সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকলেও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশন সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
রোববার রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, জাপানসহ বিভিন্ন দেশের সহযোগিতায় ডেঙ্গুর ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা চলছে। তবে শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে।
তিনি বলেন, “আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। মানুষকে সচেতন হতে হবে। তেমনি টেকনিক্যাল সাপোর্ট সরকার দিয়ে যাবে।”
এ সময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, গতবারের তুলনায় এবার ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রায় অর্ধেক। সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও জনসচেতনতাকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “গতবারের চেয়ে ডেঙ্গু রোগী অর্ধেক। সরকারের নানা কার্যক্রম ও সচেতনতা এর প্রধান কারণ। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।”
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশের মধ্যে পিরোজপুরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল। সেখানে নারকেল ও সুপারি গাছের গোড়াতেও এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে।
এদিকে জানুয়ারি থেকে ডেঙ্গুতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। একই সময়ে প্রায় ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা, জনসচেতনতা এবং কার্যকর চিকিৎসাব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডেস্ক রিপোর্ট 




















