ঢাকা , শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিম্বুক পাহাড়ে ভালুকের আক্রমণে জুমচাষি আহত, আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেলে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪৮:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৭৩ বার পড়া হয়েছে

 

বান্দরবানের রুমা উপজেলার গ্যালেংগ্যা ইউনিয়নের চিম্বুক পাহাড় এলাকায় ভালুকের আক্রমণে কাইং প্রে ম্রো (৩৫) নামে এক জুমচাষি গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে গ্যালেংগ্যা ইউনিয়নের রুইফপাড়ার চিম্বুক পাহাড় এলাকায় নিজ জুমের বাগানে কলার ছড়ি কাটার সময় এ ঘটনা ঘটে।

গ্যালেংগ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেনরত ম্রো জানান, কাইং প্রে জঙ্গলে কাজ করছিলেন, এমন সময় হঠাৎ একটি ভালুক আক্রমণ করে। তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে ভালুকটি পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের ধারণা, ওই এলাকায় ভালুকের বাচ্চা থাকতে পারে।

আহত কাইং প্রে ম্রোকে প্রথমে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. দিলীপ চৌধুরী।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সাল থেকে বান্দরবানে ভালুকের আক্রমণে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন—এর মধ্যে চিম্বুক এলাকায় চারজন, রুমায় তিনজন, আলীকদমে একজন এবং থানচিতে দুজন। আহতদের মধ্যে ম্রো, খুমি ও মারমা সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছেন।

বান্দরবান বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবদুর রহমান বলেন, “আহতরা ক্ষতিপূরণের জন্য লিখিত আবেদন করেননি। ভালুক এখন ক্রমশ তার বিচরণ ক্ষেত্র ও খাদ্যসংস্থান হারাচ্ছে। ফলে টিকে থাকার তাগিদে মানুষের মুখোমুখি হচ্ছে তারা।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গুলিস্তানে জামায়াতের মিছিলে হামলার অভিযোগ বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে

চিম্বুক পাহাড়ে ভালুকের আক্রমণে জুমচাষি আহত, আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেলে

আপডেট সময় ০৯:৪৮:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

 

বান্দরবানের রুমা উপজেলার গ্যালেংগ্যা ইউনিয়নের চিম্বুক পাহাড় এলাকায় ভালুকের আক্রমণে কাইং প্রে ম্রো (৩৫) নামে এক জুমচাষি গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে গ্যালেংগ্যা ইউনিয়নের রুইফপাড়ার চিম্বুক পাহাড় এলাকায় নিজ জুমের বাগানে কলার ছড়ি কাটার সময় এ ঘটনা ঘটে।

গ্যালেংগ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেনরত ম্রো জানান, কাইং প্রে জঙ্গলে কাজ করছিলেন, এমন সময় হঠাৎ একটি ভালুক আক্রমণ করে। তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে ভালুকটি পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের ধারণা, ওই এলাকায় ভালুকের বাচ্চা থাকতে পারে।

আহত কাইং প্রে ম্রোকে প্রথমে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. দিলীপ চৌধুরী।

বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সাল থেকে বান্দরবানে ভালুকের আক্রমণে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন—এর মধ্যে চিম্বুক এলাকায় চারজন, রুমায় তিনজন, আলীকদমে একজন এবং থানচিতে দুজন। আহতদের মধ্যে ম্রো, খুমি ও মারমা সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছেন।

বান্দরবান বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবদুর রহমান বলেন, “আহতরা ক্ষতিপূরণের জন্য লিখিত আবেদন করেননি। ভালুক এখন ক্রমশ তার বিচরণ ক্ষেত্র ও খাদ্যসংস্থান হারাচ্ছে। ফলে টিকে থাকার তাগিদে মানুষের মুখোমুখি হচ্ছে তারা।”