ঢাকা , রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নৌকা খুঁজতে গেলে রুমিনের ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি সারোয়ার তুষারের ডেঙ্গুর ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে জাপানের সহযোগিতায় গবেষণা চলছে: ড. মঈন খান অস্ত্র রপ্তানি বাড়াতে পাকিস্তানের বড় প্রস্তুতি, লক্ষ্য এবার বিশ্ববাজার ক্রিকেট একাডেমিতে পিচ রোলারের নিচে পিষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু রাজধানীতে প্রধান সড়কে নিষিদ্ধ হচ্ছে অটোরিকশা, চলবে অভ্যন্তরীণ সড়কে ৮ জোনে বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না: রাষ্ট্রপতি মুসলিম বিশ্বকে প্রকৃত শত্রুর বিরুদ্ধে মোকাবিলার আহ্বান মুজতাবা খামেনির আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি’র শপথ গ্রহণ সম্পত্তি লিখে দিলেও শেষ বয়সে নিরাপত্তা হারাবেন না দাতা, আসছে নতুন আইন বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হচ্ছে গুম: প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হচ্ছে গুম: প্রধানমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:০৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

গুম বা এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্সকে বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর একটি এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার প্রতিটি গুমের ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে।

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বাণীটি প্রকাশ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুম শুধু একজন মানুষের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া নয়; এর সঙ্গে একটি পরিবারের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা ও ভবিষ্যৎও থমকে যায়। গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনরা বছরের পর বছর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটান। তারা প্রিয়জনের অপেক্ষায় থাকলেও স্বাভাবিকভাবে শোক প্রকাশের সুযোগটুকুও পান না।

বাণীতে তিনি অভিযোগ করেন, পতিত আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক অধিকার ও ভিন্নমত দমনে গুম-অপহরণের পথ বেছে নিয়েছিল। এ জন্য তৈরি করা হয়েছিল গোপন বন্দিশালা, যা ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিতি পায়।

দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থার হিসাব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যবহার করে কমপক্ষে সাত শতাধিক মানুষকে গুম করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ফিরে এলেও ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলমসহ অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

গুম প্রতিরোধে আইনি কাঠামো তৈরির কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে ইতোমধ্যে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ এবং ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে যাতে কেউ গুম কিংবা অপহরণের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ করার সাহস না পায়, সে জন্য কার্যকর আইন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে।

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘ভিকটিমস ফার্স্ট, অ্যাকশনস নাউ’ উল্লেখ করে তিনি গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিচার এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বিশ্বব্যাপী ঐক্যের আহ্বান জানান।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নৌকা খুঁজতে গেলে রুমিনের ‘হাঁস’ খেয়ে ফেলার হুঁশিয়ারি সারোয়ার তুষারের

বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর হচ্ছে গুম: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:০৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

গুম বা এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্সকে বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর একটি এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার প্রতিটি গুমের ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে।

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বাণীটি প্রকাশ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুম শুধু একজন মানুষের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া নয়; এর সঙ্গে একটি পরিবারের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা ও ভবিষ্যৎও থমকে যায়। গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনরা বছরের পর বছর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটান। তারা প্রিয়জনের অপেক্ষায় থাকলেও স্বাভাবিকভাবে শোক প্রকাশের সুযোগটুকুও পান না।

বাণীতে তিনি অভিযোগ করেন, পতিত আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক অধিকার ও ভিন্নমত দমনে গুম-অপহরণের পথ বেছে নিয়েছিল। এ জন্য তৈরি করা হয়েছিল গোপন বন্দিশালা, যা ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিতি পায়।

দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থার হিসাব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যবহার করে কমপক্ষে সাত শতাধিক মানুষকে গুম করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ফিরে এলেও ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলমসহ অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

গুম প্রতিরোধে আইনি কাঠামো তৈরির কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে ইতোমধ্যে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ এবং ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে যাতে কেউ গুম কিংবা অপহরণের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ করার সাহস না পায়, সে জন্য কার্যকর আইন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে।

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘ভিকটিমস ফার্স্ট, অ্যাকশনস নাউ’ উল্লেখ করে তিনি গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিচার এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বিশ্বব্যাপী ঐক্যের আহ্বান জানান।