ঢাকা , রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, হুইপদের জেলাভিত্তিক দায়িত্বের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ করে রিট নতুন কমিটি নিয়ে নোয়াখালীতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১৫ ভয়াবহ বন্যার স্রোত ধেয়ে আসতেই ঘণ্টা বাজালেন প্রধান শিক্ষক, বাঁচল ১৬৪৩ প্রাণ লন্ডনে মদের বার কিনে মসজিদে রূপান্তর করলেন বাংলাদেশি রাসেল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়, দাফন দিল্লিতে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হানাদার বাহিনীর মতই আচরণ করেছে শেখ হাসিনা সরকার: ইশরাক মানবাধিকার কমিশন বিল পাসের কোনও প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত থাকবে না বিরোধী দল আর কোনো মাকে সন্তানের জন্য, স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না: রাষ্ট্রপতি ‘দাদাগিরি’ ছেড়ে আজ থেকে ‘বিগ বস বাংলা’য় সৌরভ গাঙ্গুলী নৌকা খুঁজতে গেলে রুমিনের ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি সারোয়ার তুষারের

হাসনাতের বক্তব্যে ইসলামি বক্তা মাদানীর ক্ষোভ, দিলেন কড়া বার্তা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৩২:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান বন্ধের ঘটনা নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন গাজীপুর ইমাম পরিষদের সভাপতি ও ইসলামি বক্তা মাওলানা আবদুর রহিম আল মাদানী। এনসিপির মুখ্য নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, আহত শিক্ষার্থীদের পাশে না দাঁড়িয়ে সংসদে গান বন্ধের বিষয়টি তোলা তাওহিদী জনতার হৃদয়ে আঘাত করেছে। এ ঘটনায় তার জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করা উচিত।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক খোলা বার্তায় এসব কথা বলেন মাওলানা মাদানী।

তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হাসনাত আবদুল্লাহর ভূমিকা ও সাহসিকতা দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করেছিল। ওই সময় আলেম-উলামা ও তাওহিদী জনতারও তার প্রতি সমর্থন ছিল। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার রাজনৈতিক অবস্থান ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য হতাশাজনক।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মাদানী বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী দারুল আরকাম মাদ্রাসার সামনে উচ্চ শব্দে ডিজে গান বাজানোর কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও পরীক্ষা ব্যাহত হচ্ছিল। এর প্রতিবাদ করায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে এবং অনেকে আহত হন। পরে প্রশাসন গান বন্ধ করলেও সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ কেন গান বন্ধ করা হলো—সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন বলে দাবি করেন তিনি।

মাওলানা আবদুর রহিম আল মাদানী বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহর রাজনৈতিক আদর্শও জাতির সামনে স্পষ্ট করা উচিত। তিনি যদি সেকুলার নীতিকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেন, তাহলে সেটি স্পষ্টভাবে জানানো উচিত। আর ধর্মপ্রাণ মানুষকে পাশে চাইলে শরিয়াবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আহত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

উল্লেখ্য, মাওলানা আবদুর রহিম আল মাদানী কারওয়ান বাজারের ঐতিহ্যবাহী আম্বরশাহ শাহী জামে মসজিদ এবং গাজীপুরের বোর্ডবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের প্রধান খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, হুইপদের জেলাভিত্তিক দায়িত্বের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ করে রিট

হাসনাতের বক্তব্যে ইসলামি বক্তা মাদানীর ক্ষোভ, দিলেন কড়া বার্তা

আপডেট সময় ১২:৩২:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গান বন্ধের ঘটনা নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন গাজীপুর ইমাম পরিষদের সভাপতি ও ইসলামি বক্তা মাওলানা আবদুর রহিম আল মাদানী। এনসিপির মুখ্য নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, আহত শিক্ষার্থীদের পাশে না দাঁড়িয়ে সংসদে গান বন্ধের বিষয়টি তোলা তাওহিদী জনতার হৃদয়ে আঘাত করেছে। এ ঘটনায় তার জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করা উচিত।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক খোলা বার্তায় এসব কথা বলেন মাওলানা মাদানী।

তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হাসনাত আবদুল্লাহর ভূমিকা ও সাহসিকতা দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করেছিল। ওই সময় আলেম-উলামা ও তাওহিদী জনতারও তার প্রতি সমর্থন ছিল। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার রাজনৈতিক অবস্থান ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য হতাশাজনক।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মাদানী বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী দারুল আরকাম মাদ্রাসার সামনে উচ্চ শব্দে ডিজে গান বাজানোর কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও পরীক্ষা ব্যাহত হচ্ছিল। এর প্রতিবাদ করায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে এবং অনেকে আহত হন। পরে প্রশাসন গান বন্ধ করলেও সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ কেন গান বন্ধ করা হলো—সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন বলে দাবি করেন তিনি।

মাওলানা আবদুর রহিম আল মাদানী বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহর রাজনৈতিক আদর্শও জাতির সামনে স্পষ্ট করা উচিত। তিনি যদি সেকুলার নীতিকে আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করেন, তাহলে সেটি স্পষ্টভাবে জানানো উচিত। আর ধর্মপ্রাণ মানুষকে পাশে চাইলে শরিয়াবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আহত শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

উল্লেখ্য, মাওলানা আবদুর রহিম আল মাদানী কারওয়ান বাজারের ঐতিহ্যবাহী আম্বরশাহ শাহী জামে মসজিদ এবং গাজীপুরের বোর্ডবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের প্রধান খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।