ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইসরায়েলের সঙ্গে নাৎসি শাসনের তুলনা করা অপরাধ নয়: জার্মানির আদালত শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইনফান্তিনোকে বাঁচাতে ‘সামর্থ্যের শেষ বিন্দু দিয়ে’ চেষ্টা করবেন ট্রাম্প এবার কিউরেটরদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে বিসিবি যুদ্ধ ও রাজনৈতিক সংকটে বাড়ছে ইসরায়েলিদের দেশত্যাগ ‘ওদের গুলি করো’, শেখ হাসিনার নির্দেশ নিয়ে আল জাজিরার ইনভেস্টিগেশন জুলাইকে ভুলিয়ে দেওয়ার সংগ্রাম শুরু হয়েছে: জামায়াত আমির সেপা সই আজ দক্ষিণ কোরিয়ার, বাংলাদেশের জন্য খুলছে ১১১ সেবা উপখাত বাংলাদেশকে ‘নিজের বাড়ি’ বললেন ব্রাজিল কিংবদন্তি রবার্তো কার্লোস শেখ হাসিনাকে ধরে–বেঁধে ফিরিয়ে আনতে চাই: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

অভিনেতা জাহের আলভীর জামিন, মুক্তিতে আইনি বাধা নেই

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:০৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ছোটপর্দার অভিনেতা জাহের আলভী (মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া) জামিন পেয়েছেন। হাইকোর্টের আদেশে তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই।

বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার (২ আগস্ট) রুল যথাযথ ঘোষণা করে তাকে জামিন দেন। সোমবার (৩ আগস্ট) সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে, গত ৩০ জুন রিমান্ড শেষে জাহের আলভীকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

এরও আগে, ১৮ জুন আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন এই অভিনেতা। তবে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সেই আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান। পরে তদন্তের স্বার্থে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসে নিজ বাসা থেকে জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পরদিন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও মানসিক নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে জাহের আলভী ও আফরা ইবনাত ইকরার বিয়ে হয়। তাদের এক ছেলে সন্তান রয়েছে।

তবে মামলার অভিযোগের বিষয়ে জাহের আলভী বা তার আইনজীবীর পক্ষ থেকে সর্বশেষ কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলের সঙ্গে নাৎসি শাসনের তুলনা করা অপরাধ নয়: জার্মানির আদালত

অভিনেতা জাহের আলভীর জামিন, মুক্তিতে আইনি বাধা নেই

আপডেট সময় ১২:০৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ছোটপর্দার অভিনেতা জাহের আলভী (মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া) জামিন পেয়েছেন। হাইকোর্টের আদেশে তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই।

বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার (২ আগস্ট) রুল যথাযথ ঘোষণা করে তাকে জামিন দেন। সোমবার (৩ আগস্ট) সংশ্লিষ্ট আদালত সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এর আগে, গত ৩০ জুন রিমান্ড শেষে জাহের আলভীকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

এরও আগে, ১৮ জুন আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন এই অভিনেতা। তবে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সেই আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান। পরে তদন্তের স্বার্থে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসে নিজ বাসা থেকে জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পরদিন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও মানসিক নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে জাহের আলভী ও আফরা ইবনাত ইকরার বিয়ে হয়। তাদের এক ছেলে সন্তান রয়েছে।

তবে মামলার অভিযোগের বিষয়ে জাহের আলভী বা তার আইনজীবীর পক্ষ থেকে সর্বশেষ কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।