ঢাকা , সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১৯ ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ, দায়িত্ব পেলেন সরকারি কর্মকর্তারা রাজধানীতে এক লরি চাপা দিলো কয়েকটি গাড়িকে, নিহত ২ সরকার পতন চাই না, আমরা চাই সরকার যেন ফ্যাসিস্ট হয়ে না ওঠে: মামুনুল অনেকে ২৯ বছর বয়সেই রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে ব্যাকুল: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী সম্পত্তি ভাগের পর মায়ের ঠাঁই হলো জরাজীর্ণ ঘরে, পায়ে শিকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রয়াত প্রতিমন্ত্রীর বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ছাত্রীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগ, তোপের মুখে পুলিশি পাহারায় স্কুল ছাড়লেন প্রধান শিক্ষক দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী শিশু হত্যা মামলায় জামিনে বেরিয়ে গৃহকর্ত্রীকে খুন, কে এই লাইলী অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নে বাধা, ‘ভাইরাল মিজান’ গ্রেপ্তার

এবার ইরান যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অবস্থান নিল মার্কিন সিনেট

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪০:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ১১৫ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি নির্দেশমূলক একটি বিল পাস করেছে মার্কিন সিনেট। সেখানে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) ৫০৪৮ ভোটে বিলটি পাস হয়। এর আগে, এই মাসের শুরুর দিকে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদেও (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) বিলটি পাস হয়েছিল। এর মাধ্যমে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির সদস্যদের একাংশের মধ্যে চলমান এই অজনপ্রিয় যুদ্ধ নিয়ে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ ও উদ্বেগের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠল।

এতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার প্রস্তাবটি ৫০৪৮ ভোটে পাস হয়েছে। এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে এটি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে অনুমোদিত হয়েছিল। সিনেটে বর্তমানে রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ অবস্থানে রয়েছেন। তবে তাদের মধ্যে চার রক্ষণশীল দলের বাইরে গিয়ে এ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। অর একজন বাদে বাকি সব ডেমোক্রেট সদস্যরা এতে সমর্থন জানান। মার্কিন ইতিহাসে প্রথমবারের মতো যুদ্ধসংক্রান্ত প্রস্তাব কংগ্রেসের উভয় কক্ষে সফলভাবে পাস হয়েছে। যদিও এটি মূলত একটি প্রতীকী পদক্ষেপ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ ধারণা করা হচ্ছে, এ প্রস্তাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেটো দেবেন।

দলের বাইরে গিয়ে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেওয়া চার চার রিপাবলিকান হলেন লুইসিয়ানার বিল কাসিডি, আলাস্কার লিসা মুরকোস্কি, মেইনের সুসান কলিন্স এবং কেনটাকির র‍্যান্ড পল। এছাড়া কেনটাকির মিচ ম্যাককনেল এবং পেনসিলভেনিয়ার ডেভ ম্যাককরমিক নামের দুজন রিপাবলিকান ভোট দেননি। ডেমোক্রেট নেতা চাক শুমার বলেন, বছরের পর বছর ধরে ট্রাম্প ইরানের ওপরসর্বোচ্চ চাপদেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি এই বিপর্যয়কর যুদ্ধের মাধ্যমে আমেরিকান জনগণের জন্য কেবল সর্বোচ্চ বিভ্রান্তি, বিশৃঙ্খলা এবং সর্বোচ্চ ক্ষয়ক্ষতি বয়ে এনেছেন।

তিনি বলেন, ট্রাম্পের এই ঐতিহাসিক ভুলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। এ ঘটনা আমেরিকার ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট পদক্ষেপ হিসেবে ইতিহাসে লেখা থাকবে। যুদ্ধ সংক্রান্ত এ প্রস্তাবে ইরানের বিরুদ্ধে শত্রুতা বন্ধ করে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেসের অনুমোদন পেলে ট্রাম্প ইরানে সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্রদের ওপরআসন্ন কোনো হামলাপ্রতিরোধের জন্য সীমিত সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আইডাহোর রিপাবলিকান সিনেটর জেমস রিশ বলেন, এই প্রস্তাব পাস হলে সুইজারল্যান্ডে চলমান আলোচনায় ট্রাম্পের অবস্থান দুর্বল হবে। এটি পাস হলে ইরানিরা আলোচনা ছেড়ে উঠে যাবে। তারা বলবে কংগ্রেস প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে। আমরা যা খুশি করতে পারি। এদিকে বার্তাসংস্থা রয়টার্স এবং ইপসোসের মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ২৪ শতাংশ আমেরিকান এই যুদ্ধকে যৌক্তিক মনে করেছেন। সূত্র: আলজাজিরা

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১৯ ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ, দায়িত্ব পেলেন সরকারি কর্মকর্তারা

এবার ইরান যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অবস্থান নিল মার্কিন সিনেট

আপডেট সময় ০৯:৪০:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

এবার ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি নির্দেশমূলক একটি বিল পাস করেছে মার্কিন সিনেট। সেখানে ট্রাম্পের ক্ষমতা সীমিত করতে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) ৫০৪৮ ভোটে বিলটি পাস হয়। এর আগে, এই মাসের শুরুর দিকে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদেও (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) বিলটি পাস হয়েছিল। এর মাধ্যমে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির সদস্যদের একাংশের মধ্যে চলমান এই অজনপ্রিয় যুদ্ধ নিয়ে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ ও উদ্বেগের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠল।

এতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার প্রস্তাবটি ৫০৪৮ ভোটে পাস হয়েছে। এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে এটি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে অনুমোদিত হয়েছিল। সিনেটে বর্তমানে রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ অবস্থানে রয়েছেন। তবে তাদের মধ্যে চার রক্ষণশীল দলের বাইরে গিয়ে এ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। অর একজন বাদে বাকি সব ডেমোক্রেট সদস্যরা এতে সমর্থন জানান। মার্কিন ইতিহাসে প্রথমবারের মতো যুদ্ধসংক্রান্ত প্রস্তাব কংগ্রেসের উভয় কক্ষে সফলভাবে পাস হয়েছে। যদিও এটি মূলত একটি প্রতীকী পদক্ষেপ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ ধারণা করা হচ্ছে, এ প্রস্তাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেটো দেবেন।

দলের বাইরে গিয়ে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেওয়া চার চার রিপাবলিকান হলেন লুইসিয়ানার বিল কাসিডি, আলাস্কার লিসা মুরকোস্কি, মেইনের সুসান কলিন্স এবং কেনটাকির র‍্যান্ড পল। এছাড়া কেনটাকির মিচ ম্যাককনেল এবং পেনসিলভেনিয়ার ডেভ ম্যাককরমিক নামের দুজন রিপাবলিকান ভোট দেননি। ডেমোক্রেট নেতা চাক শুমার বলেন, বছরের পর বছর ধরে ট্রাম্প ইরানের ওপরসর্বোচ্চ চাপদেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি এই বিপর্যয়কর যুদ্ধের মাধ্যমে আমেরিকান জনগণের জন্য কেবল সর্বোচ্চ বিভ্রান্তি, বিশৃঙ্খলা এবং সর্বোচ্চ ক্ষয়ক্ষতি বয়ে এনেছেন।

তিনি বলেন, ট্রাম্পের এই ঐতিহাসিক ভুলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। এ ঘটনা আমেরিকার ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট পদক্ষেপ হিসেবে ইতিহাসে লেখা থাকবে। যুদ্ধ সংক্রান্ত এ প্রস্তাবে ইরানের বিরুদ্ধে শত্রুতা বন্ধ করে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেসের অনুমোদন পেলে ট্রাম্প ইরানে সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র বা তার মিত্রদের ওপরআসন্ন কোনো হামলাপ্রতিরোধের জন্য সীমিত সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আইডাহোর রিপাবলিকান সিনেটর জেমস রিশ বলেন, এই প্রস্তাব পাস হলে সুইজারল্যান্ডে চলমান আলোচনায় ট্রাম্পের অবস্থান দুর্বল হবে। এটি পাস হলে ইরানিরা আলোচনা ছেড়ে উঠে যাবে। তারা বলবে কংগ্রেস প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে। আমরা যা খুশি করতে পারি। এদিকে বার্তাসংস্থা রয়টার্স এবং ইপসোসের মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ২৪ শতাংশ আমেরিকান এই যুদ্ধকে যৌক্তিক মনে করেছেন। সূত্র: আলজাজিরা