দীর্ঘ ৭২ বছরের অপেক্ষার পর আবারও বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ড। আর এবার তাদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ—বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। তবে প্রতিপক্ষের নাম যত বড়ই হোক, আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি নেই সুইস শিবিরে।
কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে শেষ আট নিশ্চিত করেছে সুইজারল্যান্ড। নির্ধারিত ১২০ মিনিটে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। এবার সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে রোববার কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ড।
ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিন বলেন, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে খেলাটা তাদের জন্য বিশেষ সুযোগ। তার বিশ্বাস, আর্জেন্টিনা শক্তিশালী দল হলেও অপরাজেয় নয়। দক্ষিণ আমেরিকান দলগুলোর খেলার ধরন সম্পর্কে তাদের পরিষ্কার ধারণা রয়েছে এবং জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে সুইজারল্যান্ড।
তবে অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার রিকার্ডো রদ্রিগেজ কিছুটা সতর্ক। তার মতে, আর্জেন্টিনা বিশ্বের অন্যতম সেরা দল এবং লিওনেল মেসির মতো ফুটবলারের উপস্থিতি তাদের আরও ভয়ংকর করে তুলেছে। তাই প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
এদিকে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে ইনজুরি বড় দুশ্চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে সুইজারল্যান্ডের জন্য। এই বিশ্বকাপে তিন গোল করা ইয়োহান মানজাম্বি হাঁটুর চোটে এখনো অনিশ্চিত। কোচ ইয়াকিন জানিয়েছেন, তার চোটের ধরন এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। সুস্থ হলে তাকে খেলানো হবে, তবে কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চান না তারা।
এ ছাড়া মিশেল এবিশার ও লুকা ইয়াকেজও চোটের কারণে মাঠের বাইরে রয়েছেন। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে একাধিক খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি সুইসদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১৯৫৪ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে সুইজারল্যান্ড। এবার তাদের লক্ষ্য, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে আরও একটি ইতিহাস গড়া।

ডেস্ক রিপোর্ট 



















