ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিস্তির টাকা না পেয়ে হাঁস নিয়ে গেলেন এনজিও কর্মী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:১৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৪৪ বার পড়া হয়েছে

 

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় টিএমএসএস এনজিওর কিস্তির টাকা দিতে না পারায় গৃহস্থের একটি চীনাহাঁস নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক মাঠকর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী গ্রামে।

জানা যায়, ফুল্লশ্রী গ্রামের মুরাদ হোসেনের স্ত্রী হাফিজা খানম চলতি বছরের প্রথম দিকে টিএমএসএস থেকে ৬০ হাজার টাকা ঋণ নেন এবং নিয়মিত সাপ্তাহিক ১ হাজার ২৫০ টাকা করে কিস্তি পরিশোধ করছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে মাঠকর্মী ফিরোজ খান কিস্তির টাকা নিতে গেলে হাফিজা খানম পরে টাকা দেবেন জানান। এসময় তিনি টাকার বদলে হাঁস দাবি করেন।

হাফিজা প্রতিবেশীর বাড়িতে চলে গেলে ফিরোজ খান ও তাঁর সহযোগী বাড়ির উঠান থেকে একটি চীনাহাঁস ধরে নিয়ে যান। হাফিজার দাবি, “মেয়ের শখের হাঁসটি নিয়ে গেছে। দাম এক হাজার ৫–৬ শত টাকা হবে।”

এনজিও সমন্বয় পরিষদের সভাপতি কাজল দাস গুপ্ত জানান, টিএমএসএস তাঁদের আওতাভুক্ত না হলেও কোনো এনজিওই কিস্তির পরিবর্তে গ্রাহকের বাড়ি থেকে জিনিস নেওয়ার অধিকার রাখে না। একই মত প্রকাশ করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তপন বিশ্বাস।

অভিযুক্ত মাঠকর্মী ফিরোজ খান হাঁস নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কিস্তির টাকা না পেয়ে হাঁস নিয়ে গেলেন এনজিও কর্মী

আপডেট সময় ১১:১৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

 

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় টিএমএসএস এনজিওর কিস্তির টাকা দিতে না পারায় গৃহস্থের একটি চীনাহাঁস নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক মাঠকর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী গ্রামে।

জানা যায়, ফুল্লশ্রী গ্রামের মুরাদ হোসেনের স্ত্রী হাফিজা খানম চলতি বছরের প্রথম দিকে টিএমএসএস থেকে ৬০ হাজার টাকা ঋণ নেন এবং নিয়মিত সাপ্তাহিক ১ হাজার ২৫০ টাকা করে কিস্তি পরিশোধ করছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে মাঠকর্মী ফিরোজ খান কিস্তির টাকা নিতে গেলে হাফিজা খানম পরে টাকা দেবেন জানান। এসময় তিনি টাকার বদলে হাঁস দাবি করেন।

হাফিজা প্রতিবেশীর বাড়িতে চলে গেলে ফিরোজ খান ও তাঁর সহযোগী বাড়ির উঠান থেকে একটি চীনাহাঁস ধরে নিয়ে যান। হাফিজার দাবি, “মেয়ের শখের হাঁসটি নিয়ে গেছে। দাম এক হাজার ৫–৬ শত টাকা হবে।”

এনজিও সমন্বয় পরিষদের সভাপতি কাজল দাস গুপ্ত জানান, টিএমএসএস তাঁদের আওতাভুক্ত না হলেও কোনো এনজিওই কিস্তির পরিবর্তে গ্রাহকের বাড়ি থেকে জিনিস নেওয়ার অধিকার রাখে না। একই মত প্রকাশ করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তপন বিশ্বাস।

অভিযুক্ত মাঠকর্মী ফিরোজ খান হাঁস নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।