ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ৫০০ কেজি আম উপহার পাঠালো বাংলাদেশ ‘ধর্মের নামে সন্ত্রাসবাদ সমর্থন করে না বাংলাদেশ’, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গরু জবাই নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে দাঁড়াল থালাপতির সরকার এইচএসসিতে ৯ বোর্ডে একই প্রশ্ন, ফাঁস ঠেকাতে বাড়তি নজর ‘আমাদের আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ এখনো গড়ে ওঠেনি’, নাহিদ ইসলাম ‘রাশিয়ার কারণে রাতে ঘুমাতে পারি না’, বললেন ন্যাটোপ্রধান আট বছর পর মিলল ম্যারাডোনার সেই ভবিষ্যদ্বাণী চার আকাশযান ধ্বং’সে’র দা’বি পাকিস্তানের, সফল হা’ম’লা’র কথা বলছে কাবুল সাবেক এমপিকে আমন্ত্রণের জেরে শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠানে ভাঙচুর হোলি আর্টিজানের এক দশক, জ’ঙ্গি’বা’দ কতটা বদলেছে?

রেস্টুরেন্টের লাইসেন্স নিতে ১৯টি অনুমতি লাগে, এদেশে বিনিয়োগ করবে কে?: আমীর খসরু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৪১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪৭৫ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, একটা রেস্টুরেন্টের লাইসেন্স নিতে ১৯টি জায়গার অনুমতি লাগে। এদেশে বিনিয়োগ করবে কে? সিরিয়াস ডি-রেগুলেশন না করলে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়বে না। অর্থনীতি ঠিক হবে না। আজ রোববার (১০ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত এক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

সবাইকে সাংঘর্ষিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকেও বেরিয়ে আসার পরামর্শ দিয়ে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বক্তব্যের মাধ্যমে বিষোদগার বন্ধ করতে হবে। গণতন্ত্র মানে অন্যজনের কথা শুনে সহ্য করা, তার মতকে সম্মান দেওয়া। মানুষের কথা বলার সুযোগ অব্যাহত থাকলে আপনা–আপনিই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের পতনের পর বাংলাদেশের মানুষের মনোজগতে বিশাল পরিবর্তন এসেছে, এই পরিবর্তন বুঝতে না পারলে কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি টিকতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, বিপ্লবোত্তর যে দেশ দ্রুত নির্বাচন করেছে, তারা ভালো করেছে; যারা দীর্ঘ সময় নিয়েছে, সেখানে আন্তঃকোন্দল বেড়েছে। এই সরকারের আমলে বিনিয়োগ আসেনি মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, এতে তাদের দোষ নেই। বিনিয়োগে বাংলাদেশ অনেক নিচে। সিরিয়াস ডিরেগুলেশন ও সিরিয়াস লিবারেলিজম ছাড়া দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নেওয়া যাবে না।

জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের বাজেট অব্যাহত রাখার প্রয়োজন ছিল না মন্তব্য করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত ছিল অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট দেওয়া। ফ্যাসিবাদের বাজেট চালিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না।

সরকারের অনেক দায়িত্ব বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিতে হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ট্রেড বডিগুলোর হাতে অনেক কার্যক্রম তুলে দিয়ে সরকারকে নির্ভার হতে হবে। ফিজিক্যাল কন্ট্রাক্ট না কমালে দুর্নীতি কমানো যাবে না। আমীর খসরু মাহমুদ বলেন, দেশে যত নিয়ন্ত্রণ (রেগুলেশন) থাকবে, তত দুর্নীতি বাড়বে। অর্থনীতিকে গণতান্ত্রিক করতে হবে, এতে সবার অংশগ্রহণ লাগবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ৫০০ কেজি আম উপহার পাঠালো বাংলাদেশ

রেস্টুরেন্টের লাইসেন্স নিতে ১৯টি অনুমতি লাগে, এদেশে বিনিয়োগ করবে কে?: আমীর খসরু

আপডেট সময় ০৫:৪১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

এবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, একটা রেস্টুরেন্টের লাইসেন্স নিতে ১৯টি জায়গার অনুমতি লাগে। এদেশে বিনিয়োগ করবে কে? সিরিয়াস ডি-রেগুলেশন না করলে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়বে না। অর্থনীতি ঠিক হবে না। আজ রোববার (১০ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত এক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

সবাইকে সাংঘর্ষিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকেও বেরিয়ে আসার পরামর্শ দিয়ে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বক্তব্যের মাধ্যমে বিষোদগার বন্ধ করতে হবে। গণতন্ত্র মানে অন্যজনের কথা শুনে সহ্য করা, তার মতকে সম্মান দেওয়া। মানুষের কথা বলার সুযোগ অব্যাহত থাকলে আপনা–আপনিই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের পতনের পর বাংলাদেশের মানুষের মনোজগতে বিশাল পরিবর্তন এসেছে, এই পরিবর্তন বুঝতে না পারলে কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি টিকতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, বিপ্লবোত্তর যে দেশ দ্রুত নির্বাচন করেছে, তারা ভালো করেছে; যারা দীর্ঘ সময় নিয়েছে, সেখানে আন্তঃকোন্দল বেড়েছে। এই সরকারের আমলে বিনিয়োগ আসেনি মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, এতে তাদের দোষ নেই। বিনিয়োগে বাংলাদেশ অনেক নিচে। সিরিয়াস ডিরেগুলেশন ও সিরিয়াস লিবারেলিজম ছাড়া দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নেওয়া যাবে না।

জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের বাজেট অব্যাহত রাখার প্রয়োজন ছিল না মন্তব্য করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত ছিল অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট দেওয়া। ফ্যাসিবাদের বাজেট চালিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন ছিল না।

সরকারের অনেক দায়িত্ব বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিতে হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ট্রেড বডিগুলোর হাতে অনেক কার্যক্রম তুলে দিয়ে সরকারকে নির্ভার হতে হবে। ফিজিক্যাল কন্ট্রাক্ট না কমালে দুর্নীতি কমানো যাবে না। আমীর খসরু মাহমুদ বলেন, দেশে যত নিয়ন্ত্রণ (রেগুলেশন) থাকবে, তত দুর্নীতি বাড়বে। অর্থনীতিকে গণতান্ত্রিক করতে হবে, এতে সবার অংশগ্রহণ লাগবে।