ঢাকা , বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিয়ের পর প্রাক্তনের কোলে শুভশ্রী, ভক্তদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া হঠাৎ করেই মেয়ে হয়ে গেল ছেলে, এলাকায় চাঞ্চল্য রাজশাহী থেকে কোনো প্রতিষ্ঠানই কোথাও যাবে না: ভূমিমন্ত্রী সন্তানদের কাছে ফিরতে চান ভারত থেকে পুশইনের শিকার শাহিদা শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে দিলে ধরে নেওয়া হবে ভারত ইন্ধন দিচ্ছে: আসিফ মাহমুদ ছাত্রদলকে না সামলালে এই সরকারের পরিণতি আ.লীগের চেয়েও ভয়াবহ হবে: ছাত্রশিবির সভাপতি হাসিনার পালানো নিয়ে নতুন করে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য শেখ হাসিনা ইতিহাসের নিকৃষ্টতম ও ঘৃণ্য ফ্যাসিস্ট ছিলেন: রিজভী যে কোনো মূল্যে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চান ট্রাম্প প্রয়োজনে আমরা আবারও রাজপথে নামব, আমিও নামব: আসিফ নজরুল

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের আন্দোলনের তুলনা, তসলিমাকে পাল্টা জবাব অভিজিতের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫০:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

নির্বাসিত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিনের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিত দীপকে। তিনি বলেছেন, ভারতের চলমান ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে বাংলাদেশ বা নেপালের আন্দোলনের তুলনা করা সঠিক নয়।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের খবরে বলা হয়, সোমবার (৩ আগস্ট) তসলিমার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় দীপকে বলেন, “বাংলাদেশ ও নেপালের আন্দোলনের সঙ্গে যন্তর মন্তরের আন্দোলনের তুলনা করা হচ্ছে শুধু বদনাম করার জন্য।”

এর আগে রোববার তসলিমা নাসরিন সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক মন্তব্যে সিজেপির আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে ২০২৪ সালের বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সিজেপির আন্দোলনের একটি ভিডিও দেখে তার বাংলাদেশের আন্দোলনের কথা মনে পড়ে গেছে।

তসলিমার ভাষ্য ছিল, শুরুতে তিনি মনে করেছিলেন বাংলাদেশের ছাত্ররা শুধু কোটা সংস্কারের দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে এবং সরকার সেই দাবি মেনে নিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে আন্দোলন সরকার পতনে রূপ নেওয়ায় তিনি দাবি করেন, এর পেছনে অন্য শক্তি সক্রিয় ছিল এবং এর ফল বাংলাদেশে ইতিবাচক হয়নি।

তসলিমার এই বক্তব্যের জবাবে অভিজিত দীপকে বলেন, দেশব্যাপী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার পর সিজেপির দায়িত্ব আরও বেড়েছে। তিনি জানান, আগামী দিনে দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে।

গত মাসে ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে সিজেপি। পরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও সেই আন্দোলনে যোগ দেন। দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন দ্রুত দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

তবে তসলিমা নাসরিনের মন্তব্য নিয়ে এখন পর্যন্ত ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিয়ের পর প্রাক্তনের কোলে শুভশ্রী, ভক্তদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের আন্দোলনের তুলনা, তসলিমাকে পাল্টা জবাব অভিজিতের

আপডেট সময় ১১:৫০:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

নির্বাসিত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিনের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিত দীপকে। তিনি বলেছেন, ভারতের চলমান ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে বাংলাদেশ বা নেপালের আন্দোলনের তুলনা করা সঠিক নয়।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের খবরে বলা হয়, সোমবার (৩ আগস্ট) তসলিমার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় দীপকে বলেন, “বাংলাদেশ ও নেপালের আন্দোলনের সঙ্গে যন্তর মন্তরের আন্দোলনের তুলনা করা হচ্ছে শুধু বদনাম করার জন্য।”

এর আগে রোববার তসলিমা নাসরিন সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক মন্তব্যে সিজেপির আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে ২০২৪ সালের বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সিজেপির আন্দোলনের একটি ভিডিও দেখে তার বাংলাদেশের আন্দোলনের কথা মনে পড়ে গেছে।

তসলিমার ভাষ্য ছিল, শুরুতে তিনি মনে করেছিলেন বাংলাদেশের ছাত্ররা শুধু কোটা সংস্কারের দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে এবং সরকার সেই দাবি মেনে নিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে আন্দোলন সরকার পতনে রূপ নেওয়ায় তিনি দাবি করেন, এর পেছনে অন্য শক্তি সক্রিয় ছিল এবং এর ফল বাংলাদেশে ইতিবাচক হয়নি।

তসলিমার এই বক্তব্যের জবাবে অভিজিত দীপকে বলেন, দেশব্যাপী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার পর সিজেপির দায়িত্ব আরও বেড়েছে। তিনি জানান, আগামী দিনে দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে।

গত মাসে ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে সিজেপি। পরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও সেই আন্দোলনে যোগ দেন। দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন দ্রুত দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

তবে তসলিমা নাসরিনের মন্তব্য নিয়ে এখন পর্যন্ত ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।