ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দেশের বাজারে পাওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক শিশুর অনুরোধে ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ‘চুক্তিতে’ স্বাক্ষর করলেন স্কালোনি সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের এবার ইরানে স্থলসেনা নামানোর ছক যুক্তরাষ্ট্রের, ভয়ংকর পরিকল্পনা ফ্যামিলি কার্ড শুমারির নিয়োগ পরীক্ষায় ছাত্রদলের দুই নেতার হাতাহাতি ইরানে হামলায় যুক্তরাজ্যের কোনো ঘাঁটি ব্যবহৃত হলে তা হবে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’: আইআরজিসি কৃষক সেজে ফসলি মাঠ থেকে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে ধরল পুলিশ সাবেক রাষ্ট্রপতির ফৌজদারী অপরাধের বিচার সম্ভব, সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদে কোন বাধা নেই: শিশির মনির বড় লক্ষ্য অর্জনে কি ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বলির পাঁঠা বানালেন মোদি?

ম্যারাডোনার ‘হাত দিয়ে’ গোল করা মাঠেই হচ্ছে বিশ্বকাপের উদ্বোধন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে মেক্সিকোর এস্তাদিও আজতেকা। ২০২৬ বিশ্বকাপে ম্যাচ আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বের প্রথম স্টেডিয়াম হিসেবে তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপ আসরের আয়োজক হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করতে যাচ্ছে এই কিংবদন্তি ভেন্যু।

 

১৯৭০ ও ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের স্মৃতি বহন করে চলা আজতেকা দীর্ঘদিন ধরেই ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত। পেলে থেকে দিয়েগো ম্যারাডোনা; বিশ্ব ফুটবলের দুই কিংবদন্তির ক্যারিয়ারের অবিস্মরণীয় মুহূর্তের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এই স্টেডিয়ামের নাম।

 

১৯৭০ সালে এই মাঠেই ব্রাজিলকে তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জেতাতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন পেলে। এরপর ১৯৮৬ সালে ম্যারাডোনার জাদুকরী পারফরম্যান্সে আর্জেন্টিনা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়।

 

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ম্যারাডোনা বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলটি করেন এই মাঠেই। খেলার ৫৫ মিনিটে, যখন স্কোর গোলশূন্য, ম্যারাডোনা ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক পিটার শিলটনের সাথে একটি উঁচু বল দখলের লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন। আর্জেন্টাইন তারকা তার বাম হাত দিয়ে বলটি ঘুষি মেরে জালে জড়িয়ে দেন, যা দেখে ‘দ্য থ্রি লায়ন্স’-এর খেলোয়াড় এবং স্টাফরা প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন। রেফারি ফাউলটি ধরতে পারেননি এবং গোলটি বহাল রাখেন।

 

কয়েক মিনিট পরেই, ম্যারাডোনা তার পায়ের জাদু দেখান; তিনি অসংখ্য খেলোয়াড়কে ড্রিবল করে কাটিয়ে সর্বকালের অন্যতম সেরা একটি একক গোল করেন।

 

এরপর আর্জেন্টিনা ফাইনালে পৌঁছায় এবং ম্যারাডোনা ও তার দল মেক্সিকো সিটিতে পশ্চিম জার্মানিকে ৩-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয় করে।

 

চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ব ফুটবলের অসংখ্য স্মরণীয় ঘটনার সাক্ষী থাকা স্টেডিয়ামটি এবার নতুন ইতিহাস গড়তে চলেছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ হবে এই ভেন্যুতেই।

 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পেলে ও ম্যারাডোনার স্মৃতির প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা জানানো হতে পারে। বিশ্ব ফুটবলে তাঁদের অবদান স্মরণ করার মধ্য দিয়ে শুরু হতে পারে নতুন আসরের যাত্রা।

 

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৬ বিশ্বকাপ নানা দিক থেকেই ব্যতিক্রমী। তবে সেই আসরের অন্যতম বড় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে এস্তাদিও আজতেকা। কারণ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এমন কীর্তি আর কোনো স্টেডিয়ামের নেই।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

ম্যারাডোনার ‘হাত দিয়ে’ গোল করা মাঠেই হচ্ছে বিশ্বকাপের উদ্বোধন

আপডেট সময় ০৯:৪৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে মেক্সিকোর এস্তাদিও আজতেকা। ২০২৬ বিশ্বকাপে ম্যাচ আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বের প্রথম স্টেডিয়াম হিসেবে তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপ আসরের আয়োজক হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করতে যাচ্ছে এই কিংবদন্তি ভেন্যু।

 

১৯৭০ ও ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের স্মৃতি বহন করে চলা আজতেকা দীর্ঘদিন ধরেই ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত। পেলে থেকে দিয়েগো ম্যারাডোনা; বিশ্ব ফুটবলের দুই কিংবদন্তির ক্যারিয়ারের অবিস্মরণীয় মুহূর্তের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এই স্টেডিয়ামের নাম।

 

১৯৭০ সালে এই মাঠেই ব্রাজিলকে তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জেতাতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন পেলে। এরপর ১৯৮৬ সালে ম্যারাডোনার জাদুকরী পারফরম্যান্সে আর্জেন্টিনা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়।

 

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ম্যারাডোনা বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলটি করেন এই মাঠেই। খেলার ৫৫ মিনিটে, যখন স্কোর গোলশূন্য, ম্যারাডোনা ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক পিটার শিলটনের সাথে একটি উঁচু বল দখলের লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন। আর্জেন্টাইন তারকা তার বাম হাত দিয়ে বলটি ঘুষি মেরে জালে জড়িয়ে দেন, যা দেখে ‘দ্য থ্রি লায়ন্স’-এর খেলোয়াড় এবং স্টাফরা প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন। রেফারি ফাউলটি ধরতে পারেননি এবং গোলটি বহাল রাখেন।

 

কয়েক মিনিট পরেই, ম্যারাডোনা তার পায়ের জাদু দেখান; তিনি অসংখ্য খেলোয়াড়কে ড্রিবল করে কাটিয়ে সর্বকালের অন্যতম সেরা একটি একক গোল করেন।

 

এরপর আর্জেন্টিনা ফাইনালে পৌঁছায় এবং ম্যারাডোনা ও তার দল মেক্সিকো সিটিতে পশ্চিম জার্মানিকে ৩-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয় করে।

 

চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বিশ্ব ফুটবলের অসংখ্য স্মরণীয় ঘটনার সাক্ষী থাকা স্টেডিয়ামটি এবার নতুন ইতিহাস গড়তে চলেছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ হবে এই ভেন্যুতেই।

 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পেলে ও ম্যারাডোনার স্মৃতির প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা জানানো হতে পারে। বিশ্ব ফুটবলে তাঁদের অবদান স্মরণ করার মধ্য দিয়ে শুরু হতে পারে নতুন আসরের যাত্রা।

 

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৬ বিশ্বকাপ নানা দিক থেকেই ব্যতিক্রমী। তবে সেই আসরের অন্যতম বড় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে এস্তাদিও আজতেকা। কারণ বিশ্বকাপের ইতিহাসে এমন কীর্তি আর কোনো স্টেডিয়ামের নেই।