ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর খাওয়ার পানির ট্যাংকে বিষ দিয়েছে সন্ত্রাসীরা: পুলিশ বিচার ও সংস্কারে কোনো আপস করবে না এনসিপি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া সরকারের সামনে বিকল্প পথ নেই: মামুনুল হক ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গ্রিন সিগনালে কক্সবাজার-গাজীপুরে ছাত্রলীগের মিছিল’: ফেসবুক পোস্টে সারজিস আলম ইসি সচিবালয়ে ‘দলীয় ব্যক্তিকে’ নিয়োগ দেওয়া নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য হুমকি: জামায়াত এটা কেবলই শুরু, এখনও অনেক দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া বাকি: ককরোচ পার্টির প্রধান আর্জেন্টিনাকে লেখা ফিফা সভাপতির চিঠি ফাঁস, আবারও সমালোচনার ঝড় এবার নরেন্দ্র মোদির নির্দেশে পরীক্ষা সংস্কার বিষয়ক টাস্কফোর্স গঠন উখিয়ায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী সমাবেশ, রামুতে শোডাউন যুদ্ধের মধ্যেও সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে ইরান, যুক্ত হলো নতুন প্রযুক্তি

ইসি সচিবালয়ে ‘দলীয় ব্যক্তিকে’ নিয়োগ দেওয়া নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য হুমকি: জামায়াত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ‘চিহ্নিত দলীয় ব্যক্তিকে’ নিয়োগ দেওয়া নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য চরম হুমকি বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

 

রোববার (২৬ জুলাই) এক বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে এক বছরের চুক্তিতে মো. সামসুল আলমের নিয়োগের সমালোচনা করেন।

 

 

 

বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের মূল ভিত্তি গড়ে ওঠে নিরপেক্ষতা ও জনগণের আস্থার ওপর। তবে অতি সম্প্রতি এই গুরুত্বপূর্ণ সচিবালয়ে মো. সামসুল আলমকে এক বছরের চুক্তিতে অতিরিক্ত সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি অতীতে প্রকাশ্যে বিএনপির বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন। এমনকি তিনি অবসর গ্রহণের পরও দলটির একটি নির্দিষ্ট কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসীন ছিলেন। এমন চিহ্নিত দলীয় মনোভাবের রাজনৈতিক নির্বাচন কমিশনের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব দেওয়া অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রতি চরম প্রতারণা।

 

তিনি বলেন, সরকারি বা পেশাগত জীবনে কেউ বঞ্চনার শিকার হয়ে থাকলে নিয়ম অনুযায়ী পদোন্নতি বা সুযোগ-সুবিধা পেতে পারেন। কিন্তু অবসরের পর প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া ৬৭ বছর বয়সী একজন ব্যক্তিকে পুনরায় এমন সংবেদনশীল সংস্থায় ফিরিয়ে আনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বিশেষ করে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনায় অতিরিক্ত সচিবের প্রত্যক্ষ ভূমিকা থাকে। যিনি এতদিন বিএনপির অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নে সোচ্চার ছিলেন। তার দাবি, বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত একজন ব্যক্তির অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।

 

 

তিনি আরও বলেন, আরও আশ্চর্যজনক ও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, একটি নিরপেক্ষ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে দলীয় ব্যক্তিত্বের এই বিতর্কিত নিয়োগকে বিএনপির অফিসিয়াল মিডিয়া সেল থেকে রীতিমতো উৎসব মুখর পরিবেশে প্রচার ও উদযাপন করা হচ্ছে। এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, নির্বাচন কমিশনকে পুনরায় বিএনপির আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের চক্রান্ত চলছে।

 

অবিলম্বে এই বিতর্কিত ও পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ বাতিল করার জন্য আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে, ভবিষ্যতে নির্বাচন কমিশনসহ সব সাংবিধানিক সংস্থায় সর্বজনগ্রাহ্য ও সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর খাওয়ার পানির ট্যাংকে বিষ দিয়েছে সন্ত্রাসীরা: পুলিশ

ইসি সচিবালয়ে ‘দলীয় ব্যক্তিকে’ নিয়োগ দেওয়া নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য হুমকি: জামায়াত

আপডেট সময় ১১:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ‘চিহ্নিত দলীয় ব্যক্তিকে’ নিয়োগ দেওয়া নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য চরম হুমকি বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

 

রোববার (২৬ জুলাই) এক বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে এক বছরের চুক্তিতে মো. সামসুল আলমের নিয়োগের সমালোচনা করেন।

 

 

 

বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের মূল ভিত্তি গড়ে ওঠে নিরপেক্ষতা ও জনগণের আস্থার ওপর। তবে অতি সম্প্রতি এই গুরুত্বপূর্ণ সচিবালয়ে মো. সামসুল আলমকে এক বছরের চুক্তিতে অতিরিক্ত সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি অতীতে প্রকাশ্যে বিএনপির বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন। এমনকি তিনি অবসর গ্রহণের পরও দলটির একটি নির্দিষ্ট কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসীন ছিলেন। এমন চিহ্নিত দলীয় মনোভাবের রাজনৈতিক নির্বাচন কমিশনের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব দেওয়া অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রতি চরম প্রতারণা।

 

তিনি বলেন, সরকারি বা পেশাগত জীবনে কেউ বঞ্চনার শিকার হয়ে থাকলে নিয়ম অনুযায়ী পদোন্নতি বা সুযোগ-সুবিধা পেতে পারেন। কিন্তু অবসরের পর প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া ৬৭ বছর বয়সী একজন ব্যক্তিকে পুনরায় এমন সংবেদনশীল সংস্থায় ফিরিয়ে আনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বিশেষ করে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনায় অতিরিক্ত সচিবের প্রত্যক্ষ ভূমিকা থাকে। যিনি এতদিন বিএনপির অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নে সোচ্চার ছিলেন। তার দাবি, বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত একজন ব্যক্তির অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।

 

 

তিনি আরও বলেন, আরও আশ্চর্যজনক ও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, একটি নিরপেক্ষ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে দলীয় ব্যক্তিত্বের এই বিতর্কিত নিয়োগকে বিএনপির অফিসিয়াল মিডিয়া সেল থেকে রীতিমতো উৎসব মুখর পরিবেশে প্রচার ও উদযাপন করা হচ্ছে। এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, নির্বাচন কমিশনকে পুনরায় বিএনপির আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের চক্রান্ত চলছে।

 

অবিলম্বে এই বিতর্কিত ও পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ বাতিল করার জন্য আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে, ভবিষ্যতে নির্বাচন কমিশনসহ সব সাংবিধানিক সংস্থায় সর্বজনগ্রাহ্য ও সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের নিয়োগ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।