ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাউফলে রাস্তার ওপর পড়ে থাকা বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে কৃষকের মৃত্যু ঋণ দেয়ার কথা বলে কয়েক লাখ টাকা নি‌য়ে উধাও এন‌জিও! প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ যুবরাজের বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে স্বীকৃতি দিল মিয়ানমার আল-কায়েদা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা আমলে নিচ্ছে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিস্তা নিয়ে ভারতের বন্ধুত্ব নষ্ট করতে চাই না, দেখবো দেশের স্বার্থ: পানি সম্পদমন্ত্রী এবার ৫৮২ টনের ম্যাগনেট দিয়ে ‘কৃত্রিম সূর্য’ বানাচ্ছে চীন শিক্ষক না আসায় লাঠিসোটা নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আলু বিক্রি বাড়াতে দোকানে নর্তকীর নাচ, ভিডিও ভাইরাল থালাপাতির এক ঘোষণায় বদলে গেলো হিসাব, লাখ লাখ কৃষকের ঋণ মওকুফ!

ছাত্রদের দাবিতে পদত্যাগের কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলাম: কাঠগড়ায় পলক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৬৭ বার পড়া হয়েছে

এবার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার দাবি অনুযায়ী পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি এ কথা জানান। ট্রাইব্যুনালকে পলক বলেন, ২০২৪ সালের ২ আগস্ট জুলাই আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে আমি পদত্যাগ করতে চেয়েছিলাম। মন্ত্রিসভার বৈঠকে আমি ছাত্রদের পক্ষে কথা বলেছি। এছাড়া আমার পদত্যাগের সিদ্ধান্তটি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানিয়েছিলাম।

জুলাই অভ্যুত্থানে ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যায় উসকানিসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলকসহ সজীব ওয়াজেদ জয়ের অব্যাহতি (ডিসচার্জ) চেয়ে শুনানি শেষ করেছেন আইনজীবীরা। এদিন পলকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ ও জয়ের আইনজীবী (রাষ্ট্রনিযুক্ত) মনজুর আলম।

এ মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ২১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল। শুনানিতে পলকের আইনজীবী বলেন, ইন্টারনেট বন্ধ করার ক্ষমতা সরকার বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ। এতে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে জুনাইদ আহমেদ পলকের কোনো দায় নেই। সুতরাং আমি তার অব্যাহতি চাই।

পলাতক আসামি জয়ের আইনজীবী মনজুর আলম বলেন, জয়ের নির্দেশে পলক ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে উসকানি ও প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু পোস্টে জয়কে ট্যাগ করেননি পলক। এমনকি জয়ও কথিত পোস্টে লাইক-কমেন্ট কিংবা শেয়ার দেননি। এছাড়া সরকারের অবৈতনিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন জয়। তার অধীনে কোনো মন্ত্রণালয় ছিল না। সুতরাং এ মামলায় আনা অভিযোগের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

ট্রাইব্যুনালকে মনজুর আলম বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয়ের মা শেখ হাসিনা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এজন্য ভবিষ্যতে যেকোনো দায়িত্বে আসতে পারেন তিনি। তাই তাকে এ মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করছি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাউফলে রাস্তার ওপর পড়ে থাকা বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে কৃষকের মৃত্যু

ছাত্রদের দাবিতে পদত্যাগের কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলাম: কাঠগড়ায় পলক

আপডেট সময় ০৩:০৯:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

এবার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার দাবি অনুযায়ী পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি এ কথা জানান। ট্রাইব্যুনালকে পলক বলেন, ২০২৪ সালের ২ আগস্ট জুলাই আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে আমি পদত্যাগ করতে চেয়েছিলাম। মন্ত্রিসভার বৈঠকে আমি ছাত্রদের পক্ষে কথা বলেছি। এছাড়া আমার পদত্যাগের সিদ্ধান্তটি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানিয়েছিলাম।

জুলাই অভ্যুত্থানে ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যায় উসকানিসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলকসহ সজীব ওয়াজেদ জয়ের অব্যাহতি (ডিসচার্জ) চেয়ে শুনানি শেষ করেছেন আইনজীবীরা। এদিন পলকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ ও জয়ের আইনজীবী (রাষ্ট্রনিযুক্ত) মনজুর আলম।

এ মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ২১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল। শুনানিতে পলকের আইনজীবী বলেন, ইন্টারনেট বন্ধ করার ক্ষমতা সরকার বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ। এতে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে জুনাইদ আহমেদ পলকের কোনো দায় নেই। সুতরাং আমি তার অব্যাহতি চাই।

পলাতক আসামি জয়ের আইনজীবী মনজুর আলম বলেন, জয়ের নির্দেশে পলক ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে উসকানি ও প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু পোস্টে জয়কে ট্যাগ করেননি পলক। এমনকি জয়ও কথিত পোস্টে লাইক-কমেন্ট কিংবা শেয়ার দেননি। এছাড়া সরকারের অবৈতনিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন জয়। তার অধীনে কোনো মন্ত্রণালয় ছিল না। সুতরাং এ মামলায় আনা অভিযোগের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

ট্রাইব্যুনালকে মনজুর আলম বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয়ের মা শেখ হাসিনা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এজন্য ভবিষ্যতে যেকোনো দায়িত্বে আসতে পারেন তিনি। তাই তাকে এ মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করছি।