ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চাইলেন জামায়াত এমপির ড্রাইভার শিক্ষার্থী আন্দোলনে নতুন পাঁচ দফা দাবি রাহুলের ধরা পড়ার আগে রোমান্টিক, ধরা পড়লে কয় বউ: তাহেরী একটি ম্যাচ দিয়ে তার মতো কিংবদন্তির ক্যারিয়ারকে মূল্যায়ন করা অন্যায়: মেসির সমালোচকদের কড়া জবাব গাঙ্গুলির ইরান হামলায় ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিলেন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী ফাইনালিসিমা দিয়ে মেসির ‘বিদায়ী ম্যাচ’ খেলার প্রস্তাব স্পেনের অবসরের ইঙ্গিত দিলেন মার্টিনেজ স্বরাষ্ট্র ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৫ দাবি রাহুলের ইয়ামালের ছবি লাগানো ড্রোনে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের পর শিক্ষক মাথায় হাত দিয়ে বলেন ‘মনে করো তুমি স্বপ্ন দেখতেছ’

এবার জামায়াত এমপির অডিও ভাইরাল, বিতর্কে নতুন মোড়

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২০:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে চলমান বিতর্কে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। এরই মধ্যে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ে নিবন্ধনকারী কাজী বাকীবিল্লাহর একটি কথোপকথনের অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। অডিওতে তার দেওয়া কিছু বক্তব্য বিয়ের নিবন্ধন ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে নতুন করে নানা প্রশ্ন ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অডিওতে কাজী বাকীবিল্লাহকে বলতে শোনা যায়, কনের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ ফোনে প্রয়োজনীয় সম্মতি দেন। পরে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে মরিয়ম খাতুন ও তার অভিভাবক এসে কাবিননামায় স্বাক্ষর করেন। অর্থাৎ, কাবিননামায় বিয়ের তারিখ ১৭ জুলাই উল্লেখ থাকলেও স্বাক্ষর নেওয়া হয় ২১ জুলাই মঙ্গলবার। কনের নাম ও জন্ম তারিখের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কাজী দাবি করেন, প্রয়োজনীয় তথ্য তাকে ফোনে জানানো হয়েছিল এবং সেই তথ্য অনুযায়ীই কাবিননামা প্রস্তুত করা হয়। তিনি আরও বলেন, কনের বয়স ছিল ১৮ বছর ৩ মাস।

এর আগে ভাইরাল ভিডিও নিয়ে গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেছিলেন, ১৩ জুলাই প্রথম স্ত্রী, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন এবং মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে তার ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে তাদের জিম্মি করে টাকা আদায় করা হয় এবং গোপনে ধারণ করা ব্যক্তিগত ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে পরবর্তীতে প্রকাশিত একাধিক ভিডিওতে ঘটনাস্থল, কথোপকথন এবং ঘটনার বর্ণনা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য সামনে আসে।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের সম্মতিতে তিনি মরিয়ম খাতুনকে বিয়ে করেছেন। পরবর্তীতে প্রথম স্ত্রী, মরিয়ম খাতুন এবং মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ পৃথক ভিডিও বার্তায় ওই বিয়ের দাবির পক্ষে বক্তব্য দেন। সর্বশেষ কাজীর এই অডিও ক্লিপ প্রকাশের পর এমপির বিয়ের দাবি, কাবিননামার তারিখ এবং স্বাক্ষরের সময় নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে অডিওটির সত্যতা এবং কাজীর বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। 

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চাইলেন জামায়াত এমপির ড্রাইভার

এবার জামায়াত এমপির অডিও ভাইরাল, বিতর্কে নতুন মোড়

আপডেট সময় ১০:২০:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে চলমান বিতর্কে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। এরই মধ্যে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ে নিবন্ধনকারী কাজী বাকীবিল্লাহর একটি কথোপকথনের অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। অডিওতে তার দেওয়া কিছু বক্তব্য বিয়ের নিবন্ধন ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে নতুন করে নানা প্রশ্ন ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অডিওতে কাজী বাকীবিল্লাহকে বলতে শোনা যায়, কনের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ ফোনে প্রয়োজনীয় সম্মতি দেন। পরে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে মরিয়ম খাতুন ও তার অভিভাবক এসে কাবিননামায় স্বাক্ষর করেন। অর্থাৎ, কাবিননামায় বিয়ের তারিখ ১৭ জুলাই উল্লেখ থাকলেও স্বাক্ষর নেওয়া হয় ২১ জুলাই মঙ্গলবার। কনের নাম ও জন্ম তারিখের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কাজী দাবি করেন, প্রয়োজনীয় তথ্য তাকে ফোনে জানানো হয়েছিল এবং সেই তথ্য অনুযায়ীই কাবিননামা প্রস্তুত করা হয়। তিনি আরও বলেন, কনের বয়স ছিল ১৮ বছর ৩ মাস।

এর আগে ভাইরাল ভিডিও নিয়ে গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেছিলেন, ১৩ জুলাই প্রথম স্ত্রী, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুন এবং মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে তার ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে তাদের জিম্মি করে টাকা আদায় করা হয় এবং গোপনে ধারণ করা ব্যক্তিগত ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে পরবর্তীতে প্রকাশিত একাধিক ভিডিওতে ঘটনাস্থল, কথোপকথন এবং ঘটনার বর্ণনা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য সামনে আসে।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর গাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলামের সম্মতিতে তিনি মরিয়ম খাতুনকে বিয়ে করেছেন। পরবর্তীতে প্রথম স্ত্রী, মরিয়ম খাতুন এবং মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ পৃথক ভিডিও বার্তায় ওই বিয়ের দাবির পক্ষে বক্তব্য দেন। সর্বশেষ কাজীর এই অডিও ক্লিপ প্রকাশের পর এমপির বিয়ের দাবি, কাবিননামার তারিখ এবং স্বাক্ষরের সময় নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে অডিওটির সত্যতা এবং কাজীর বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।