চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর—এই ১০ মাসে রাজধানীতে ১৯৮টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অর্থাৎ প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ২০টি করে খুনের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এসব তথ্য জানায়। পরিসংখ্যানের মধ্যে নবজাতকের লাশ উদ্ধারের ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানিয়েছেন, পারিবারিক কলহ, পূর্ব শত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তারসহ নানা কারণে এসব হত্যাকাণ্ড ঘটছে। তবে রাজধানীর বিশাল জনসংখ্যা ও আর্থসামাজিক বাস্তবতা বিবেচনায় খুনের সংখ্যা ‘সহনীয় পর্যায়ে’ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সাম্প্রতিক বেশিরভাগ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
পল্লবীতে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তিনি বলেন, ঘটনাটি তদন্তে পুলিশ গুরুত্বসহকারে কাজ করছে। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বাকি দুইজনকে ধরতে অভিযান চলছে। তাদের গ্রেপ্তারের পর হত্যার মূল কারণ স্পষ্ট হবে।
এদিকে অবৈধ অস্ত্র ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—জাহাঙ্গীর আলম টিটু, আব্দুর রাজ্জাক শানু ও মো. মামুন।
ডিবির রমনা বিভাগের উপকমিশনার আমীর খসরু জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নতুন শ্যামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয় তিনটি বিদেশি পিস্তল, তিনটি ম্যাগজিন, ৬০ রাউন্ড গুলি, ৮০০ পিস ইয়াবা এবং সাড়ে আট কেজি গাঁজা। তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি, যারা মাদক স্পট নিয়ন্ত্রণে ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে এসব অস্ত্র ব্যবহার করত। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। নতুন করে কদমতলী থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 



















