বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নাটকীয় এক ম্যাচে ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৩–২ ব্যবধানে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে মিশর। ম্যাচের শেষ ১৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের ব্যবধানে টানা তিন গোল করে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে লিওনেল মেসির দল। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। তার দাবি, ম্যাচটি ছিল সম্পূর্ণ কারচুপির শিকার এবং নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থে আর্জেন্টিনা ও মেসিকে বিশ্বকাপে রাখতে চায় ফিফা।
হোসাম হাসান বলেন, নিজেদের ব্যবসার জন্য ফিফা আর্জেন্টিনা ও মেসিকে রেখে দিতে চায়। যদি তারা আর্জেন্টিনার জয়ই চেয়ে থাকে, তাহলে অন্য দলগুলোকে অংশগ্রহণ করতে আহ্বান জানায় কেন? তিনি আরও বলেন, ম্যাচটি সম্পূর্ণ কারচুপি ছিল। পুরো বিশ্ব এটি দেখেছে। আমরা আর্জেন্টিনার চেয়ে ভালো খেলেছি। ফুটবল ন্যায্য ছিল না। রেফারিং নিয়েও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন মিশর কোচ। তার দাবি, ম্যাচের শেষ দিকে তাদের একটি স্পষ্ট পেনাল্টি প্রাপ্য ছিল, কিন্তু রেফারি সেটি দেননি। পাশাপাশি দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে জিকোর করা গোলটিও অন্যায়ভাবে বাতিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
হোসাম হাসান বলেন, আমরা পরিষ্কার একটি পেনাল্টি পাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু রেফারি সেটি দেননি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে জিকোর গোলটি বাতিল করা হয়, যদিও সেটি সম্পূর্ণ বৈধ ছিল। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলো বয়কট করার ঘোষণাও দেন মিশরের এই কোচ।
তিনি বলেন, আমি এই বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলো আর দেখব না। যদি ন্যায্যতা থাকে, তাহলে আমি আমার খেলোয়াড়দের বলেছি আমরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় দলের বিপক্ষেও লড়াই করতে পারি। তবে হোসাম হাসানের এসব অভিযোগের বিষয়ে ফিফা বা ম্যাচ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ডেস্ক রিপোর্ট 





















