ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা থেকে আপাতত সরে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন।
সামরিক কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘদিনের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু গুরুত্বপূর্ণ গোলাবারুদের মজুত কমেছে। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করেন, নতুন করে বড় হামলা শুরু হলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মানবিক ও নিরাপত্তা সংকট আরও ভয়াবহ হতে পারে। বিশেষ করে ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোয় হামলা হলে লাখো মানুষ বিদ্যুৎ, খাদ্য ও জরুরি সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি নতুন শরণার্থী সংকটও তৈরি হতে পারে।
এদিকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান জেনারেল ব্র্যাড কুপারও জানান, টানা হামলায় ইরানের অনেক সামরিক লক্ষ্যবস্তু ইতোমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন আরও অভিযান চালাতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে জড়াতে হবে, যার কৌশলগত লাভ খুবই সীমিত।
যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রকাশ্যে গোলাবারুদের ঘাটতির দাবি অস্বীকার করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশ্বের যেকোনো দেশের তুলনায় বেশি অস্ত্র ও গোলাবারুদ রয়েছে।
তবে বৈঠকের পর থেকে ইরানে নতুন কোনো মার্কিন বিমান হামলার খবর পাওয়া যায়নি। ফলে বিশ্লেষকদের প্রশ্ন—এটি কি কূটনীতির জন্য সাময়িক বিরতি, নাকি আরও বড় সামরিক অভিযানের আগে কৌশলগত প্রস্তুতি? এখন সেদিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

ডেস্ক রিপোর্ট 



















