ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দেশের যে ৮ টুথপেস্টে পাওয়া যায়নি মাইক্রোপ্লাস্টিক আগামীকাল এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রস্তুত হবে সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদের দোহাই দিয়ে চুপ্পুর গ্রেপ্তার ঠেকানো যাবে না: আখতার হোসেন ইসরাইলের ফাঁদে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করছে ট্রাম্প: মার্কিন কংগ্রেস সদস্য প্রথমবারের মতো জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে আলোচনা করতে আজ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র হামলা না করলে পাল্টা হামলা করবে না ইরান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি গোলাবারুদ আমাদের: ট্রাম্প হাসপাতালের বাথরুমে মিলল সরকারি ওষুধ, স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ক্লিনিক সিলগালা বিদায়ী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে নিয়ে আলাদা তদন্ত নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক

দীঘিতে নেমে তর্ক, বন্ধুকে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার সদর উপজেলায় পুকুরে গোসল করতে নেমে তর্কের জেরে এক কিশোরের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দুই বন্ধু মিলে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেছে তাকে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের উত্তর হরিণসিংহা গ্রামের হাওয়াই দিঘির মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রাহাত (১৫), স্থানীয়ভাবে গাটু নামে পরিচিত। তিনি ওই গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে। ঘটনার পর অভিযুক্ত দুই কিশোর সাকিব ও রিফাত এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে গ্রামের হাওয়াই দিঘিতে গোসল করতে নামে রাহাত, সাকিব ও রিফাত। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে কোনো একটি বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, তর্কের একপর্যায়ে সাকিব ও রিফাত মিলে রাহাতকে পানিতে চুবিয়ে রাখে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে দাবি পরিবারের।

পরে স্থানীয়রা রাহাতকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত দুই কিশোর পালিয়ে যায়।

ঘটনার জেরে বুধবার সকালে নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের একটি দল অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, তারা বাঁশের লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। একপর্যায়ে বাড়িতে আগুন দেওয়ারও চেষ্টা করা হয়। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের বাধায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য তা গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে নিহতের পরিবার এখনো থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের যে ৮ টুথপেস্টে পাওয়া যায়নি মাইক্রোপ্লাস্টিক

দীঘিতে নেমে তর্ক, বন্ধুকে চুবিয়ে হত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় ০১:৪২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

গাইবান্ধার সদর উপজেলায় পুকুরে গোসল করতে নেমে তর্কের জেরে এক কিশোরের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দুই বন্ধু মিলে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেছে তাকে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের উত্তর হরিণসিংহা গ্রামের হাওয়াই দিঘির মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রাহাত (১৫), স্থানীয়ভাবে গাটু নামে পরিচিত। তিনি ওই গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে। ঘটনার পর অভিযুক্ত দুই কিশোর সাকিব ও রিফাত এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে গ্রামের হাওয়াই দিঘিতে গোসল করতে নামে রাহাত, সাকিব ও রিফাত। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে কোনো একটি বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, তর্কের একপর্যায়ে সাকিব ও রিফাত মিলে রাহাতকে পানিতে চুবিয়ে রাখে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে দাবি পরিবারের।

পরে স্থানীয়রা রাহাতকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত দুই কিশোর পালিয়ে যায়।

ঘটনার জেরে বুধবার সকালে নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের একটি দল অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, তারা বাঁশের লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। একপর্যায়ে বাড়িতে আগুন দেওয়ারও চেষ্টা করা হয়। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের বাধায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য তা গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে নিহতের পরিবার এখনো থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।