চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে কয়েক দিন ধরে আলোচনা চলছে। প্রাথমিকভাবে আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে দুই দিনের সফরের প্রস্তাব রয়েছে। তবে সফর চূড়ান্ত হওয়ার পথে সবচেয়ে বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ‘সহায়ক পরিবেশ’ তৈরির ওপর জোর দিচ্ছে। পাশাপাশি শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ এবং ভারতের মাটিতে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে নিজেদের উদ্বেগের বিষয়টিও দিল্লিকে জানিয়েছে ঢাকা।
এর মধ্যেই দিল্লি সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছেন। শনিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গেও তার বৈঠকের কথা রয়েছে।
এদিকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল জানিয়েছেন, তারেক রহমানকে আগেই দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনেও তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে সফরের তারিখ নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
কূটনৈতিক সূত্রের মতে, তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফরে বাণিজ্য, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, ট্রানজিট ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে। ডিসেম্বরে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় আসতে পারে।
তবে সবকিছুর আগে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুতে ঢাকা-দিল্লির অবস্থান কতটা কাছাকাছি আসে, সেটিই এখন সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। কূটনৈতিক মহলের ধারণা, এ সফর হলে দুই দেশের নতুন রাজনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি হবে একটি বড় পরীক্ষা।

ডেস্ক রিপোর্ট 























