ঢাকা , রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গ্যাস সংকটে ৩০০ কারখানা বন্ধ, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে: বিকেএমইএ সভাপতি রংপুরে সাবেক শিক্ষকের তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে ৪ জনের লাশ উদ্ধার খিলগাঁওয়ে হাসপাতালে আগুন রাশিয়ার অর্থনীতিতে হামলা, ইউক্রেনের ‘সংবেদনশীল খাতে’ পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি পুতিনের ফিফা আশিয়ান কাপে খেলবে বাংলাদেশ বিএনপির দুই নেতা সব পদ থেকে বহিষ্কার সিরিয়ায় ইসরায়েলি হামলার নেপথ্যে কী, জানালেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ‘বেডরুমে গোপন ক্যামেরা রেখেছিলেন স্ত্রী, ফুটেজ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা দাবি’ হত্যা করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর বিএসএফের হাতে ধরা ২ ভাই ‘আমার পুলাডারে তারা মাইরা ফেলাইছে, পুলাডারে মাটির ঘরে রাইখা আইলাম’

‘মব ভায়োলেন্স’ থামাতে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয় সেনাবাহিনী: আইএসপিআর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

এবার জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ ‘সহযোগিতা’ চাওয়ায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা সম্পৃক্ত হন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। আইএসপিআর জানায়, ‘শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব চেষ্টা অগ্রাহ্য’ হওয়ায় সেনাবাহিনী সেখানে ‘মব ভায়োলেন্স’ ঠেকাতে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতের এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য আহত হওয়ার তথ্যও দিয়েছে সংস্থাটি।

এদিন সন্ধ্যায় ঢাকার কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের একটি মিছিল যাওয়ার সময় উভয় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাত ৮টার দিকে কাকরাইলে দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেড়ে গেলে তারা সেনাবাহিনীর সহযোগিতা কামনা করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হয় এবং এতে কয়েকজন সদস্য আহত হন।’ আইএসপিআর জানায়, ‘ঘটনার শুরুতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে এবং নিজেদের মতপার্থক্য দূর করার অনুরোধ জানায়। কিন্তু অনুরোধ সত্ত্বেও কিছু নেতাকর্মী মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করে।

‘তারা সংগঠিতভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালায় এবং আনুমানিক রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিলের মাধ্যমে সহিংসতা আরও বৃদ্ধি করে। এ সময় তারা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেওয়ারও চেষ্টা চালায়।’ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘বিজয়নগর, নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় সাধারণ জনগণের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব চেষ্টা তারা অগ্রাহ্য করে। ফলে জননিরাপত্তা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়।’

আইএসপিআর জানায়, ‘সব ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরকারের এ সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করছে এবং জনমনে স্বস্তি ও নিরাপত্তা আনতে সব ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে প্রস্তুত রয়েছে। জননিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায়ে সেনাবাহিনী সর্বদা বদ্ধপরিকর।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস সংকটে ৩০০ কারখানা বন্ধ, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে: বিকেএমইএ সভাপতি

‘মব ভায়োলেন্স’ থামাতে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয় সেনাবাহিনী: আইএসপিআর

আপডেট সময় ১১:২৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

এবার জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ ‘সহযোগিতা’ চাওয়ায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা সম্পৃক্ত হন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। আইএসপিআর জানায়, ‘শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব চেষ্টা অগ্রাহ্য’ হওয়ায় সেনাবাহিনী সেখানে ‘মব ভায়োলেন্স’ ঠেকাতে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতের এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য আহত হওয়ার তথ্যও দিয়েছে সংস্থাটি।

এদিন সন্ধ্যায় ঢাকার কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের একটি মিছিল যাওয়ার সময় উভয় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাত ৮টার দিকে কাকরাইলে দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেড়ে গেলে তারা সেনাবাহিনীর সহযোগিতা কামনা করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হয় এবং এতে কয়েকজন সদস্য আহত হন।’ আইএসপিআর জানায়, ‘ঘটনার শুরুতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে এবং নিজেদের মতপার্থক্য দূর করার অনুরোধ জানায়। কিন্তু অনুরোধ সত্ত্বেও কিছু নেতাকর্মী মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করে।

‘তারা সংগঠিতভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালায় এবং আনুমানিক রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিলের মাধ্যমে সহিংসতা আরও বৃদ্ধি করে। এ সময় তারা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেওয়ারও চেষ্টা চালায়।’ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘বিজয়নগর, নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় সাধারণ জনগণের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব চেষ্টা তারা অগ্রাহ্য করে। ফলে জননিরাপত্তা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়।’

আইএসপিআর জানায়, ‘সব ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরকারের এ সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করছে এবং জনমনে স্বস্তি ও নিরাপত্তা আনতে সব ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে প্রস্তুত রয়েছে। জননিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায়ে সেনাবাহিনী সর্বদা বদ্ধপরিকর।’