ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চুক্তি করতে যোগাযোগ করেছে ইরান, ট্রাম্পের দাবি সমালোচনার মুখে নিজেকে ‘লুকিয়ে’ ফেললেন আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের রেফারি চাইলেই কেন ইরান যুদ্ধ থেকে বের হতে পারছেন না ট্রাম্প? ইরানের হত্যা তালিকায় আমিই এক নম্বরে: ট্রাম্প বন্ধ কলকারখানা চালু করে ফের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী কোয়ার্টার ফাইনালে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে ১৮ ফুটবলার ‘হামলা করলে পালটা আঘাত পাবে’, যুক্তরাষ্ট্রকে গালিবাফের হুঁশিয়ারি বান্দরবানে পাহাড়ধস, ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুসহ ৫ জনের প্রাণহানি ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ মিসরের, শাস্তির মুখে পড়তে পারেন কোচ হোসাম প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ ও বন্ধু বিবেচনায় বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চলছে: রাশেদ

একযোগে কুয়েত ও বাহরাইনে হামলা চালাল ইরান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, সর্বশেষ মার্কিন হামলার জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, তাদের নৌ ও বিমানবাহিনী যৌথভাবে এই হামলা পরিচালনা করেছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান ও আলি আল সালেম এয়ার বেস এবং বাহরাইনের শাইখ ইসা এয়ার বেস ও জুফাইর এলাকার মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

জুফাইরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর নেভাল সাপোর্ট অ্যাক্টিভিটি অবস্থিত, যা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর প্রধান ঘাঁটি এবং এখানেই মার্কিন ফিফথ ফ্লিট মোতায়েন রয়েছে। আইআরজিসির দাবি, ইরানের দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকায় এবং পূর্বাঞ্চলের দুটি সেতুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই অভিযান চালানো হয়েছে।

এর আগে ইরান অভিযোগ করেছিল, তেহরানের উত্তরপূর্বে আককালা এলাকায় একটি রেলসেতুতে যুক্তরাষ্ট্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে ক্ষতিগ্রস্ত সেতুর দৃশ্য দেখা গেছে, যদিও এ বিষয়ে এখনো মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে কুয়েত ও বাহরাইনে সম্ভাব্য হামলার সতর্কতা হিসেবে সাইরেন বাজানো হয়। কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করতে সক্রিয় রয়েছে। আইআরজিসি আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও পাল্টা হামলা চালায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত অন্যান্য মার্কিন সামরিক ঘাঁটিও তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি এবং ইরানের দাবিও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চুক্তি করতে যোগাযোগ করেছে ইরান, ট্রাম্পের দাবি

একযোগে কুয়েত ও বাহরাইনে হামলা চালাল ইরান

আপডেট সময় ১০:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

এবার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, সর্বশেষ মার্কিন হামলার জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, তাদের নৌ ও বিমানবাহিনী যৌথভাবে এই হামলা পরিচালনা করেছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান ও আলি আল সালেম এয়ার বেস এবং বাহরাইনের শাইখ ইসা এয়ার বেস ও জুফাইর এলাকার মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

জুফাইরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর নেভাল সাপোর্ট অ্যাক্টিভিটি অবস্থিত, যা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর প্রধান ঘাঁটি এবং এখানেই মার্কিন ফিফথ ফ্লিট মোতায়েন রয়েছে। আইআরজিসির দাবি, ইরানের দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকায় এবং পূর্বাঞ্চলের দুটি সেতুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই অভিযান চালানো হয়েছে।

এর আগে ইরান অভিযোগ করেছিল, তেহরানের উত্তরপূর্বে আককালা এলাকায় একটি রেলসেতুতে যুক্তরাষ্ট্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে ক্ষতিগ্রস্ত সেতুর দৃশ্য দেখা গেছে, যদিও এ বিষয়ে এখনো মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে কুয়েত ও বাহরাইনে সম্ভাব্য হামলার সতর্কতা হিসেবে সাইরেন বাজানো হয়। কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করতে সক্রিয় রয়েছে। আইআরজিসি আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও পাল্টা হামলা চালায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত অন্যান্য মার্কিন সামরিক ঘাঁটিও তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি এবং ইরানের দাবিও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।