ঢাকা , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

ইনফান্তিনোকে সরানোর কথা ভাবাও হবে মারাত্মক ভুল: ফিফাকে ট্রাম্পের হুমকি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২০:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

এবার জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বিশ্বকাপসহ ফিফার সব টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক স্বত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করার বিতর্কিত পরিকল্পনা নেওয়ার পর তোপের মুখে পড়েছেন। ১৫ বিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্প শেষ পর্যন্ত উয়েফা, কনকাকাফ ও এএফসির তীব্র বিরোধিতার মুখে ভেস্তে গেছে। ফিফা প্রধান এই প্রস্তাবনা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন। তারপরও তার পদত্যাগের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে উয়েফা, এএফসি ও কনকাকাফের মতো সংগঠনগুলো।

যদিও আফ্রিকার ফুটবল ফেডারেশন ও আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের মতো সংগঠনগুলোকে পাশে পাচ্ছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট। কিন্তু একের পর এক নতুন নতুন অভিযোগ আসা থামছে না। মনোবলে নিশ্চয় আঘাত লাগছে। এমন সময়ে তার পাশে দাঁড়ালেনঘনিষ্ঠ সহচরডোনাল্ড ট্রাম্প। তোপের মুখে থাকা ফিফা প্রধানকে সমর্থন জানালেন তিনি। এমনকি হুমকি পর্যন্ত দিয়ে রাখলেন ফিফাকে। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার উদ্দেশ্যে এক বার্তায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বললেন, ইনফান্তিনোকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিলে মারাত্মক ভুল করবে ফিফা। নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এমন বার্তা দেন ট্রাম্প। 

বিশ্বের পরাশক্তি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান লিখেছেন, ‘ফিফা যদি কোনো কারণে প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে সরানোর কথাও ভাবে, তবে তারা একটি মারাত্মক ভুল করবে। তিনি অসাধারণ, যিনি সদ্যই সর্বকালের সবচেয়ে সফল বিশ্বকাপের সভাপতিত্ব করেছেন। তিনি চলে গেলে, এটি আর কখনও এতটা সফল বা লাভজনক হবে না! এই বিষয়ে আপনাদের মনোযোগের জন্য ধন্যবাদ। প্রেসিডেন্ট ডিজেটি।

ট্রাম্প ও ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠতা গত কয়েক বছর ধরে আলোচিত হয়েছে। বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দেওয়া হয় বিশেষফিফা শান্তি পুরস্কার এছাড়া বিশ্বকাপ চলাকালে ট্রাম্পের ফোনকলে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার বালোগানের লাল কার্ডও স্থগিত করেন ইনফান্তিনো। সবশেষ তার জামাতার ভাইয়ের কোম্পানির কাছে বিশ্বকাপসহ ফিফার সব টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনায় প্রচণ্ড তোপের মুখে পড়েন এই সুইস প্রশাসক। এখন দেখার অপেক্ষা ট্রাম্পের হুমকিতে কোনো দেশ বা সংগঠন কী প্রতিক্রিয়া জানায়। 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গভীর রাতে পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক নারীসহ আটক

ইনফান্তিনোকে সরানোর কথা ভাবাও হবে মারাত্মক ভুল: ফিফাকে ট্রাম্পের হুমকি

আপডেট সময় ১০:২০:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

এবার জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বিশ্বকাপসহ ফিফার সব টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক স্বত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করার বিতর্কিত পরিকল্পনা নেওয়ার পর তোপের মুখে পড়েছেন। ১৫ বিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্প শেষ পর্যন্ত উয়েফা, কনকাকাফ ও এএফসির তীব্র বিরোধিতার মুখে ভেস্তে গেছে। ফিফা প্রধান এই প্রস্তাবনা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন। তারপরও তার পদত্যাগের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে উয়েফা, এএফসি ও কনকাকাফের মতো সংগঠনগুলো।

যদিও আফ্রিকার ফুটবল ফেডারেশন ও আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের মতো সংগঠনগুলোকে পাশে পাচ্ছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট। কিন্তু একের পর এক নতুন নতুন অভিযোগ আসা থামছে না। মনোবলে নিশ্চয় আঘাত লাগছে। এমন সময়ে তার পাশে দাঁড়ালেনঘনিষ্ঠ সহচরডোনাল্ড ট্রাম্প। তোপের মুখে থাকা ফিফা প্রধানকে সমর্থন জানালেন তিনি। এমনকি হুমকি পর্যন্ত দিয়ে রাখলেন ফিফাকে। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থার উদ্দেশ্যে এক বার্তায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বললেন, ইনফান্তিনোকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিলে মারাত্মক ভুল করবে ফিফা। নিজের ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে এমন বার্তা দেন ট্রাম্প। 

বিশ্বের পরাশক্তি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান লিখেছেন, ‘ফিফা যদি কোনো কারণে প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে সরানোর কথাও ভাবে, তবে তারা একটি মারাত্মক ভুল করবে। তিনি অসাধারণ, যিনি সদ্যই সর্বকালের সবচেয়ে সফল বিশ্বকাপের সভাপতিত্ব করেছেন। তিনি চলে গেলে, এটি আর কখনও এতটা সফল বা লাভজনক হবে না! এই বিষয়ে আপনাদের মনোযোগের জন্য ধন্যবাদ। প্রেসিডেন্ট ডিজেটি।

ট্রাম্প ও ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠতা গত কয়েক বছর ধরে আলোচিত হয়েছে। বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দেওয়া হয় বিশেষফিফা শান্তি পুরস্কার এছাড়া বিশ্বকাপ চলাকালে ট্রাম্পের ফোনকলে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার বালোগানের লাল কার্ডও স্থগিত করেন ইনফান্তিনো। সবশেষ তার জামাতার ভাইয়ের কোম্পানির কাছে বিশ্বকাপসহ ফিফার সব টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনায় প্রচণ্ড তোপের মুখে পড়েন এই সুইস প্রশাসক। এখন দেখার অপেক্ষা ট্রাম্পের হুমকিতে কোনো দেশ বা সংগঠন কী প্রতিক্রিয়া জানায়।