ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাবিতে অবৈধ ব্যবসা ও মাদকসেবীদের পক্ষ নিলেন উমামা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:২৫:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
  • ১০৫৫ বার পড়া হয়েছে

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে ভবঘুরে ও উদ্বাস্তু সরানো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হওয়া আলোচনার মধ্যে প্রশ্ন তুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক উমামা ফাতেমা।

তিনি বলেছেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কি শিক্ষার্থীরাই শুধু নাগরিকের মর্যাদা পাবে? বাকিদের কোনো নাগরিক অধিকার নাই? এই ধরনের জমিদারি মানসিকতাই তো ফ্যাসিবাদ।’

আজ রোববার (২৬ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে ভবঘুরে ও উদ্বাস্তু সরানোর একটি ভিডিও শেয়ার করেন উমামা ফাতেমা, যেখানে একজনকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতে দেখা যায়।

ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘ক্যাম্পাস থেকে ভবঘুরে, উদ্বাস্তু সরানোর জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোলাবোরেশন করে কাজ করা উচিত। রাস্তাঘাটে মানুষকে মারধর করে তো লাভ নাই, জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে তারা মারধরে অভ্যস্ত।’

এই ঘটনাটি ঘিরে শিক্ষার্থী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে সমালোচনা চলছে। অনেকে বিষয়টি মানবিক ও সাংবিধানিক অধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে দেখছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাবিতে অবৈধ ব্যবসা ও মাদকসেবীদের পক্ষ নিলেন উমামা

আপডেট সময় ০৫:২৫:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে ভবঘুরে ও উদ্বাস্তু সরানো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হওয়া আলোচনার মধ্যে প্রশ্ন তুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক উমামা ফাতেমা।

তিনি বলেছেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কি শিক্ষার্থীরাই শুধু নাগরিকের মর্যাদা পাবে? বাকিদের কোনো নাগরিক অধিকার নাই? এই ধরনের জমিদারি মানসিকতাই তো ফ্যাসিবাদ।’

আজ রোববার (২৬ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে ভবঘুরে ও উদ্বাস্তু সরানোর একটি ভিডিও শেয়ার করেন উমামা ফাতেমা, যেখানে একজনকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতে দেখা যায়।

ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘ক্যাম্পাস থেকে ভবঘুরে, উদ্বাস্তু সরানোর জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোলাবোরেশন করে কাজ করা উচিত। রাস্তাঘাটে মানুষকে মারধর করে তো লাভ নাই, জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে তারা মারধরে অভ্যস্ত।’

এই ঘটনাটি ঘিরে শিক্ষার্থী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে সমালোচনা চলছে। অনেকে বিষয়টি মানবিক ও সাংবিধানিক অধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে দেখছেন।