ঢাকা , শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জুলাই আন্দোলনে ১,৪০০ জনের মৃত্যুর তথ্য প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ‘শেখ হাসিনার চিঠি’ স্মার্টফোনের মতো চার্জ লাগবে ২০২৬ বিশ্বকাপ বলে ! ইরান চুক্তির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে জরুরি বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প ব্রেক ফেল করা বাস যাত্রীদের বাঁচাতে গিয়ে হেল্পার নিহত মিরপুর চিড়িয়াখানার নাম বদলে ‘হোয়াইট হাউস’ রাখার দাবি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্পের মসজিদের টাকায় কুরবানির ছুরি কেনার জেরে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৬ সন্তানকে নদীতে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা, নিখোঁজ শিশু নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১০০ দিনে ২৪৯ খুন

আমাকে ‘জামায়াতের ছাত্রী সংস্থার প্রোডাক্ট’ বলা হয়েছিল: তাসনিম জারা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার পর কটাক্ষের মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা। শুক্রবার (৮ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, অতীতেও তাকে রাজনৈতিকভাবে ট্যাগ দিয়ে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছিল।

তাসনিম জারা লেখেন, ২০১৩ সালের শাহবাগ আন্দোলনের সময়একটা একটা শিবির ধর, ধরে ধরে জবাই করস্লোগানের বিরোধিতা করায় তাকেজামায়াতের ছাত্রী সংস্থার প্রোডাক্টবলা হয়েছিল। সে সময় তাকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয় বলেও দাবি করেন তিনি। তিনি অভিযোগ করেন, এখন রাজনৈতিক মতের অমিল হলেই কাউকেশাহবাগী’, ‘বাম’, ‘ইসলামবিদ্বেষীবাবিদেশি এজেন্টহিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। তার দাবি, সামাজিক মাধ্যমে এমন প্রচারণা কেবল ব্যক্তিকে আক্রমণই করছে না, বরং রাজনৈতিক সহনশীলতার জায়গাটিকেও সংকুচিত করছে।

তাসনিম জারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইমি নামের এক ব্যক্তিকে নিয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করার পর থেকেই তাকে লক্ষ্য করে সমালোচনা ও অপপ্রচার বাড়তে থাকে। তিনি মনে করেন, আইনের যথাযথ প্রয়োগ হলে ওই ব্যক্তির দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার প্রয়োজন ছিল না। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ভিন্নমত প্রকাশ করলেই কেন একজনের মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের দাবিকে অস্বীকার করা হবে। পোস্টে তাসনিম জারা আরও বলেন, অভ্যুত্থানের পর এমন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছিল যেখানে মতপার্থক্য থাকলেও কাউকে শত্রু হিসেবে দেখা হবে না। কিন্তু বাস্তবে এখন আবারও রাজনৈতিক ট্যাগিং ও বিভাজনের সংস্কৃতি ফিরে এসেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি লেখেন, ‘মধ্যপন্থা মানে নীতিহীনতা না। মানুষকে তার পরিচয়ের বাক্সে আটকে না ফেলে, তার যুক্তি ও কাজ দিয়ে বিচার করতে হবে।স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি বলেন, ‘সভ্য সমাজে কাউকে জবাই করার ডাক দেওয়া যায় না, কাউকে বিনা বিচারে আটকে রাখা যায় না, আর দ্বিমতকে দেশদ্রোহ বলে চালিয়ে দেওয়া যায় না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই আন্দোলনে ১,৪০০ জনের মৃত্যুর তথ্য প্রত্যাহারে জাতিসংঘে ‘শেখ হাসিনার চিঠি’

আমাকে ‘জামায়াতের ছাত্রী সংস্থার প্রোডাক্ট’ বলা হয়েছিল: তাসনিম জারা

আপডেট সময় ১০:০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার পর কটাক্ষের মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা। শুক্রবার (৮ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, অতীতেও তাকে রাজনৈতিকভাবে ট্যাগ দিয়ে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছিল।

তাসনিম জারা লেখেন, ২০১৩ সালের শাহবাগ আন্দোলনের সময়একটা একটা শিবির ধর, ধরে ধরে জবাই করস্লোগানের বিরোধিতা করায় তাকেজামায়াতের ছাত্রী সংস্থার প্রোডাক্টবলা হয়েছিল। সে সময় তাকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয় বলেও দাবি করেন তিনি। তিনি অভিযোগ করেন, এখন রাজনৈতিক মতের অমিল হলেই কাউকেশাহবাগী’, ‘বাম’, ‘ইসলামবিদ্বেষীবাবিদেশি এজেন্টহিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। তার দাবি, সামাজিক মাধ্যমে এমন প্রচারণা কেবল ব্যক্তিকে আক্রমণই করছে না, বরং রাজনৈতিক সহনশীলতার জায়গাটিকেও সংকুচিত করছে।

তাসনিম জারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইমি নামের এক ব্যক্তিকে নিয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করার পর থেকেই তাকে লক্ষ্য করে সমালোচনা ও অপপ্রচার বাড়তে থাকে। তিনি মনে করেন, আইনের যথাযথ প্রয়োগ হলে ওই ব্যক্তির দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার প্রয়োজন ছিল না। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ভিন্নমত প্রকাশ করলেই কেন একজনের মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের দাবিকে অস্বীকার করা হবে। পোস্টে তাসনিম জারা আরও বলেন, অভ্যুত্থানের পর এমন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছিল যেখানে মতপার্থক্য থাকলেও কাউকে শত্রু হিসেবে দেখা হবে না। কিন্তু বাস্তবে এখন আবারও রাজনৈতিক ট্যাগিং ও বিভাজনের সংস্কৃতি ফিরে এসেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি লেখেন, ‘মধ্যপন্থা মানে নীতিহীনতা না। মানুষকে তার পরিচয়ের বাক্সে আটকে না ফেলে, তার যুক্তি ও কাজ দিয়ে বিচার করতে হবে।স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি বলেন, ‘সভ্য সমাজে কাউকে জবাই করার ডাক দেওয়া যায় না, কাউকে বিনা বিচারে আটকে রাখা যায় না, আর দ্বিমতকে দেশদ্রোহ বলে চালিয়ে দেওয়া যায় না।