ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিএসএফকে পুশ ইনে সহায়তার অভিযোগে বিজিবির হাতে আটক ৭ বাংলাদেশি আদ্-দ্বীনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিনের পদত্যাগ ‘তারেক রহমান আসলেও কাজ হবে না’ বলা সেই ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার নেতাকে কাঁধে তুলে স্লোগানের সময় ভিড়ের মধ্যে চড়-থাপ্পড় দুই ঘণ্টা বসিয়ে রাখার প্রতিবাদ হিসেবে ভারতে প্রবেশ না করে দেশে ফিরেছি: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা “পদ্মা সেতুর পিলারের নিচে কারা কাটছে মাটি? উঠছে বড় প্রশ্ন” ৫৪ জেলার পানিতে বিপজ্জনক মাত্রায় আর্সেনিক-আয়রন, বাড়ছে ক্যানসারের আশঙ্কা পঞ্চম সন্তানের প্রত্যাশায় নেইমার, বাড়ছে বিশ্বকাপে না ফেরার আশঙ্কা আগামী তিন মাসের মধ্যে চীনে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস খোলা হবে: আশিক চৌধুরী “ব্রাজিল শিবিরে বড় ধাক্কা, গ্রুপ পর্বেই নেই নেইমার”

বিমানবন্দরে নয়, শপিং মলে ডেকে বেনজীরকে ধরিয়ে দেন এমপি বন্ধু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৭:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

এবার সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দুবাই বিমানবন্দর থেকে নয়, গত ১২ জুন বাসার পাশের একটি শপিং মল থেকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার। দুবাইয়ে টানা সরকারি ছুটির কারণে মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুবাইয়ের আদালতে তাকে হাজির করা বা তার জামিন আবেদন নিয়ে শুনানি হতে পারে। এ জন্য তার পক্ষে স্থানীয় একজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বেনজীর আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সঙ্গে দুবাইয়ে অবস্থান করছেন। পরিবারের দাবি, গত ১২ জুন তিনি বাসায় ছিলেন। এ সময় তার বন্ধু ও ব্যবসায়িক সহযোগী হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম অঞ্চলের এক সংসদ সদস্য ফোন করে বাসার পাশের একটি শপিং মলে দেখা করতে বলেন। সেখানে যাওয়ার পর আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া দুবাই পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরিবারের ভাষ্য, ঘটনাস্থলে ওই সংসদ সদস্যের লোকজনও ছিল।

পরিবারের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, দুবাই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা জেনেছেন স্থানীয়ভাবে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। তাদের দাবি, বাংলাদেশ পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে ইন্টারপোলে পাঠানো রেড নোটিশের তথ্যের কারণেই তাকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবারের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ওই সংসদ সদস্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে রেড নোটিশের কাগজ দুবাই পুলিশের কাছে পৌঁছে দেন। তবে এই অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। বেনজীর আহমেদের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বলেছে, আটক করার পর দুবাই পুলিশ তার দেশটিতে অবস্থানের মেয়াদ, ভিসার বৈধতা, সেখানে কী করছেন এবং তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো প্রাথমিকভাবে যাচাই করে। পরে তিনি বাংলাদেশের নাগরিক এবং তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোল নোটিশ রয়েছেএই তথ্য ঢাকায় ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) ও বাংলাদেশ পুলিশকে অবহিত করা হয়।

আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে পারিবারিক সূত্র জানায়, দুবাইয়ে তার পক্ষে একজন আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে। ঢাকায় তার বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলোর নথিও ওই আইনজীবীর পরামর্শে দুবাইয়ে পাঠানো হয়েছে। ১২ জুন শুক্রবার দুবাইয়ের আদালত সীমিত পরিসরে চালু ছিল। এর পর শনি ও রোববার সাপ্তাহিক ছুটি এবং সোমবার (১৫ জুন) ইসলামিক নববর্ষ উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়ার কথা। আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, মঙ্গলবার দুবাই পুলিশ যদি তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানো বা অন্য কোনো পদক্ষেপের আবেদন করে, তাহলে তার পক্ষের আইনজীবী জামিন চাইবেন। আর সেদিন আদালতে হাজির করা না হলে প্রসিকিউশন দপ্তরে তার পক্ষে আবেদন দাখিল করা হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বেনজীর আহমেদকে ডেকে নেওয়ার অভিযোগে যে সংসদ সদস্যের কথা বলা হচ্ছে, তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পরে ফোনে সংক্ষিপ্তভাবে সংযোগ হলেও এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। বাংলাদেশ পুলিশ সূত্রও নিশ্চিত করেছে, বেনজীর আহমেদ দুবাই পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন এবং ইন্টারপোল নোটিশের কারণে বিষয়টি বাংলাদেশকে জানানো হয়েছে। তবে এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আটকটি ইন্টারপোলের নিয়মিত প্রক্রিয়ায় হয়েছে কি না, নাকি অন্য কোনো বিষয় এতে ভূমিকা রেখেছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো সম্ভব হবে কি না, সেটিও দেখার বিষয়।

বাংলাদেশে তাকে ফেরত আনার সম্ভাবনা নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্তের আভাস নেই। পুলিশের সাবেক এক অতিরিক্ত আইজিপির মতে, এক দেশ থেকে আরেক দেশে কাউকে প্রত্যর্পণ করতে হলে সংশ্লিষ্ট দুই দেশের আইন, পারস্পরিক চুক্তি, মামলার ধরন এবং আদালতের সিদ্ধান্তসবকিছুই বিবেচনায় আসে। তার ভাষ্য, কেবল রেড নোটিশ থাকলেই দ্রুত প্রত্যর্পণ সম্ভব হয় না। যদি বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে ফেরত চায়, তাহলে দুবাইয়ের প্রসিকিউশন দপ্তর তার বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতির মামলার নথি এবং সংশ্লিষ্ট অভিযোগের আইনগত ভিত্তিও পর্যালোচনা করবে। একই সাবেক কর্মকর্তা আরও বলেন, পরিচয় ও ভ্রমণ নথিসংক্রান্ত ভিন্ন তথ্য থাকলেও তা প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়াকে জটিল করতে পারে। তার মতে, মঙ্গলবার শুনানি হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর মতো সিদ্ধান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম।

পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি, মিডিয়া) এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেছেন, ‘সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি আমাদের জানানো হয়েছে। এখন পুলিশ সদর দপ্তর থেকে স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাকে ফিরিয়ে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একাধিক মামলা ও অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। তার গ্রেপ্তারের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এখন মূলত দুবাইয়ের আদালত, প্রসিকিউশন এবং বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, দুবাইয়ে আদালতের কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ার পরই তার আটক, জামিন এবং সম্ভাব্য প্রত্যর্পণ নিয়ে পরবর্তী অবস্থান স্পষ্ট হতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএসএফকে পুশ ইনে সহায়তার অভিযোগে বিজিবির হাতে আটক ৭ বাংলাদেশি

বিমানবন্দরে নয়, শপিং মলে ডেকে বেনজীরকে ধরিয়ে দেন এমপি বন্ধু

আপডেট সময় ১০:১৭:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

এবার সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দুবাই বিমানবন্দর থেকে নয়, গত ১২ জুন বাসার পাশের একটি শপিং মল থেকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তার পরিবার। দুবাইয়ে টানা সরকারি ছুটির কারণে মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুবাইয়ের আদালতে তাকে হাজির করা বা তার জামিন আবেদন নিয়ে শুনানি হতে পারে। এ জন্য তার পক্ষে স্থানীয় একজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বেনজীর আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সঙ্গে দুবাইয়ে অবস্থান করছেন। পরিবারের দাবি, গত ১২ জুন তিনি বাসায় ছিলেন। এ সময় তার বন্ধু ও ব্যবসায়িক সহযোগী হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম অঞ্চলের এক সংসদ সদস্য ফোন করে বাসার পাশের একটি শপিং মলে দেখা করতে বলেন। সেখানে যাওয়ার পর আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া দুবাই পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরিবারের ভাষ্য, ঘটনাস্থলে ওই সংসদ সদস্যের লোকজনও ছিল।

পরিবারের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, দুবাই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা জেনেছেন স্থানীয়ভাবে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। তাদের দাবি, বাংলাদেশ পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে ইন্টারপোলে পাঠানো রেড নোটিশের তথ্যের কারণেই তাকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবারের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ওই সংসদ সদস্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে রেড নোটিশের কাগজ দুবাই পুলিশের কাছে পৌঁছে দেন। তবে এই অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। বেনজীর আহমেদের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বলেছে, আটক করার পর দুবাই পুলিশ তার দেশটিতে অবস্থানের মেয়াদ, ভিসার বৈধতা, সেখানে কী করছেন এবং তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো প্রাথমিকভাবে যাচাই করে। পরে তিনি বাংলাদেশের নাগরিক এবং তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোল নোটিশ রয়েছেএই তথ্য ঢাকায় ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) ও বাংলাদেশ পুলিশকে অবহিত করা হয়।

আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে পারিবারিক সূত্র জানায়, দুবাইয়ে তার পক্ষে একজন আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে। ঢাকায় তার বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলোর নথিও ওই আইনজীবীর পরামর্শে দুবাইয়ে পাঠানো হয়েছে। ১২ জুন শুক্রবার দুবাইয়ের আদালত সীমিত পরিসরে চালু ছিল। এর পর শনি ও রোববার সাপ্তাহিক ছুটি এবং সোমবার (১৫ জুন) ইসলামিক নববর্ষ উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়ার কথা। আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, মঙ্গলবার দুবাই পুলিশ যদি তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানো বা অন্য কোনো পদক্ষেপের আবেদন করে, তাহলে তার পক্ষের আইনজীবী জামিন চাইবেন। আর সেদিন আদালতে হাজির করা না হলে প্রসিকিউশন দপ্তরে তার পক্ষে আবেদন দাখিল করা হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বেনজীর আহমেদকে ডেকে নেওয়ার অভিযোগে যে সংসদ সদস্যের কথা বলা হচ্ছে, তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পরে ফোনে সংক্ষিপ্তভাবে সংযোগ হলেও এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। বাংলাদেশ পুলিশ সূত্রও নিশ্চিত করেছে, বেনজীর আহমেদ দুবাই পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন এবং ইন্টারপোল নোটিশের কারণে বিষয়টি বাংলাদেশকে জানানো হয়েছে। তবে এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আটকটি ইন্টারপোলের নিয়মিত প্রক্রিয়ায় হয়েছে কি না, নাকি অন্য কোনো বিষয় এতে ভূমিকা রেখেছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো সম্ভব হবে কি না, সেটিও দেখার বিষয়।

বাংলাদেশে তাকে ফেরত আনার সম্ভাবনা নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্তের আভাস নেই। পুলিশের সাবেক এক অতিরিক্ত আইজিপির মতে, এক দেশ থেকে আরেক দেশে কাউকে প্রত্যর্পণ করতে হলে সংশ্লিষ্ট দুই দেশের আইন, পারস্পরিক চুক্তি, মামলার ধরন এবং আদালতের সিদ্ধান্তসবকিছুই বিবেচনায় আসে। তার ভাষ্য, কেবল রেড নোটিশ থাকলেই দ্রুত প্রত্যর্পণ সম্ভব হয় না। যদি বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে ফেরত চায়, তাহলে দুবাইয়ের প্রসিকিউশন দপ্তর তার বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতির মামলার নথি এবং সংশ্লিষ্ট অভিযোগের আইনগত ভিত্তিও পর্যালোচনা করবে। একই সাবেক কর্মকর্তা আরও বলেন, পরিচয় ও ভ্রমণ নথিসংক্রান্ত ভিন্ন তথ্য থাকলেও তা প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়াকে জটিল করতে পারে। তার মতে, মঙ্গলবার শুনানি হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর মতো সিদ্ধান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম।

পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি, মিডিয়া) এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেছেন, ‘সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি আমাদের জানানো হয়েছে। এখন পুলিশ সদর দপ্তর থেকে স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাকে ফিরিয়ে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একাধিক মামলা ও অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। তার গ্রেপ্তারের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এখন মূলত দুবাইয়ের আদালত, প্রসিকিউশন এবং বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, দুবাইয়ে আদালতের কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ার পরই তার আটক, জামিন এবং সম্ভাব্য প্রত্যর্পণ নিয়ে পরবর্তী অবস্থান স্পষ্ট হতে পারে।