ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিউজিকের সঙ্গে গান না গাওয়ার ঘোষণা জামায়াত নেতার ছেলের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:০৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

মিউজিকের সঙ্গে আর গান পরিবেশন করবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের ছেলে আহমাদ আতাউল্লাহ সালমান।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

ইসলামী ধারার সাংস্কৃতিক দল ‘কাসিদা’র প্রধান কণ্ঠশিল্পী হিসেবে পরিচিত সালমান। গান, গজল, নাশিদ ও কাওয়ালি পরিবেশনের মাধ্যমে ইসলামী সাংস্কৃতিক অঙ্গনে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে সালমান জানান, ২০২৪ সালের পরের বিশেষ পরিস্থিতিতে কয়েকজনের পরামর্শে সাধারণ মানুষের কাছে কাওয়ালির মাধ্যমে নতুন ধরনের সাংস্কৃতিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ‘কাসিদা’র সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। এরপর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেছেন।

তবে এসব পরিবেশনায় মিউজিক ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে অনেকে আপত্তি জানিয়েছেন বলে জানান সালমান। তাকে স্নেহ করেন ও তার কল্যাণ কামনা করেন—এমন অনেকেই বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করে মিউজিকের সঙ্গে গান পরিবেশন থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতেই মিউজিকের সঙ্গে আর গান না গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তিনি। সালমানের ভাষ্য, এটি তার একান্ত পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের পেছনে তার উদ্দেশ্য সঠিক ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নিজের কোনো কথা বা কাজের কারণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন সালমান। পাশাপাশি তার প্রতি দোয়া ও শুভকামনার জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

‘কাসিদা’র প্রধান কণ্ঠশিল্পী হিসেবে সালমানের পরিবেশিত বিভিন্ন গান, গজল, নাশিদ ও কাওয়ালি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এর মাধ্যমে ইসলামী সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আলাদা পরিচিতি তৈরি হয় তার।

সালমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। পারিবারিক পরিচয়ের পাশাপাশি সংগীতচর্চা ও পরিবেশনার মাধ্যমেও পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।

তবে তার সংগীতচর্চা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। এবার মিউজিকের সঙ্গে গান না গাওয়ার ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ তার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন, আবার কেউ জানিয়েছেন ভিন্নমত।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মিউজিকের সঙ্গে গান না গাওয়ার ঘোষণা জামায়াত নেতার ছেলের

আপডেট সময় ০৫:০৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

মিউজিকের সঙ্গে আর গান পরিবেশন করবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের ছেলে আহমাদ আতাউল্লাহ সালমান।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

ইসলামী ধারার সাংস্কৃতিক দল ‘কাসিদা’র প্রধান কণ্ঠশিল্পী হিসেবে পরিচিত সালমান। গান, গজল, নাশিদ ও কাওয়ালি পরিবেশনের মাধ্যমে ইসলামী সাংস্কৃতিক অঙ্গনে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে সালমান জানান, ২০২৪ সালের পরের বিশেষ পরিস্থিতিতে কয়েকজনের পরামর্শে সাধারণ মানুষের কাছে কাওয়ালির মাধ্যমে নতুন ধরনের সাংস্কৃতিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ‘কাসিদা’র সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। এরপর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেছেন।

তবে এসব পরিবেশনায় মিউজিক ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে অনেকে আপত্তি জানিয়েছেন বলে জানান সালমান। তাকে স্নেহ করেন ও তার কল্যাণ কামনা করেন—এমন অনেকেই বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করে মিউজিকের সঙ্গে গান পরিবেশন থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতেই মিউজিকের সঙ্গে আর গান না গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তিনি। সালমানের ভাষ্য, এটি তার একান্ত পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের পেছনে তার উদ্দেশ্য সঠিক ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নিজের কোনো কথা বা কাজের কারণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন সালমান। পাশাপাশি তার প্রতি দোয়া ও শুভকামনার জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

‘কাসিদা’র প্রধান কণ্ঠশিল্পী হিসেবে সালমানের পরিবেশিত বিভিন্ন গান, গজল, নাশিদ ও কাওয়ালি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এর মাধ্যমে ইসলামী সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আলাদা পরিচিতি তৈরি হয় তার।

সালমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। পারিবারিক পরিচয়ের পাশাপাশি সংগীতচর্চা ও পরিবেশনার মাধ্যমেও পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।

তবে তার সংগীতচর্চা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। এবার মিউজিকের সঙ্গে গান না গাওয়ার ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ তার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন, আবার কেউ জানিয়েছেন ভিন্নমত।