যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর প্রভাব প্রত্যাখ্যান করে ইরান ও ইরাক নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই নির্ধারণের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
গালিবাফ বলেন, ইরান ও ইরাকের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ককে এখন বাস্তব অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
দুই দেশের জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ইরান ও ইরাকের জনগণের মধ্যকার গভীর ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কেরই প্রতিফলন। ভৌগোলিক অবস্থান, অভিন্ন ইতিহাস ও ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিত্তিতেই দুই দেশের এই বন্ধন গড়ে উঠেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
গালিবাফের মতে, নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করার অভিন্ন অবস্থান তেহরান ও বাগদাদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করেছে।
তিনি বলেন, ইরান ও ইরাক এমন দুটি জাতি হিসেবে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, যারা অন্যের তৈরি বয়ানের অংশ হতে অস্বীকার করেছে এবং পশ্চিমা দেশগুলোর রাজধানীতে যাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয়নি।
সূত্র: ডন

ডেস্ক রিপোর্ট 






















