ঢাকা , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের কৌশলগত অংশীদার এখন চীন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০৭:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

চীন এখন শুধু বাংলাদেশের উন্নয়ন বা বিনিয়োগ অংশীদার নয়, বরং কৌশলগত অংশীদারে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ

সোমবার চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, নতুন এই অর্থনৈতিক অঞ্চল বাংলাদেশ-চীনের বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।

প্রায় ৮০০ একর জমির ওপর গড়ে উঠছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ হাজার ৭২২ কোটি টাকা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার এবং ২ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা আসছে চীনা ঋণ থেকে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রকল্পের পুরো কাজ ২০৩০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, আগামী ১৮ মাসের মধ্যেই এখানে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কৌশলগত অংশীদার এখন চীন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:০৭:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

চীন এখন শুধু বাংলাদেশের উন্নয়ন বা বিনিয়োগ অংশীদার নয়, বরং কৌশলগত অংশীদারে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ

সোমবার চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, নতুন এই অর্থনৈতিক অঞ্চল বাংলাদেশ-চীনের বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করবে এবং বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।

প্রায় ৮০০ একর জমির ওপর গড়ে উঠছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ হাজার ৭২২ কোটি টাকা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার এবং ২ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা আসছে চীনা ঋণ থেকে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রকল্পের পুরো কাজ ২০৩০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, আগামী ১৮ মাসের মধ্যেই এখানে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।