গ্যাস আমদানি করতে না পারার কারণেই দেশে চলমান গ্যাস সংকট তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
জাহেদ উর রহমান বলেন, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। ফলে প্রয়োজনীয় গ্যাস আমদানি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ব্যবস্থাপনায় কোনো সমস্যা হয়নি, তা বলা যাবে না; তবে সংকটের মূল কারণ গ্যাস আমদানি করতে না পারা।
শিল্পকারখানা সচল রাখতে মালিকদের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল ১২ মাসে পরিশোধের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে গ্যাসের ওপর চাপ কমাতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে আনার বিষয়েও কাজ চলছে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আনা হবে, নাকি এলএনজিতে রূপান্তর করা হবে—তা নিয়ে সমীক্ষা চলছে। দ্রুতই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে গ্যাস পরিস্থিতি পুরোপুরি সহনীয় পর্যায়ে আনতে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে।
এদিকে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মামলা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি স্বল্পমূল্যে চাল বিক্রির কার্যক্রমও চলছে।
নারীদের জন্য পিংক বাস চালু করাকে সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন জাহেদ উর রহমান।
ব্যাটারিচালিত রিকশার বিষয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এসব যানবাহনকে নীতিমালার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে। যান চলাচলে শৃঙ্খলা আনতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, চলতি অর্থবছরে এ কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা। ধীরে ধীরে দেশের আরও বেশি পরিবারকে এর আওতায় আনা হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















