ঢাকা , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফেসবুকে চাঁদাবাজ বলায় ৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করলেন বিএনপি নেতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৪:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩৪০ বার পড়া হয়েছে

এবার গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচারের ঘটনায় আদালতে ৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছেন। মামলায় আফজাল হোসেন ও শহীদুল ইসলাম স্বপন নামে দুইজনকে আসামি করা হয়েছে। রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫ এ তিনি মামলাটি দায়ের করেন। ওই আদালতের বিচারক রাকিবুল ইসলাম মামলা আমলে নিয়ে কাশিমপুর থানা পুলিশকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আদেশ দেন। পরে শওকত হোসেন সরকার গাজীপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে করা অপপ্রচারের বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার বলেন, তার সাফল্য ও জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহলের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তাকে চাঁদাবাজ উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। মূলত তার ছেলের গাড়ির শোরুম থেকে গাড়ি কেনার টাকা লেনদেনের বিষয়টি গোপনে ভিডিও ধারণ করেন আফজাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি। পরে সেটি তার ফেসবুক আইডি থেকে চাঁদাবাজ উল্লেখ করে অপপ্রচার চালান। ষড়যন্ত্রকারীদের এ হীন অপপ্রচারের কারণে মানহানি হওয়ায় আদালতে তিনি ৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করেছেন। আদালতের মাধ্যমে তিনি ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শওকত হোসেন সরকার বলেন, তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ কুৎসা রটনার অংশ হিসেবে আফজাল, শহীদুল ইসলাম স্বপনসহ ষড়যন্ত্রকারীদের নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। চাঁদাবাজির যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাতে তিনি প্রার্থী হতে না পারেন সেজন্য এই অপপ্রচার। তবে সৎসাহস আছে বলেই তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে জমি দখলসহ আনা বিভিন্ন অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি।

এসময় শওকত হোসেন সরকারের আইনজীবী আব্দুস সালাম বলেন, শওকত হোসেন সরকার আদালতে ন্যায়বিচার পাওয়ার আশায় ৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অভিযুক্ত আফজাল হোসেন ও শহীদুল ইসলাম স্বপনকে আসামি করা হয়েছে। আদালতের বিচারক কাশিমপুর থানা পুলিশকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আদেশ দেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেসবুকে চাঁদাবাজ বলায় ৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করলেন বিএনপি নেতা

আপডেট সময় ১১:৩৪:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

এবার গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচারের ঘটনায় আদালতে ৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছেন। মামলায় আফজাল হোসেন ও শহীদুল ইসলাম স্বপন নামে দুইজনকে আসামি করা হয়েছে। রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫ এ তিনি মামলাটি দায়ের করেন। ওই আদালতের বিচারক রাকিবুল ইসলাম মামলা আমলে নিয়ে কাশিমপুর থানা পুলিশকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আদেশ দেন। পরে শওকত হোসেন সরকার গাজীপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে করা অপপ্রচারের বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার বলেন, তার সাফল্য ও জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহলের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে তাকে চাঁদাবাজ উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। মূলত তার ছেলের গাড়ির শোরুম থেকে গাড়ি কেনার টাকা লেনদেনের বিষয়টি গোপনে ভিডিও ধারণ করেন আফজাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি। পরে সেটি তার ফেসবুক আইডি থেকে চাঁদাবাজ উল্লেখ করে অপপ্রচার চালান। ষড়যন্ত্রকারীদের এ হীন অপপ্রচারের কারণে মানহানি হওয়ায় আদালতে তিনি ৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করেছেন। আদালতের মাধ্যমে তিনি ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শওকত হোসেন সরকার বলেন, তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ কুৎসা রটনার অংশ হিসেবে আফজাল, শহীদুল ইসলাম স্বপনসহ ষড়যন্ত্রকারীদের নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। চাঁদাবাজির যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাতে তিনি প্রার্থী হতে না পারেন সেজন্য এই অপপ্রচার। তবে সৎসাহস আছে বলেই তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে জমি দখলসহ আনা বিভিন্ন অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি।

এসময় শওকত হোসেন সরকারের আইনজীবী আব্দুস সালাম বলেন, শওকত হোসেন সরকার আদালতে ন্যায়বিচার পাওয়ার আশায় ৫০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় অভিযুক্ত আফজাল হোসেন ও শহীদুল ইসলাম স্বপনকে আসামি করা হয়েছে। আদালতের বিচারক কাশিমপুর থানা পুলিশকে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আদেশ দেন।