ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিবির হত্যার বিচার না পেয়ে দুধ দিয়ে গোসল করে রাজনীতি ছেড়েদেন বিএনপি নেতা সরকারি দলের দায়িত্বহীন বক্তব্যে দেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম বাড়ছে: জামায়াত আমির ইরানের পক্ষে যুদ্ধে না জড়ানোয় এরদোয়ানের প্রশংসা করলেন ট্রাম্প রাজনৈতিক খুনোখুনি: দায় চাপিয়ে দায়মুক্তি চাইছে বিএনপি-জামায়াত? খামেনির শেষ বিদায়ে ইরানের আমন্ত্রণ পেয়ে ‘বিপাকে’ মোদি ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার উপকূলে ব্যাপক লুটপাট আশুরার রোজা কয়টি? আলেমদের অভিমত কী বলছে ‘চার মাসের মধ্যে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে দেশ’ ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে ১৬৪ জনের মরদেহ উদ্ধার প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কলেজছাত্রের আত্মহত্যা

ভারতের হামলায় ১১ সেনাসহ ৫১ জন নিহত: পাকিস্তান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৫৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • ১০৬৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতের সঙ্গে সংঘাতে পাকিস্তানের ১১ জন সেনা সদস্য এবং ৪০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৭৮ সেনা। মঙ্গলবার (১৩ মে) পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ দপ্তরের (আইএসপিআর) বিবৃতির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে জিও নিউজ।

পাক সেনাবাহিনীর মিডিয়া শাখা হতাহতের সর্বশেষ সংখ্যা প্রকাশ করে জানিয়েছে, ভারতীয় সেনাবাহিনী নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে বিনা উসকানিতে নিন্দনীয় কাপুরুষোচিত আক্রমণ চালিয়েছে।

আইএসপিআর বলছে, ‘এই বর্বর হামলায় ৪০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে ৭ জন নারী এবং ১৫ জন শিশু। এ ছাড়া আরও ১২১ জন মানুষ আহত হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন ১০ জন নারী এবং ২৭ জন শিশু।’

এই ভয়াবহ আগ্রাসনের জবাবে পাক সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং জানিয়েছে, পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী মারকা-ই-হকের পতাকাতলে দৃঢ় প্রতিশোধ গ্রহণ করেছে। অপারেশন বুনিয়ান-উম-মারসুসের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট এবং উন্নত প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে তাদের বাহিনী।

বিবৃতিতে বলা হয়, পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর মোট ১১ জন সদস্য অনুকরণীয় বীরত্বের সাথে মাতৃভূমি রক্ষা করতে গিয়ে শহীদ হন এবং ৭৮ জন আহত হন। জানা গেছে, নিহত সেনারা সবাই ১০ মে প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের নামের তালিকাও প্রকাশ করেছে আইএসপিআর।

পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিহতরা হলেন: নায়েক আব্দুল রেহমান, ল্যান্স নায়েক দিলওয়ার খান, ল্যান্স নায়েক ইকরামুল্লাহ, নায়েক ওয়াকার খালিদ, সিপাহী মুহাম্মদ আদিল আকবর, সিপাহী নিসার।

পাকিস্তান বিমান বাহিনীর নিহত সদস্যরা হলেন: স্কোয়াড্রন লিডার উসমান ইউসুফ, প্রধান টেকনিশিয়ান আওরঙ্গজেব, সিনিয়র টেকনিশিয়ান নাজিব, কর্পোরাল টেকনিশিয়ান ফারুক, সিনিয়র টেকনিশিয়ান মুবাশির।

আইএসপিআর জানিয়েছে, শহীদদের মহৎ আত্মত্যাগ সাহস, নিষ্ঠা এবং অটল দেশপ্রেমের এক স্থায়ী প্রতীক – যা জাতির স্মৃতিতে চিরকাল খোদাই করা আছে। এর আগে রোববার (১১ মে) এক ব্রিফিংয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনী জানায়, পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতে তাদের পাঁচজন সৈন্যকে হারিয়েছে তারা।

পেহেলগামের হামলার পর ভারতের অভিযোগের তীর ছিল পাকিস্তানের দিকে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৭ মে পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি স্থানে ‘অপারেশন সিন্দুর’ অভিযান চালায় ভারত। এরপর পাল্টাপাল্টি ড্রোন হামলা, সীমান্তে গোলাগুলি এবং বিমান হামলার ঘটনা ঘটে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় থামে দু’দেশের মধ্যকার সংঘাতময় পরিস্থিতি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিবির হত্যার বিচার না পেয়ে দুধ দিয়ে গোসল করে রাজনীতি ছেড়েদেন বিএনপি নেতা

ভারতের হামলায় ১১ সেনাসহ ৫১ জন নিহত: পাকিস্তান

আপডেট সময় ০১:৫৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

এবার ভারতের সঙ্গে সংঘাতে পাকিস্তানের ১১ জন সেনা সদস্য এবং ৪০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৭৮ সেনা। মঙ্গলবার (১৩ মে) পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ দপ্তরের (আইএসপিআর) বিবৃতির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে জিও নিউজ।

পাক সেনাবাহিনীর মিডিয়া শাখা হতাহতের সর্বশেষ সংখ্যা প্রকাশ করে জানিয়েছে, ভারতীয় সেনাবাহিনী নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে বিনা উসকানিতে নিন্দনীয় কাপুরুষোচিত আক্রমণ চালিয়েছে।

আইএসপিআর বলছে, ‘এই বর্বর হামলায় ৪০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে ৭ জন নারী এবং ১৫ জন শিশু। এ ছাড়া আরও ১২১ জন মানুষ আহত হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন ১০ জন নারী এবং ২৭ জন শিশু।’

এই ভয়াবহ আগ্রাসনের জবাবে পাক সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং জানিয়েছে, পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী মারকা-ই-হকের পতাকাতলে দৃঢ় প্রতিশোধ গ্রহণ করেছে। অপারেশন বুনিয়ান-উম-মারসুসের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট এবং উন্নত প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে তাদের বাহিনী।

বিবৃতিতে বলা হয়, পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর মোট ১১ জন সদস্য অনুকরণীয় বীরত্বের সাথে মাতৃভূমি রক্ষা করতে গিয়ে শহীদ হন এবং ৭৮ জন আহত হন। জানা গেছে, নিহত সেনারা সবাই ১০ মে প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের নামের তালিকাও প্রকাশ করেছে আইএসপিআর।

পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিহতরা হলেন: নায়েক আব্দুল রেহমান, ল্যান্স নায়েক দিলওয়ার খান, ল্যান্স নায়েক ইকরামুল্লাহ, নায়েক ওয়াকার খালিদ, সিপাহী মুহাম্মদ আদিল আকবর, সিপাহী নিসার।

পাকিস্তান বিমান বাহিনীর নিহত সদস্যরা হলেন: স্কোয়াড্রন লিডার উসমান ইউসুফ, প্রধান টেকনিশিয়ান আওরঙ্গজেব, সিনিয়র টেকনিশিয়ান নাজিব, কর্পোরাল টেকনিশিয়ান ফারুক, সিনিয়র টেকনিশিয়ান মুবাশির।

আইএসপিআর জানিয়েছে, শহীদদের মহৎ আত্মত্যাগ সাহস, নিষ্ঠা এবং অটল দেশপ্রেমের এক স্থায়ী প্রতীক – যা জাতির স্মৃতিতে চিরকাল খোদাই করা আছে। এর আগে রোববার (১১ মে) এক ব্রিফিংয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনী জানায়, পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতে তাদের পাঁচজন সৈন্যকে হারিয়েছে তারা।

পেহেলগামের হামলার পর ভারতের অভিযোগের তীর ছিল পাকিস্তানের দিকে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৭ মে পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি স্থানে ‘অপারেশন সিন্দুর’ অভিযান চালায় ভারত। এরপর পাল্টাপাল্টি ড্রোন হামলা, সীমান্তে গোলাগুলি এবং বিমান হামলার ঘটনা ঘটে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় থামে দু’দেশের মধ্যকার সংঘাতময় পরিস্থিতি।