টানা আন্দোলন, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ আর রাজনৈতিক চাপ—সবকিছুর পর শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। বিদায়ের আগে খোলা চিঠিতে তিনি জানালেন, প্রথম দিন থেকেই নীট-ইউজি প্রশ্নফাঁসের দায় স্বীকার করেছিলেন এবং কখনোই দায়িত্ব এড়িয়ে যাননি।
নীট-ইউজি ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় টানা বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেছেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। পদত্যাগের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক খোলা চিঠিতে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।
চিঠিতে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনা সামনে আসার প্রথম দিন থেকেই তিনি এর দায় নিয়েছেন এবং কখনোই পরিস্থিতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেননি। তার ভাষায়, কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ যেন পরীক্ষা মাফিয়াদের কারণে নষ্ট না হয়, সেটাই ছিল তার প্রধান লক্ষ্য।
তিনি জানান, অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর ভারত সরকার দ্রুত তদন্তের দায়িত্ব সিবিআইকে দেয়, পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয় এবং আগামী বছর থেকে কম্পিউটারভিত্তিক পরীক্ষার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেয়।
ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও বলেন, গত কয়েক দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাকে ব্যথিত করেছে। তবে দেশের যুবসমাজ যেন বিভ্রান্ত না হয়, রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি যেন পরিস্থিতির সুযোগ নিতে না পারে এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আইনি জটিলতায় না পড়ে—এসব বিবেচনায় নিয়েই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।
চিঠির শেষ অংশে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সহকর্মী, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশসেবাই তার জীবনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যতেও তিনি সেই দায়িত্ব পালনে নিবেদিত থাকবেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 























