ঢাকা , শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
স্বপ্নের নেতা তারেক রহমানের বাংলাদেশ গড়ব আমরা: মির্জা ফখরুল ‘আর্জেন্টিনার খেলা দেখে টেনশন হচ্ছিল’ বলার পর নিজেকে নিরপেক্ষ দাবি ফিফা সভাপতির আমাকে থামাতে চাইলে মেরে ফেলতে হবে: মমতা যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একটি পরীক্ষিত বন্ধু : বিরোধীদলীয় নেতা ইমাম ও মসজিদ কমিটির পদ নিয়ে দ্বন্দ্ব, সংঘর্ষে আহত ১৭ গুলিস্তানে জামায়াতের মিছিলে হামলার অভিযোগ বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলে কোস্টগার্ড টহল জোরদার চীনের শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান, আটক ৮২ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা চুক্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে ইসরায়েল: এরদোয়ান হরমুজ প্রণালি ইরানের জন্য পারমাণবিক অস্ত্রের সমান: মেদভেদেভ

তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলে কোস্টগার্ড টহল জোরদার চীনের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪৪:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলসংলগ্ন জলসীমায় কোস্টগার্ডের নতুন টহল কার্যক্রম শুরু করেছে চীন। বেইজিংয়ের এ পদক্ষেপের পর পরিস্থিতি মোকাবিলায় নজরদারি জাহাজ মোতায়েন করেছে তাইওয়ান। একই সঙ্গে নিজেদের জলসীমায় প্রবেশ করা চীনা জাহাজকে প্রয়োজন হলে জোরপূর্বক সরিয়ে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে তাইপে।

 

শনিবার এক বিবৃতিতে চীনের কোস্টগার্ড জানায়, পূর্ব উপকূলের জলসীমায় নতুন একটি কোস্টগার্ড বহর ‘আইন প্রয়োগমূলক টহল’ পরিচালনা করবে। সংস্থাটি দাবি করেছে, এটি চীনের ‘আধিক্ষেত্রভুক্ত জলসীমা’ এবং সেখানে ভবিষ্যতেও নিয়মিত টহল আরও জোরদার করা হবে।

 

চীনের এই ঘোষণার পর তাইওয়ানের কোস্টগার্ড জানায়, তারা ইতোমধ্যে নজরদারি জাহাজ মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি তাইওয়ানের জলসীমায় চীনা জাহাজ ‘হয়রানি বা অনুপ্রবেশের’ চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

 

প্রায় এক মাসের ব্যবধানে এটি দ্বিতীয়বারের মতো তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলের জলসীমায় কোস্টগার্ড জাহাজ পাঠাল চীন। বেইজিং তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করলেও দ্বীপটি গণতান্ত্রিকভাবে স্বশাসিত এবং নিজেদের স্বাধীন প্রশাসন পরিচালনা করে আসছে।

চীনের সাম্প্রতিক এ পদক্ষেপ তাইওয়ান প্রণালি ও আশপাশের জলসীমায় নতুন করে উত্তেজনা বাড়ানোর আশঙ্কা তৈরি করেছে। বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলোও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

 

চীনের দাবি, গত জুনে একই ধরনের টহল কার্যক্রম শুরু করা হয়েছিল জাপান ও ফিলিপাইনের সমুদ্রসীমা নির্ধারণসংক্রান্ত আলোচনার ঘোষণার জবাবে। বেইজিংয়ের অভিযোগ, ওই আলোচনা এমন জলসীমাকে অন্তর্ভুক্ত করছে, যেগুলোকে চীন নিজেদের অধিকারের আওতাভুক্ত বলে দাবি করে।

 

অন্যদিকে তাইওয়ান বুধবারই তাদের জাহাজগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে, চীনের কোস্টগার্ডের কোনো তল্লাশি বা জাহাজে ওঠার নির্দেশ মানা যাবে না। প্রয়োজনে তাইওয়ানের কোস্টগার্ড হস্তক্ষেপ করে এমন তৎপরতা ঠেকাবে বলেও জানানো হয়েছে।

 

প্রসঙ্গত, চীন তাইওয়ানের সার্বভৌমত্ব স্বীকার করে না এবং দ্বীপটি ও এর আশপাশের জলসীমাকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে। তবে তাইওয়ানের অবস্থান, বেইজিংয়ের এ ধরনের সার্বভৌমত্ব বা বিচারিক কর্তৃত্বের দাবি আন্তর্জাতিক আইন ও বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বপ্নের নেতা তারেক রহমানের বাংলাদেশ গড়ব আমরা: মির্জা ফখরুল

তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলে কোস্টগার্ড টহল জোরদার চীনের

আপডেট সময় ০৯:৪৪:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলসংলগ্ন জলসীমায় কোস্টগার্ডের নতুন টহল কার্যক্রম শুরু করেছে চীন। বেইজিংয়ের এ পদক্ষেপের পর পরিস্থিতি মোকাবিলায় নজরদারি জাহাজ মোতায়েন করেছে তাইওয়ান। একই সঙ্গে নিজেদের জলসীমায় প্রবেশ করা চীনা জাহাজকে প্রয়োজন হলে জোরপূর্বক সরিয়ে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে তাইপে।

 

শনিবার এক বিবৃতিতে চীনের কোস্টগার্ড জানায়, পূর্ব উপকূলের জলসীমায় নতুন একটি কোস্টগার্ড বহর ‘আইন প্রয়োগমূলক টহল’ পরিচালনা করবে। সংস্থাটি দাবি করেছে, এটি চীনের ‘আধিক্ষেত্রভুক্ত জলসীমা’ এবং সেখানে ভবিষ্যতেও নিয়মিত টহল আরও জোরদার করা হবে।

 

চীনের এই ঘোষণার পর তাইওয়ানের কোস্টগার্ড জানায়, তারা ইতোমধ্যে নজরদারি জাহাজ মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি তাইওয়ানের জলসীমায় চীনা জাহাজ ‘হয়রানি বা অনুপ্রবেশের’ চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

 

প্রায় এক মাসের ব্যবধানে এটি দ্বিতীয়বারের মতো তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলের জলসীমায় কোস্টগার্ড জাহাজ পাঠাল চীন। বেইজিং তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করলেও দ্বীপটি গণতান্ত্রিকভাবে স্বশাসিত এবং নিজেদের স্বাধীন প্রশাসন পরিচালনা করে আসছে।

চীনের সাম্প্রতিক এ পদক্ষেপ তাইওয়ান প্রণালি ও আশপাশের জলসীমায় নতুন করে উত্তেজনা বাড়ানোর আশঙ্কা তৈরি করেছে। বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলোও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

 

চীনের দাবি, গত জুনে একই ধরনের টহল কার্যক্রম শুরু করা হয়েছিল জাপান ও ফিলিপাইনের সমুদ্রসীমা নির্ধারণসংক্রান্ত আলোচনার ঘোষণার জবাবে। বেইজিংয়ের অভিযোগ, ওই আলোচনা এমন জলসীমাকে অন্তর্ভুক্ত করছে, যেগুলোকে চীন নিজেদের অধিকারের আওতাভুক্ত বলে দাবি করে।

 

অন্যদিকে তাইওয়ান বুধবারই তাদের জাহাজগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে, চীনের কোস্টগার্ডের কোনো তল্লাশি বা জাহাজে ওঠার নির্দেশ মানা যাবে না। প্রয়োজনে তাইওয়ানের কোস্টগার্ড হস্তক্ষেপ করে এমন তৎপরতা ঠেকাবে বলেও জানানো হয়েছে।

 

প্রসঙ্গত, চীন তাইওয়ানের সার্বভৌমত্ব স্বীকার করে না এবং দ্বীপটি ও এর আশপাশের জলসীমাকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে। তবে তাইওয়ানের অবস্থান, বেইজিংয়ের এ ধরনের সার্বভৌমত্ব বা বিচারিক কর্তৃত্বের দাবি আন্তর্জাতিক আইন ও বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।