বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হলেও থামেনি বিতর্ক। আর্জেন্টিনা-স্পেন ম্যাচের দুটি সিদ্ধান্ত—এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ড এবং নিকো উইলিয়ামসের বাতিল হওয়া গোল—এখনও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চললেও, ভিএআর এবং ফুটবল বিশ্লেষকদের ব্যাখ্যা বলছে ভিন্ন কথা।
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার লড়াইয়ে ভিএআরের দুটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে ক্রীড়াভিত্তিক গণমাধ্যম ইএসপিএন–এর বিশ্লেষণ বলছে, দুই ক্ষেত্রেই মাঠের রেফারির সিদ্ধান্তই ছিল ফুটবলের প্রচলিত আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ম্যাচের ৯৩তম মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। রেফারির সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের জন্য প্রথম হলুদ কার্ড দেখার পর, স্পেনের ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সির ওপর দেরিতে ও ঝুঁকিপূর্ণ ট্যাকল করায় দ্বিতীয়বার সতর্ক হন তিনি। নতুন ভিএআর প্রোটোকল অনুযায়ী ঘটনাটি পর্যালোচনা করা হলেও সিদ্ধান্ত বদলের মতো কোনো স্পষ্ট কারণ খুঁজে পায়নি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি। বিশ্লেষকদের মতে, এনজোর ট্যাকল ছিল বিপজ্জনক এবং লাল কার্ড দেওয়াই ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত।
অন্যদিকে অতিরিক্ত সময়ে নিকো উইলিয়ামস বল জালে জড়ালেও গোলটি বাতিল করে দেন রেফারি। কারণ, আক্রমণ গড়ার সময় স্পেনের মিকেল মেরিনো আর্জেন্টিনার নিকোলাস ওতামেন্দিকে ফাউল করেছিলেন। ভিএআর রিপ্লে পর্যালোচনা করেও সেই সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। যদিও বিষয়টি নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে, তবু ভিএআর প্রোটোকল অনুযায়ী মাঠের সিদ্ধান্ত স্পষ্টভাবে ভুল প্রমাণিত না হলে তা পরিবর্তনের সুযোগ থাকে না।
ফাইনাল ঘিরে বিতর্ক থাকলেও নিয়মের ব্যাখ্যায় ভিএআর এবং রেফারির অবস্থান একই ছিল। ফলে এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ড এবং নিকো উইলিয়ামসের বাতিল হওয়া গোল—দুটিই ফুটবলের আইন অনুযায়ী সঠিক সিদ্ধান্ত বলেই মত দিচ্ছেন বিশ্লেষকেরা।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























