ঢাকা , শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খামেনির শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে ‘আমেরিকার ধ্বংস’ আর ‘প্রতিশোধের’ স্লোগান জামায়াতের মধ্যে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা একটি নেয়ামত, যা অন্য কোনো সংগঠনে নেই: ডা. শফিকুর রহমান ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচের সময় বদলের গুঞ্জন, জানাল ফিফা বৈরি আবহাওয়ার আশঙ্কা, ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচের সময় পরিবর্তন নিয়ে যে সিদ্ধান্ত নিলো ফিফা তারেক রহমানকে ১০ বছর সময় দিতে হবে, কোনো কথা চলবে না: জুলাই যোদ্ধা শাহিন ‘জেন জি অলস, ওদের ইরান পাঠিয়ে দেওয়া উচিত’ রাজধানীর চকবাজারের আশিক টাওয়ারে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট শাওন কি শেখ হাসিনার চেয়েও পাওয়ারফুল?: প্রধানমন্ত্রীর সামনেই প্রশ্ন ছাত্রদল নেতার কাল আমিরের তৃতীয় বিয়ে, অতিথি তালিকায় ২ প্রাক্তন স্ত্রী আওয়ামী লীগ আর কোনোদিন বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৩ মিনিটের বক্তৃতায় বাণিজ্যমন্ত্রীকে ৮৬ বার ‘স্যার’, আলোচনায় কৃষি কর্মকর্তা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

মাত্র তিন মিনিটের একটি বক্তব্য। আর সেই অল্প সময়েই বাণিজ্যমন্ত্রীকে ৮৬ বার ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন সিলেট সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শওকত জামিল।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সিলেট সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে বহুমুখী সরকারি অনুদান, পুরস্কার ও বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

স্বাগত বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রায় তিন মিনিট ধরে কথা বলেন শওকত জামিল। তবে বক্তব্যের বিষয়বস্তুর চেয়ে বেশি আলোচনায় আসে তার সম্বোধনের ধরন। বক্তব্যের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি বাক্যেই তিনি মন্ত্রীকে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করেন। পরে সেই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়াও ছিল মিশ্র। কেউ এটিকে অতিরিক্ত তোষামোদ হিসেবে মন্তব্য করেছেন। আবার অনেকে সরকারি কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের ধরন ও ভাষা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

তবে সমালোচনার জবাবে কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শওকত জামিল বলেন, বিষয়টি ইচ্ছাকৃত ছিল না। তার ভাষায়, ‘স্যার’ বলা তার দীর্ঘদিনের অভ্যাস এবং এটি কেবল একজন সিনিয়র কর্মকর্তার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অংশ।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি সবসময় অগ্রজ ও সিনিয়রদের এভাবেই সম্বোধন করি। বক্তব্যের সময় অভ্যাসবশত শব্দটি বারবার এসেছে। এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। আমার উদ্দেশ্য ছিল শুধু সম্মান জানানো।’

তবে ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা এখনো থামেনি। মাত্র তিন মিনিটের একটি বক্তব্য কীভাবে এতটা আলোচনার জন্ম দিতে পারে, সেটিই এখন অনেকের কৌতূহলের বিষয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খামেনির শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে ‘আমেরিকার ধ্বংস’ আর ‘প্রতিশোধের’ স্লোগান

৩ মিনিটের বক্তৃতায় বাণিজ্যমন্ত্রীকে ৮৬ বার ‘স্যার’, আলোচনায় কৃষি কর্মকর্তা

আপডেট সময় ০১:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

মাত্র তিন মিনিটের একটি বক্তব্য। আর সেই অল্প সময়েই বাণিজ্যমন্ত্রীকে ৮৬ বার ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন সিলেট সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শওকত জামিল।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সিলেট সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে বহুমুখী সরকারি অনুদান, পুরস্কার ও বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

স্বাগত বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রায় তিন মিনিট ধরে কথা বলেন শওকত জামিল। তবে বক্তব্যের বিষয়বস্তুর চেয়ে বেশি আলোচনায় আসে তার সম্বোধনের ধরন। বক্তব্যের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি বাক্যেই তিনি মন্ত্রীকে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করেন। পরে সেই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়াও ছিল মিশ্র। কেউ এটিকে অতিরিক্ত তোষামোদ হিসেবে মন্তব্য করেছেন। আবার অনেকে সরকারি কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের ধরন ও ভাষা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

তবে সমালোচনার জবাবে কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ শওকত জামিল বলেন, বিষয়টি ইচ্ছাকৃত ছিল না। তার ভাষায়, ‘স্যার’ বলা তার দীর্ঘদিনের অভ্যাস এবং এটি কেবল একজন সিনিয়র কর্মকর্তার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অংশ।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি সবসময় অগ্রজ ও সিনিয়রদের এভাবেই সম্বোধন করি। বক্তব্যের সময় অভ্যাসবশত শব্দটি বারবার এসেছে। এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। আমার উদ্দেশ্য ছিল শুধু সম্মান জানানো।’

তবে ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা এখনো থামেনি। মাত্র তিন মিনিটের একটি বক্তব্য কীভাবে এতটা আলোচনার জন্ম দিতে পারে, সেটিই এখন অনেকের কৌতূহলের বিষয়।