রাণে মেরে ফেলতে হবে।”
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় মমতা অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে দুর্বল করতে বিজেপি কোনো চেষ্টাই বাকি রাখেনি। তার দাবি, দলের একাধিক শীর্ষ নেতা ধারাবাহিকভাবে হামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন।
মমতার ভাষ্য, তৃণমূলের সাংসদ মহুয়া মৈত্র, অভিষেক ব্যানার্জী ও কল্যাণ ব্যানার্জীসহ অনেক নেতার ওপর হামলা হয়েছে। এমনকি তার নিজের বাড়িও হামলার শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
রাজনৈতিক এই অভিযোগ এমন এক সময়ে এলো, যখন বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষণে তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রতিষ্ঠার পর অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে বলে আলোচনা চলছে।
রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষা খাতের একটি সিদ্ধান্ত নিয়েও সরব হন মমতা ব্যানার্জী। পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি সরকারি বিদ্যালয়ে পরীক্ষামূলকভাবে মধ্যাহ্নভোজে ডিমের পরিবর্তে নিরামিষ বিকল্প চালুর সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার জনগণের মৌলিক চাহিদার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নিয়েই বেশি ব্যস্ত।
তিনি দাবি করেন, স্কুলশিক্ষার্থীদের পুষ্টির বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তাদের দল দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলেও প্রশাসন বা পুলিশকে কখনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়নি।
তবে মমতা ব্যানার্জীর এসব অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ডেস্ক রিপোর্ট 




















