ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলিতে যুবক নিহত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে অর্থায়নে আগ্রহী ৩ চীনা প্রতিষ্ঠান আর্জেন্টিনায় হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় দমকলকর্মী-পুলিশসহ প্রাণ গেল ৭ জনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পে হবে ১ লাখ ৮০ হাজার চাকরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা না বাড়াতে পারলে জাতিকে বাঁচানো সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী কৃষকের ছেলে থেকে যেভাবে হয়ে ওঠেন চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাস ‘ডেভিড ইমন’ বিশ্বকাপের মালিকানা বিক্রির পরিকল্পনা: সমালোচনায় ফিফা সভাপতি এবার লোহিত সাগরে টোল বসানোর পরিকল্পনা ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহীদের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার ছেড়ে দেয়া উচিত মোদির, দেশের দায়িত্ব অন্য কাউকে দিন: অভিজিৎ দিপকে মিসরের গ্যাস বন্দরে বিস্ফোরণ, ছড়াচ্ছে যুদ্ধের উত্তাপ

পরকীয়ার অভিযোগে ধরা জামায়াত নেতা, বেধড়ক পিটুনি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৩:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধূর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগকে কেন্দ্র করে জামায়াতের এক স্থানীয় নেতাকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত ফারুক হোসেন প্যাদা ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি।

স্থানীয়দের দাবি, এক গৃহবধূর সঙ্গে ফারুক হোসেনের সম্পর্ক রয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে কয়েকজন তাকে আটক করে মারধর করেন। পরে খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন। তার দাবি, পূর্ববিরোধের জেরে কয়েকজন পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালিয়েছেন। এ সময় তার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষ্য, তার বিরুদ্ধে তোলা অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং তাকে সামাজিকভাবে হেয় করতেই এসব প্রচার করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত গৃহবধূর শাশুড়ির দাবি, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে তার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করতেন এবং টাকা-পয়সার প্রলোভন দেখাতেন। বিষয়টি নিয়ে আগে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও তিনি কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, মারামারির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ঘটনাটিকে ঘিরে উভয় পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে ভিন্ন ভিন্ন দাবি করেছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলিতে যুবক নিহত

পরকীয়ার অভিযোগে ধরা জামায়াত নেতা, বেধড়ক পিটুনি

আপডেট সময় ১১:৪৩:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধূর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগকে কেন্দ্র করে জামায়াতের এক স্থানীয় নেতাকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত ফারুক হোসেন প্যাদা ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি।

স্থানীয়দের দাবি, এক গৃহবধূর সঙ্গে ফারুক হোসেনের সম্পর্ক রয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে কয়েকজন তাকে আটক করে মারধর করেন। পরে খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন। তার দাবি, পূর্ববিরোধের জেরে কয়েকজন পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালিয়েছেন। এ সময় তার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষ্য, তার বিরুদ্ধে তোলা অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং তাকে সামাজিকভাবে হেয় করতেই এসব প্রচার করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, অভিযুক্ত গৃহবধূর শাশুড়ির দাবি, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে তার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করতেন এবং টাকা-পয়সার প্রলোভন দেখাতেন। বিষয়টি নিয়ে আগে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও তিনি কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, মারামারির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ঘটনাটিকে ঘিরে উভয় পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে ভিন্ন ভিন্ন দাবি করেছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়নি।