ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরকীয়ার অভিযোগে জামায়াত নেতাকে মারধর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

এবার পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় এক গৃহবধূর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগকে কেন্দ্র করে জামায়াতের এক স্থানীয় নেতাকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত ফারুক হোসেন প্যাদা ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, এক গৃহবধূর সঙ্গে ফারুক হোসেনের সম্পর্ক রয়েছে এমন অভিযোগ তুলে কয়েকজন তাকে আটক করে মারধর করেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন প্যাদা। তার দাবি, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজসহ মৃধা বাড়ির ৪৫ জন পূর্ববিরোধের জেরে তার ওপর হামলা চালিয়েছেন। এসময় তার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ফারুক বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আগে থেকেই তাদের সঙ্গে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করেই আমাকে পরিকল্পিতভাবে মারধর করা হয়েছে এবং আমার নামে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

অন্যদিকে অভিযুক্ত গৃহবধূর শাশুড়ি জাহানারা বেগমের দাবি, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে তার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করতেন এবং টাকাপয়সার প্রলোভন দেখাতেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও তিনি পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারামারির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পরকীয়ার অভিযোগে জামায়াত নেতাকে মারধর

আপডেট সময় ১০:১৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

এবার পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় এক গৃহবধূর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগকে কেন্দ্র করে জামায়াতের এক স্থানীয় নেতাকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত ফারুক হোসেন প্যাদা ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, এক গৃহবধূর সঙ্গে ফারুক হোসেনের সম্পর্ক রয়েছে এমন অভিযোগ তুলে কয়েকজন তাকে আটক করে মারধর করেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন প্যাদা। তার দাবি, স্থানীয় সাইদুল, পারভেজসহ মৃধা বাড়ির ৪৫ জন পূর্ববিরোধের জেরে তার ওপর হামলা চালিয়েছেন। এসময় তার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ফারুক বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আগে থেকেই তাদের সঙ্গে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করেই আমাকে পরিকল্পিতভাবে মারধর করা হয়েছে এবং আমার নামে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

অন্যদিকে অভিযুক্ত গৃহবধূর শাশুড়ি জাহানারা বেগমের দাবি, ফারুক দীর্ঘদিন ধরে তার পুত্রবধূকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করতেন এবং টাকাপয়সার প্রলোভন দেখাতেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও তিনি পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারামারির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।