ঢাকা , রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নৌকা খুঁজতে গেলে রুমিনের ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি সারোয়ার তুষারের ডেঙ্গুর ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে জাপানের সহযোগিতায় গবেষণা চলছে: ড. মঈন খান অস্ত্র রপ্তানি বাড়াতে পাকিস্তানের বড় প্রস্তুতি, লক্ষ্য এবার বিশ্ববাজার ক্রিকেট একাডেমিতে পিচ রোলারের নিচে পিষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু রাজধানীতে প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে অটোরিকশা, চলবে অভ্যন্তরীণ সড়কে ৮ জোনে বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না: রাষ্ট্রপতি মুসলিম বিশ্বকে প্রকৃত শত্রুর বিরুদ্ধে মোকাবিলার আহ্বান মুজতাবা খামেনির আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি’র শপথ গ্রহণ সম্পত্তি লিখে দিলেও শেষ বয়সে নিরাপত্তা হারাবেন না দাতা, আসছে নতুন আইন বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হচ্ছে গুম: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না: রাষ্ট্রপতি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ রোববার বাংলাদেশচীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বললেন, এই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, কোনো মাকে সন্তানের জন্য কিংবা কোনো স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না। প্রতিটি গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধী সে যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি তাদের পেতেই হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ৩০ আগস্ট এমন একটি দিন, যা বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে জোরপূর্বক গুমের শিকার মানুষদের স্মরণ করার পাশাপাশি তাদের স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষা, বেদনা ও অনিশ্চয়তার কথা মনে করিয়ে দেয়। দিনের পর দিন, বছরের পর বছর সন্তান ও স্বজনের ফিরে আসার অপেক্ষায় থাকা মাবাবা, ভাইবোন এবং প্রিয়জনদের কথা স্মরণ করে তিনি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহমর্মিতা জানান।

গুমকে সাধারণ অপরাধ নয়, মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, গুম শুধু একজন মানুষকে কেড়ে নেয় না, কেড়ে নেয় প্রিয়জনদের হাসি, শান্তি, স্বপ্ন এবং অর্থনৈতিকসামাজিক স্থিতি। এটি একটি জঘন্য মানবাধিকার লঙ্ঘন। সংবিধান প্রত্যেক নাগরিকের জীবন, ব্যক্তি স্বাধীনতা, আইনের সুরক্ষা ও মানবিক মর্যাদার নিশ্চয়তা দিয়েছে। কিন্তু গুমের মাধ্যমে কার্যত এসব অধিকার একসঙ্গে লঙ্ঘন করা হয়।

গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য, গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্য, সাংবাদিক এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নৌকা খুঁজতে গেলে রুমিনের ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি সারোয়ার তুষারের

বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না: রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০১:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ রোববার বাংলাদেশচীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বললেন, এই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, কোনো মাকে সন্তানের জন্য কিংবা কোনো স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না। প্রতিটি গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধী সে যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি তাদের পেতেই হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ৩০ আগস্ট এমন একটি দিন, যা বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে জোরপূর্বক গুমের শিকার মানুষদের স্মরণ করার পাশাপাশি তাদের স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষা, বেদনা ও অনিশ্চয়তার কথা মনে করিয়ে দেয়। দিনের পর দিন, বছরের পর বছর সন্তান ও স্বজনের ফিরে আসার অপেক্ষায় থাকা মাবাবা, ভাইবোন এবং প্রিয়জনদের কথা স্মরণ করে তিনি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহমর্মিতা জানান।

গুমকে সাধারণ অপরাধ নয়, মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, গুম শুধু একজন মানুষকে কেড়ে নেয় না, কেড়ে নেয় প্রিয়জনদের হাসি, শান্তি, স্বপ্ন এবং অর্থনৈতিকসামাজিক স্থিতি। এটি একটি জঘন্য মানবাধিকার লঙ্ঘন। সংবিধান প্রত্যেক নাগরিকের জীবন, ব্যক্তি স্বাধীনতা, আইনের সুরক্ষা ও মানবিক মর্যাদার নিশ্চয়তা দিয়েছে। কিন্তু গুমের মাধ্যমে কার্যত এসব অধিকার একসঙ্গে লঙ্ঘন করা হয়।

গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য, গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্য, সাংবাদিক এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।