ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানের হত্যা তালিকায় আমিই এক নম্বরে: ট্রাম্প বন্ধ কলকারখানা চালু করে ফের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী কোয়ার্টার ফাইনালে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে ১৮ ফুটবলার ‘হামলা করলে পালটা আঘাত পাবে’, যুক্তরাষ্ট্রকে গালিবাফের হুঁশিয়ারি বান্দরবানে পাহাড়ধস, ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুসহ ৫ জনের প্রাণহানি ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ মিসরের, শাস্তির মুখে পড়তে পারেন কোচ হোসাম প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ ও বন্ধু বিবেচনায় বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে: রাশেদ একযোগে কুয়েত ও বাহরাইনে হামলা চালাল ইরান ইরানের হামলার জবাবে ২০ গুণ বেশি শক্তি দিয়ে পাল্টা হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প মরক্কোর বিপক্ষে লড়াই, রেফারির নয়: ফ্রান্স কোচ

জনগণ বিএনপি-জামায়াতকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না: নুর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫১:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫
  • ৫২০ বার পড়া হয়েছে

এবার নতুন বাংলাদেশে জনগণ বিএনপি-জামায়াত কাউকেই ক্ষমতায় দেখতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। সোমবার (১১ আগস্ট) বিকেলে রাজশাহী নগরীর বাটার মোড়ে এক গণসমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এদিকে নুরুল হক নুর বলেন, ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ পেলেও গত এক বছরে বাংলাদেশে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন লক্ষ্য করিনি। দেশে এখনো পুরনো ফ্যাসিবাদী রাজনীতি চালু রয়েছে। ফ্যাসিবাদ আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের বীজ রোপিত হয়েছিল ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনের মাধ্যমে।

তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মূল শক্তিই ছিল ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলন। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে জনগণ বিএনপি-জামায়াত কাউকেই ক্ষমতায় দেখতে চায় না। আগামীর সম্ভাবনাময় বাংলাদেশে তরুণরাই শক্তি। এই তরুণদের হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ।

পিআর পদ্ধতির গুরুত্ব তুলে ধরে নুরুল হক নুর বলেন, উচ্চকক্ষে যদি আনুপাতিক হারে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়, প্রায় সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব উচ্চকক্ষে থাকবে। একটি কার্যকর পার্লামেন্ট হবে। সেজন্য আমরা বলেছি, নিম্নকক্ষে না হলেও উচ্চকক্ষে আগামী নির্বাচন এবং আগামীর সংসদেই যেন পিআর পদ্ধতিতে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়।

৪৮ শতাংশ ভোটার এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি উল্লেখ করে ডাকসুর সাবেক ভিপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, বায়তুল মোকাররমের খতিব সব একযোগে পালাইছে। এই উদাহরণ থাকার পরও যদি কারও শিক্ষা না হয়, তাহলে তাদের জন্যও ভবিষ্যতে নির্মম পরিণতি অপেক্ষা করছে। তাই আমরা সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের বলতে চাই, দেশের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে। ৪৮ শতাংশ মানুষ সিদ্ধান্ত নেয়নি তারা কাকে ভোট দেবে। কাজেই ১০টা হোন্ডা, ২০টা গুন্ডার ভয় দেখিয়ে, প্রশাসন দিয়ে ভোটকেন্দ্র দখল করে কেউ এমপি হবেন, মন্ত্রী হবেন, সরকার গঠন করবেন; সেই ইতিহাস ভুলে যান। আগের দিন নাই।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের হত্যা তালিকায় আমিই এক নম্বরে: ট্রাম্প

জনগণ বিএনপি-জামায়াতকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না: নুর

আপডেট সময় ১১:৫১:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

এবার নতুন বাংলাদেশে জনগণ বিএনপি-জামায়াত কাউকেই ক্ষমতায় দেখতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। সোমবার (১১ আগস্ট) বিকেলে রাজশাহী নগরীর বাটার মোড়ে এক গণসমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এদিকে নুরুল হক নুর বলেন, ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ পেলেও গত এক বছরে বাংলাদেশে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন লক্ষ্য করিনি। দেশে এখনো পুরনো ফ্যাসিবাদী রাজনীতি চালু রয়েছে। ফ্যাসিবাদ আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের বীজ রোপিত হয়েছিল ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনের মাধ্যমে।

তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মূল শক্তিই ছিল ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলন। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে জনগণ বিএনপি-জামায়াত কাউকেই ক্ষমতায় দেখতে চায় না। আগামীর সম্ভাবনাময় বাংলাদেশে তরুণরাই শক্তি। এই তরুণদের হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ।

পিআর পদ্ধতির গুরুত্ব তুলে ধরে নুরুল হক নুর বলেন, উচ্চকক্ষে যদি আনুপাতিক হারে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়, প্রায় সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব উচ্চকক্ষে থাকবে। একটি কার্যকর পার্লামেন্ট হবে। সেজন্য আমরা বলেছি, নিম্নকক্ষে না হলেও উচ্চকক্ষে আগামী নির্বাচন এবং আগামীর সংসদেই যেন পিআর পদ্ধতিতে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়।

৪৮ শতাংশ ভোটার এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি উল্লেখ করে ডাকসুর সাবেক ভিপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, বায়তুল মোকাররমের খতিব সব একযোগে পালাইছে। এই উদাহরণ থাকার পরও যদি কারও শিক্ষা না হয়, তাহলে তাদের জন্যও ভবিষ্যতে নির্মম পরিণতি অপেক্ষা করছে। তাই আমরা সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের বলতে চাই, দেশের মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে। ৪৮ শতাংশ মানুষ সিদ্ধান্ত নেয়নি তারা কাকে ভোট দেবে। কাজেই ১০টা হোন্ডা, ২০টা গুন্ডার ভয় দেখিয়ে, প্রশাসন দিয়ে ভোটকেন্দ্র দখল করে কেউ এমপি হবেন, মন্ত্রী হবেন, সরকার গঠন করবেন; সেই ইতিহাস ভুলে যান। আগের দিন নাই।