ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুবকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার কিশোরী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৪৩:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণ করে দুই দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে ২০ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অভিযুক্তের সঙ্গে ওই কিশোরীর পরিচয় হয়। গত রোববার ‘ফ্রেন্ডশিপ ডে’ উপলক্ষে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়ে যায় সে। পরে পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

কল রেকর্ড ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত অনলাইনে খাবার অর্ডার করলে সেই সূত্র ধরে একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে কিশোরীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং অভিযুক্তের হাতে একটি ছুরিও পাওয়া যায়। পুলিশ বলছে, আর কিছুটা দেরি হলে কিশোরীকে হত্যা করা হতে পারত।

তদন্তে আরও জানা গেছে, অভিযুক্ত কিশোরীর আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে দেওয়া এবং তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দিয়েছিল।

এ ঘটনায় ধর্ষণ, অপহরণ, হত্যাচেষ্টা এবং শিশুদের যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একই ধরনের আরও কোনো অভিযোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

তবে অভিযুক্তের আইনজীবীর দাবি, তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং কিশোরী স্বেচ্ছায় তার বাসায় গিয়েছিল। বর্তমানে অভিযুক্ত পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। আর মানসিক আঘাত কাটিয়ে উঠতে হাসপাতালে চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং নিচ্ছে ওই কিশোরী।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুবকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার কিশোরী

আপডেট সময় ০৫:৪৩:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণ করে দুই দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে ২০ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অভিযুক্তের সঙ্গে ওই কিশোরীর পরিচয় হয়। গত রোববার ‘ফ্রেন্ডশিপ ডে’ উপলক্ষে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়ে যায় সে। পরে পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

কল রেকর্ড ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত অনলাইনে খাবার অর্ডার করলে সেই সূত্র ধরে একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে কিশোরীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং অভিযুক্তের হাতে একটি ছুরিও পাওয়া যায়। পুলিশ বলছে, আর কিছুটা দেরি হলে কিশোরীকে হত্যা করা হতে পারত।

তদন্তে আরও জানা গেছে, অভিযুক্ত কিশোরীর আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে দেওয়া এবং তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দিয়েছিল।

এ ঘটনায় ধর্ষণ, অপহরণ, হত্যাচেষ্টা এবং শিশুদের যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একই ধরনের আরও কোনো অভিযোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

তবে অভিযুক্তের আইনজীবীর দাবি, তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং কিশোরী স্বেচ্ছায় তার বাসায় গিয়েছিল। বর্তমানে অভিযুক্ত পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। আর মানসিক আঘাত কাটিয়ে উঠতে হাসপাতালে চিকিৎসা ও কাউন্সেলিং নিচ্ছে ওই কিশোরী।