ঢাকা , শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নরওয়ে ম্যাচে নেইমারকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ব্রাজিলের মেসিই ভরসা, নাকি এটাই আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা? খামেনির শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে ‘আমেরিকার ধ্বংস’ আর ‘প্রতিশোধের’ স্লোগান জামায়াতের মধ্যে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা একটি নেয়ামত, যা অন্য কোনো সংগঠনে নেই: ডা. শফিকুর রহমান ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচের সময় বদলের গুঞ্জন, জানাল ফিফা বৈরি আবহাওয়ার আশঙ্কা, ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচের সময় পরিবর্তন নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিলো ফিফা তারেক রহমানকে ১০ বছর সময় দিতে হবে, কোনো কথা চলবে না: জুলাই যোদ্ধা শাহিন ‘জেন জি অলস, ওদের ইরান পাঠিয়ে দেওয়া উচিত’ রাজধানীর চকবাজারের আশিক টাওয়ারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট শাওন কি শেখ হাসিনার চেয়েও পাওয়ারফুল?: প্রধানমন্ত্রীর সামনেই প্রশ্ন ছাত্রদল নেতার

খামেনির শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে ‘আমেরিকার ধ্বংস’ আর ‘প্রতিশোধের’ স্লোগান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৫২:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

এবার হাজারো শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় শুরু হয়েছে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা। জাতীয় সংগীত পরিবেশন, ধর্মীয় শোকগাথা এবং পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ আয়োজন। খামেনির প্রতি জনসমর্থন এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতি জনগণের আনুগত্য প্রদর্শনের লক্ষ্যেই এই রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ইরান। দেশটির বিভিন্ন শহরে তার স্মরণে ব্যাপক শোকমিছিল ও ধর্মীয় কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিনের ওপর রাখা হয়েছে তার পরিচিত কালো পাগড়ি। একই মঞ্চে রাখা হয় তার নিহত পরিবারের আরও চার সদস্যের কফিন। কালো রঙের বিশাল সেই মঞ্চটি নির্মাণ করা হয়েছে সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত ইসলাম ধর্মের পবিত্রতম স্থাপনা কাবা শরিফের আদলে।

তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লার বিশাল প্রাঙ্গণজুড়ে ছিল শোকাহত মানুষের ঢল। তাদের অনেকের হাতে ছিল ইরানের জাতীয় পতাকা এবং প্রয়াত এই নেতার ছবি। খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সকাল থেকেই দলে দলে মানুষ সেখানে জড়ো হন, ফলে পুরো এলাকা পরিণত হয় শোক ও শ্রদ্ধার এক বিশাল সমাবেশে।

সমবেত জনতার কণ্ঠে এ সময় শোনা যায়আমেরিকার ধ্বংস হোকএবংপ্রতিশোধ, প্রতিশোধস্লোগান। এসব স্লোগান খামেনির মৃত্যুর জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের দাবির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। পরে মোসাল্লার বিশাল ধর্মীয় কমপ্লেক্সে খামেনির কফিন রাখা হলে ধর্মীয় নেতা, সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিসহ অসংখ্য শোকাহত মানুষ তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নরওয়ে ম্যাচে নেইমারকে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ব্রাজিলের

খামেনির শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে ‘আমেরিকার ধ্বংস’ আর ‘প্রতিশোধের’ স্লোগান

আপডেট সময় ০৩:৫২:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

এবার হাজারো শোকাহত মানুষের উপস্থিতিতে শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় শুরু হয়েছে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা। জাতীয় সংগীত পরিবেশন, ধর্মীয় শোকগাথা এবং পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ আয়োজন। খামেনির প্রতি জনসমর্থন এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতি জনগণের আনুগত্য প্রদর্শনের লক্ষ্যেই এই রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ইরান। দেশটির বিভিন্ন শহরে তার স্মরণে ব্যাপক শোকমিছিল ও ধর্মীয় কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো খামেনির কফিনের ওপর রাখা হয়েছে তার পরিচিত কালো পাগড়ি। একই মঞ্চে রাখা হয় তার নিহত পরিবারের আরও চার সদস্যের কফিন। কালো রঙের বিশাল সেই মঞ্চটি নির্মাণ করা হয়েছে সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত ইসলাম ধর্মের পবিত্রতম স্থাপনা কাবা শরিফের আদলে।

তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লার বিশাল প্রাঙ্গণজুড়ে ছিল শোকাহত মানুষের ঢল। তাদের অনেকের হাতে ছিল ইরানের জাতীয় পতাকা এবং প্রয়াত এই নেতার ছবি। খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সকাল থেকেই দলে দলে মানুষ সেখানে জড়ো হন, ফলে পুরো এলাকা পরিণত হয় শোক ও শ্রদ্ধার এক বিশাল সমাবেশে।

সমবেত জনতার কণ্ঠে এ সময় শোনা যায়আমেরিকার ধ্বংস হোকএবংপ্রতিশোধ, প্রতিশোধস্লোগান। এসব স্লোগান খামেনির মৃত্যুর জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের দাবির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। পরে মোসাল্লার বিশাল ধর্মীয় কমপ্লেক্সে খামেনির কফিন রাখা হলে ধর্মীয় নেতা, সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিসহ অসংখ্য শোকাহত মানুষ তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।