মানুষ বারবার জানতে চাচ্ছে, “আপনারা এখন ঠিক কোথায়?” “আর কত সময় লাগবে?” প্রথম প্রশ্নের উত্তরে বলতে হয়—আমাদের যাত্রাপথ অনুসরণ করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো ট্র্যাকারটি ব্যবহার করা। ফরেনসিক আর্কিটেকচার, যাদের সঙ্গে আমরা আবু সাঈদের হত্যাকাণ্ড নিয়ে অনুসন্ধানী চলচ্চিত্রটি তৈরি করেছি, তারা আমাদের জাহাজ Conscience এবং Thousand Madleen বহরের গতিপথ এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনুসরণ করছেন: https://globalsumudflotilla.org/tracker/
দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) আমাদের এই উদ্যোগের প্রতি কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায় তার ওপর। অতীতের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, আমাদেরকে গাজার পথে যেতে দেওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। বাস্তবে, আমাদের গ্রেপ্তার করে হয় বহিষ্কার করা হবে, না হয় কারাগারে পাঠানো হবে—এটাই সবচেয়ে সম্ভাব্য পরিস্থিতি। কখন এবং কোথায় এটি ঘটবে, তা আগে থেকে নির্ধারণ করা একেবারেই অসম্ভব। বিষয়টি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
এখানেই আমরা আপনাদের সহায়তা চাইছি। যদি আপনারা মাঠপর্যায়ে এমন কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেন, যা আমাদের গাজায় পৌঁছাতে সহায়তা করার জন্য চাপ সৃষ্টি করবে, তবে সেটিই হবে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল। কিন্তু সেটা সম্ভব হবে কেবল তখনই, যখন ইসরায়েলের ওপর যথেষ্ট জনমত ও আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি হবে। তাই এখনই সময়—অংশ নিন, সংগঠিত হোন, প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। পদক্ষেপ নিন। এটি অধিকার ও ন্যায়ের জন্য একটি আন্দোলন, আর আমাদের এটি একসঙ্গে করতে হবে।
আজ সকালে নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছ থেকে একটি বার্তা পেয়ে আমি আনন্দিত হয়েছি। আমার দেশবাসী, বন্ধু এবং বিশ্বের নানা প্রান্তের শুভাকাঙ্ক্ষীদের সংহতি ও সমর্থনের বার্তা পাওয়া সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। উল্লেখ্য, উপরের লেখাটি আজ রোববার বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টার পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জানিয়েছেন দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল আলম।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























