ঢাকা , রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নৌকা খুঁজতে গেলে রুমিনের ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি সারোয়ার তুষারের ডেঙ্গুর ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে জাপানের সহযোগিতায় গবেষণা চলছে: ড. মঈন খান অস্ত্র রপ্তানি বাড়াতে পাকিস্তানের বড় প্রস্তুতি, লক্ষ্য এবার বিশ্ববাজার ক্রিকেট একাডেমিতে পিচ রোলারের নিচে পিষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু রাজধানীতে প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে অটোরিকশা, চলবে অভ্যন্তরীণ সড়কে ৮ জোনে বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না: রাষ্ট্রপতি মুসলিম বিশ্বকে প্রকৃত শত্রুর বিরুদ্ধে মোকাবিলার আহ্বান মুজতাবা খামেনির আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি’র শপথ গ্রহণ সম্পত্তি লিখে দিলেও শেষ বয়সে নিরাপত্তা হারাবেন না দাতা, আসছে নতুন আইন বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হচ্ছে গুম: প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীতে প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে অটোরিকশা, চলবে অভ্যন্তরীণ সড়কে ৮ জোনে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪০:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত ও ইলেকট্রিক অটোরিকশা চলাচল বন্ধ করার পরিকল্পনা করছে সরকার। তবে অভ্যন্তরীণ সড়কে চলাচলের জন্য সর্বোচ্চ চার যাত্রী বহনকারী ই-রিকশাকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে। ছয় যাত্রী বহনকারী কোনো ই-রিকশা ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে নিবন্ধন পাবে না।

রোববার সচিবালয়ে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের সঙ্গে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

তিনি জানান, ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে দ্রুতই এটি কার্যকর করা হবে। নীতিমালা কার্যকর হলে ই-রিকশা ও ইলেকট্রিক রিকশা একটি নির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার আওতায় আসবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বুয়েট, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা জেলা পর্যায়ের সরকারি পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল শাখার প্রত্যয়ন এবং ট্রাফিক বিভাগের ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো ই-রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে না।

ঢাকায় ই-রিকশা চলাচলের জন্য করা হবে আটটি জোন—উত্তর সিটিতে চারটি এবং দক্ষিণ সিটিতে চারটি। এক জোনের নিবন্ধিত ই-রিকশা অন্য জোনে যেতে পারবে না। কোন যান কোন রুটে চলবে, তা সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে নির্ধারণ করবে। থাকবে জিও-ফেন্সিং ব্যবস্থাও।

এদিকে ই-রিকশার চার্জিং পয়েন্টও নিবন্ধনের আওতায় আসবে। পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শুধু যান নয়, ই-রিকশা তৈরির কারখানাগুলোকেও নীতিমালার আওতায় আনা হবে। বুয়েট বা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী উৎপাদন এবং সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মেইন রোডে ই-রিকশা আমরা চলতে দেব না। আমরা ৮টি জোন করে তাদের অভ্যন্তরীণ রোডগুলোতে চলাচলের সুযোগ দেব।”

গ্রামীণ এলাকা ও জেলা শহরের গ্রামীণ সড়কে দুই, চার ও ছয় যাত্রী বহনকারী ই-রিকশা নিবন্ধনের সুযোগ থাকলেও ঢাকায় শুধু দুই ও চার যাত্রীর ই-রিকশা নিবন্ধন পাবে।

সরকারের আশা, নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে রাজধানীর যানজট ও সড়ক নিরাপত্তার পাশাপাশি অনিয়ন্ত্রিত ই-রিকশা চলাচলেও শৃঙ্খলা ফিরবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নৌকা খুঁজতে গেলে রুমিনের ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি সারোয়ার তুষারের

রাজধানীতে প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে অটোরিকশা, চলবে অভ্যন্তরীণ সড়কে ৮ জোনে

আপডেট সময় ০১:৪০:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর প্রধান সড়কে ব্যাটারিচালিত ও ইলেকট্রিক অটোরিকশা চলাচল বন্ধ করার পরিকল্পনা করছে সরকার। তবে অভ্যন্তরীণ সড়কে চলাচলের জন্য সর্বোচ্চ চার যাত্রী বহনকারী ই-রিকশাকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে। ছয় যাত্রী বহনকারী কোনো ই-রিকশা ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে নিবন্ধন পাবে না।

রোববার সচিবালয়ে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের সঙ্গে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

তিনি জানান, ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে দ্রুতই এটি কার্যকর করা হবে। নীতিমালা কার্যকর হলে ই-রিকশা ও ইলেকট্রিক রিকশা একটি নির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার আওতায় আসবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বুয়েট, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা জেলা পর্যায়ের সরকারি পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল শাখার প্রত্যয়ন এবং ট্রাফিক বিভাগের ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো ই-রিকশার নিবন্ধন দেওয়া হবে না।

ঢাকায় ই-রিকশা চলাচলের জন্য করা হবে আটটি জোন—উত্তর সিটিতে চারটি এবং দক্ষিণ সিটিতে চারটি। এক জোনের নিবন্ধিত ই-রিকশা অন্য জোনে যেতে পারবে না। কোন যান কোন রুটে চলবে, তা সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে নির্ধারণ করবে। থাকবে জিও-ফেন্সিং ব্যবস্থাও।

এদিকে ই-রিকশার চার্জিং পয়েন্টও নিবন্ধনের আওতায় আসবে। পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শুধু যান নয়, ই-রিকশা তৈরির কারখানাগুলোকেও নীতিমালার আওতায় আনা হবে। বুয়েট বা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী উৎপাদন এবং সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মেইন রোডে ই-রিকশা আমরা চলতে দেব না। আমরা ৮টি জোন করে তাদের অভ্যন্তরীণ রোডগুলোতে চলাচলের সুযোগ দেব।”

গ্রামীণ এলাকা ও জেলা শহরের গ্রামীণ সড়কে দুই, চার ও ছয় যাত্রী বহনকারী ই-রিকশা নিবন্ধনের সুযোগ থাকলেও ঢাকায় শুধু দুই ও চার যাত্রীর ই-রিকশা নিবন্ধন পাবে।

সরকারের আশা, নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে রাজধানীর যানজট ও সড়ক নিরাপত্তার পাশাপাশি অনিয়ন্ত্রিত ই-রিকশা চলাচলেও শৃঙ্খলা ফিরবে।