ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদ নির্বাচনে মির্জা ফখরুলের বিরুদ্ধে লড়বেন জামায়াত নেতা দেলোয়ার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:১৭:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৫২৭ বার পড়া হয়েছে

এবার সর্ব উত্তর-পশ্চিমের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচ উপজেলা নিয়ে তিনটি সংসদীয় আসন গঠিত। তবে ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) এটি ভিআইপি আসন হিসেবে পরিচিত। এখানে চার রাজনীতিক এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজনই মন্ত্রিত্ব পেয়েছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরল ইসলাম আলমগীর। সবচেয়ে হেভিওয়েট নেতা হিসেবে দলে তার কোনো প্রতিন্দ্বন্দ্বীও নেই। ইতোমধ্যে তার পক্ষে নানাভাবে প্রচার চালিয়ে ভোটের মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন দলটির নেতাকর্মীরা। জনসমর্থনেও তিনি এগিয়ে থাকবেন বলে তৃণমূলের বিশ্বাস।

মির্জা ফখরুলকে আওয়ামী সরকারের আমলে কয়েকবার কারাবরণ করতে হয়েছে। জেলজুলুম-অত্যাচার ও শতাধিক মামলা কাঁধে নিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন তিনি। অনেক ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ ছিলেন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা। ধানের শীষের কান্ডারীর সঙ্গে ভোটযুদ্ধ হবে আরেক হেভিওয়েট প্রার্থীর। তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, ঠাকুরগাঁও উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন। তার পক্ষে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছেন দলের নেতাকর্মীরা। ব্যানার-পোস্টারের মাধ্যমে দিচ্ছেন বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি ও আশ্বাস।

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী দুঃশাসনের অন্যতম ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন। তিনি ছাত্রশিবিরের সভাপতি থাকাকালে গ্রেপ্তার করে অমানবিক নির্যাতন করা হয়। থানায় থানায় নিয়ে পেটানো হয়েছিল কয়েক মাস ধরে। বছরের পর বছর রাখা হয় কারাগারে। অন্তত দেড়শ মামলা কাঁধে নিয়ে আদালত থেকে আদালতে ছুটেছেন অন্তত এক দশক।

দেলোয়ার হোসেন বলেন, আগে এই আসনে তিনটি দলের শাসন মানুষ দেখেছে। তারা কেউ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ উপহার দিতে পারেনি। এজন্য জনগণ সৎ, দক্ষ, দেশপ্রেমিক ও আল্লাভিরু প্রার্থীর অপেক্ষায় আছে। তাদের প্রত্যাশা পূরণে আমরা কাজ করছি। এছাড়া অন্য দলের নেতাদের তেমন অবস্থান নেই। তাদের দু-একটি কর্মসূচি চোখে পড়লেও ভোটযুদ্ধে লড়তে কোনো নেতা তৈরি হয়েছেন বলে এখন পর্যন্ত জানান দিতে পারেননি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে’

সংসদ নির্বাচনে মির্জা ফখরুলের বিরুদ্ধে লড়বেন জামায়াত নেতা দেলোয়ার

আপডেট সময় ০৪:১৭:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

এবার সর্ব উত্তর-পশ্চিমের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচ উপজেলা নিয়ে তিনটি সংসদীয় আসন গঠিত। তবে ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) এটি ভিআইপি আসন হিসেবে পরিচিত। এখানে চার রাজনীতিক এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজনই মন্ত্রিত্ব পেয়েছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরল ইসলাম আলমগীর। সবচেয়ে হেভিওয়েট নেতা হিসেবে দলে তার কোনো প্রতিন্দ্বন্দ্বীও নেই। ইতোমধ্যে তার পক্ষে নানাভাবে প্রচার চালিয়ে ভোটের মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন দলটির নেতাকর্মীরা। জনসমর্থনেও তিনি এগিয়ে থাকবেন বলে তৃণমূলের বিশ্বাস।

মির্জা ফখরুলকে আওয়ামী সরকারের আমলে কয়েকবার কারাবরণ করতে হয়েছে। জেলজুলুম-অত্যাচার ও শতাধিক মামলা কাঁধে নিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন তিনি। অনেক ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ ছিলেন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা। ধানের শীষের কান্ডারীর সঙ্গে ভোটযুদ্ধ হবে আরেক হেভিওয়েট প্রার্থীর। তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, ঠাকুরগাঁও উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন। তার পক্ষে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছেন দলের নেতাকর্মীরা। ব্যানার-পোস্টারের মাধ্যমে দিচ্ছেন বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি ও আশ্বাস।

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী দুঃশাসনের অন্যতম ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন। তিনি ছাত্রশিবিরের সভাপতি থাকাকালে গ্রেপ্তার করে অমানবিক নির্যাতন করা হয়। থানায় থানায় নিয়ে পেটানো হয়েছিল কয়েক মাস ধরে। বছরের পর বছর রাখা হয় কারাগারে। অন্তত দেড়শ মামলা কাঁধে নিয়ে আদালত থেকে আদালতে ছুটেছেন অন্তত এক দশক।

দেলোয়ার হোসেন বলেন, আগে এই আসনে তিনটি দলের শাসন মানুষ দেখেছে। তারা কেউ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ উপহার দিতে পারেনি। এজন্য জনগণ সৎ, দক্ষ, দেশপ্রেমিক ও আল্লাভিরু প্রার্থীর অপেক্ষায় আছে। তাদের প্রত্যাশা পূরণে আমরা কাজ করছি। এছাড়া অন্য দলের নেতাদের তেমন অবস্থান নেই। তাদের দু-একটি কর্মসূচি চোখে পড়লেও ভোটযুদ্ধে লড়তে কোনো নেতা তৈরি হয়েছেন বলে এখন পর্যন্ত জানান দিতে পারেননি।