ঢাকা , রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ধ্বংসাবশেষ পড়ল ইসরায়েলে জামায়াতের উত্থান বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি: নুর বিতর্ক এড়াতে আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালে সাত দেশের রেফারি আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনালের আগে জানা গেল আবহাওয়া পরিস্থিতি, ম্যাচ কি পেছাবে? বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার চেয়ে ৭৭ মিনিট কম খেলেছে স্পেন আমাদেরকে অনেক লোভ দেওয়া হয়েছে, সব ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছি আর্জেন্টিনা ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে প্রতারক দল: স্প্যানিশ সাংবাদিক কুয়েত প্রবাসীদের উচ্ছেদ আতঙ্ক: জরুরি প্রয়োজনে দূতাবাসের নির্দেশনা পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে আবু সাঈদ-মুগ্ধ-ওয়াসিমের ছবি ইসিতে বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব দিলো বিএনপি

বিশ্বকাপে না খেলেও ফিফা থেকে মোটা অঙ্কের টাকা পাচ্ছে বাংলাদেশ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:২৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

এবার বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা না পেলেও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) নিয়মিতভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফার উন্নয়ন তহবিল পেয়ে থাকে। ফিফার ‘FIFA Forward’ কর্মসূচির আওতায় ২০২৩২০২৬ বিশ্বকাপ চক্রে প্রতিটি সদস্য দেশের জন্য সর্বোচ্চ ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত উন্নয়ন তহবিল বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সেই তহবিলের অংশীদার বাংলাদেশও। ফিফা একটি অলাভজনক ক্রীড়া সংস্থা। বিশ্বকাপ আয়োজন, টেলিভিশন সম্প্রচার স্বত্ব, স্পন্সরশিপ এবং টিকিট বিক্রি থেকে অর্জিত আয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তারা বিশ্বজুড়ে ফুটবলের উন্নয়নে ব্যয় করে। এ লক্ষ্যে ফিফার ২১১টি সদস্য দেশের মধ্যে উন্নয়ন তহবিল বিতরণ করা হয়, যাতে প্রতিটি দেশ নিজস্ব ফুটবল অবকাঠামো ও কার্যক্রম উন্নত করতে পারে।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ফিফার পূর্ণাঙ্গ সদস্য হওয়ায় নিয়মতান্ত্রিকভাবেই এই তহবিল পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। ফিফার অফিসিয়াল আর্থিক নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২০২৩২০২৬ চক্রে প্রতিটি সদস্য দেশের জন্য মোট ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত উন্নয়ন সহায়তা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার বাংলাদেশি মুদ্রামানে মূল্য প্রায় ৯৫ কোটিরও বেশি টাকা।

এই বরাদ্দের মধ্যে প্রতি বছর ১.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সদস্য দেশের ফুটবল ফেডারেশনের প্রশাসনিক ও পরিচালন ব্যয়ের জন্য দেওয়া হয়। এছাড়া প্রায় ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ থাকে। এসব প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ, যুব একাডেমি গড়ে তোলা, তৃণমূল ফুটবলের প্রসার এবং নারী ফুটবলের উন্নয়নে অর্থ ব্যয় করা হয়।

তবে এই অর্থ ছাড়ের ক্ষেত্রে রয়েছে কঠোর শর্ত ও নজরদারি। উন্নয়ন তহবিল পেতে হলে সংশ্লিষ্ট ফুটবল ফেডারেশনকে নির্দিষ্ট প্রকল্প পরিকল্পনা ও বাজেট ফিফার ডেভেলপমেন্ট কমিটির কাছে জমা দিতে হয়। প্রকল্প অনুমোদনের পর ধাপে ধাপে অর্থ ছাড় করা হয় এবং অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতি বছর আন্তর্জাতিক স্বাধীন অডিটরদের মাধ্যমে অডিট পরিচালিত হয়। ফলে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করলেও, ফিফার সদস্য দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বৈশ্বিক ফুটবল উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় এই তহবিল পাওয়ার বৈধ ও নিয়মতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ধ্বংসাবশেষ পড়ল ইসরায়েলে

বিশ্বকাপে না খেলেও ফিফা থেকে মোটা অঙ্কের টাকা পাচ্ছে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০১:২৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

এবার বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা না পেলেও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) নিয়মিতভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফার উন্নয়ন তহবিল পেয়ে থাকে। ফিফার ‘FIFA Forward’ কর্মসূচির আওতায় ২০২৩২০২৬ বিশ্বকাপ চক্রে প্রতিটি সদস্য দেশের জন্য সর্বোচ্চ ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত উন্নয়ন তহবিল বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সেই তহবিলের অংশীদার বাংলাদেশও। ফিফা একটি অলাভজনক ক্রীড়া সংস্থা। বিশ্বকাপ আয়োজন, টেলিভিশন সম্প্রচার স্বত্ব, স্পন্সরশিপ এবং টিকিট বিক্রি থেকে অর্জিত আয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ তারা বিশ্বজুড়ে ফুটবলের উন্নয়নে ব্যয় করে। এ লক্ষ্যে ফিফার ২১১টি সদস্য দেশের মধ্যে উন্নয়ন তহবিল বিতরণ করা হয়, যাতে প্রতিটি দেশ নিজস্ব ফুটবল অবকাঠামো ও কার্যক্রম উন্নত করতে পারে।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ফিফার পূর্ণাঙ্গ সদস্য হওয়ায় নিয়মতান্ত্রিকভাবেই এই তহবিল পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। ফিফার অফিসিয়াল আর্থিক নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২০২৩২০২৬ চক্রে প্রতিটি সদস্য দেশের জন্য মোট ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত উন্নয়ন সহায়তা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার বাংলাদেশি মুদ্রামানে মূল্য প্রায় ৯৫ কোটিরও বেশি টাকা।

এই বরাদ্দের মধ্যে প্রতি বছর ১.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সদস্য দেশের ফুটবল ফেডারেশনের প্রশাসনিক ও পরিচালন ব্যয়ের জন্য দেওয়া হয়। এছাড়া প্রায় ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ থাকে। এসব প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ, যুব একাডেমি গড়ে তোলা, তৃণমূল ফুটবলের প্রসার এবং নারী ফুটবলের উন্নয়নে অর্থ ব্যয় করা হয়।

তবে এই অর্থ ছাড়ের ক্ষেত্রে রয়েছে কঠোর শর্ত ও নজরদারি। উন্নয়ন তহবিল পেতে হলে সংশ্লিষ্ট ফুটবল ফেডারেশনকে নির্দিষ্ট প্রকল্প পরিকল্পনা ও বাজেট ফিফার ডেভেলপমেন্ট কমিটির কাছে জমা দিতে হয়। প্রকল্প অনুমোদনের পর ধাপে ধাপে অর্থ ছাড় করা হয় এবং অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রতি বছর আন্তর্জাতিক স্বাধীন অডিটরদের মাধ্যমে অডিট পরিচালিত হয়। ফলে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করলেও, ফিফার সদস্য দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বৈশ্বিক ফুটবল উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় এই তহবিল পাওয়ার বৈধ ও নিয়মতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করছে।