দিল্লিতে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। কিন্তু তাতেও থামেনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। শিক্ষা সংস্কার ও পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-র নেতৃত্বে চলমান বিক্ষোভ আরও বিস্তৃত হচ্ছে। আন্দোলন এখন শুধু শিক্ষাব্যবস্থার দাবি নয়, ভারতের জাতীয় রাজনীতির অন্যতম আলোচিত ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।
বুধবারও দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ চালিয়ে যান। এদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জারি করা ১৪৪ ধারার মধ্যে পুলিশের বলপ্রয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা একটি আবেদনও খারিজ করে দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপও বাড়ছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের নামে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার।
অন্যদিকে, আন্দোলনকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। দলটির নেতাদের দাবি, বিরোধীরা শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
তীব্র সমালোচনার মুখে নীরবতা ভেঙেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানও। তিনি জানিয়েছেন, পরীক্ষা-সংক্রান্ত অনিয়ম ও শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ নিয়ে সংসদে খোলামেলা আলোচনা করতে সরকার প্রস্তুত।
দিল্লির রাজপথ থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন সংসদেও তুমুল আলোচনার বিষয়। সরকার ও বিরোধী শিবিরের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের মধ্যে শিক্ষার্থীদের দাবির কী সমাধান আসে, সেদিকেই নজর পুরো ভারতের।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















